"কিছু বিজয় আমাদের আনন্দ"
নমস্কার
কিছু বিজয় আমাদের আনন্দ:
বন্ধুরা, উপরের ছবি দেখেই আপনারা নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন কোনো বিষয়ের বিজয়ের প্রাপ্তি এটি।হ্যাঁ, সত্যিই তাই আসলে আমাদের বর্ধমান ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে 18-ই ফেব্রুয়ারি মোহনবাগান মাঠে সকাল নয়টা থেকে খেলাধুলার আয়োজন করা হয়েছিলো।যেকোনো প্রাপ্তি আমাদের জন্য আনন্দের ,আর তা যদি হয় কোনো প্রতিভা দিয়ে অর্জিত বিজয়ের পুরস্কার তাহলে তো কথাই নেই।তেমনি ছিল এই বিজয়ের পুরস্কারগুলি।
এই অ্যানুয়াল স্পোর্টস প্রোগ্রামটি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের উদ্যোগে ক্রীড়া বিভাগের সহযোগিতায় করা হয়েছিলো।যে প্রতিযোগিতায় স্নাতকোত্তর বিভাগের ছেলে-মেয়েরা অংশ নিতে পারবে।বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়েছিলো।যেমন---বিভিন্ন মিটারের দৌড় প্রতিযোগিতা, স্লো সাইকেলিং,হাই জ্যাম,লং জ্যাম, বিভিন্ন ধরনের থ্রো প্রতিযোগিতা,মিউজিক্যাল চেয়ার,মার্বেল-স্পুনসহ বিভিন্ন খেলা।দৌড় প্রতিযোগিতার মধ্যে 100 মিটার,200 মিটার,400 মিটার,800 মিটার এবং 1500 মিটার ছিল ছেলেদের জন্য।কিন্তু মেয়েদের জন্য 100 মিটার,200 মিটার আর 400 মিটার দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিলো।
আমাদের এম.এ ফার্স্ট সেমিস্টারের অনেক ছেলে-মেয়েও অংশ নিয়েছিলো।যদিও আমি অংশ নেয়নি,তবে স্কুলে থাকতে প্রত্যেক খেলায় অংশ নিতাম।যাইহোক সবথেকে আনন্দের বিষয় হচ্ছে-- আমাদের ক্লাসের অনেকেই পুরস্কার জিতেছিলো ফার্স্ট ,সেকেন্ড ইত্যাদি পজিশন নিয়ে। আসলে আমাদের সিনিয়রদের এক্সাম ছিল তাই তারা বেশি সহযোগিতা করতে পারিনি এইজন্য আমাদের হিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট গতবছর সেকেন্ড পজিশনে থাকলেও এই বছর থার্ড পজিশন জিতে নিয়েছে সবমিলিয়ে।তারপর ইউনিভার্সিটির সম্মানীয় স্যার সবাইকে ট্রফি তুলে দিচ্ছিলেন।আমাদের ডিপার্টমেন্ট মোট 7 টি ট্রফি এবং কয়েকটি মেডেল জিতেছিলো।
আমরা এখানে দর্শক সারিতে ছিলাম, যদিও সন্ধ্যা নেমে আসছিলো বলে আমরা আগেই বাড়ি ফিরে এসেছিলাম।তাই পরে একদিন বিজয়ী পুরস্কারগুলি আমাদের hod ম্যামের হাতে তুলে দিয়েছিলো আমাদের সহপাঠী ও সিনিয়ররা।এছাড়া যারা খেলায় অংশ নিয়ে ফার্স্ট,সেকেন্ড ও থার্ড পজিশনে ছিল তাদের পরবর্তী দুটো সেমিস্টারের বিভিন্ন খাতের টাকা মুকুব করে দেয় ইউনিভার্সিটি থেকে।এটা তাদের জন্য বাড়তি একটা সুযোগ ছিল বলা যায়।সবমিলিয়ে এই মুহূর্তগুলি খুবই সুন্দর ও আনন্দের ছিল।
পোষ্ট বিবরণ:
শ্রেণী | জেনারেল রাইটিং |
---|---|
ডিভাইস | poco m2 |
অভিবাদন্তে | @green015 |
লোকেশন | বর্ধমান |
আমার পরিচয় |
---|
আমি সবসময় ভিন্নধর্মী কিছু করার চেষ্টা করি নিজের মতো করে।কবিতা লেখা ও ফুলের বাগান করা আমার শখ।এছাড়া ব্লগিং, রান্না করতে, ছবি আঁকতে,গল্পের বই পড়তে এবং প্রকৃতির নানা ফটোগ্রাফি করতে আমি খুবই ভালোবাসি।।
টুইটার লিংক
0.00 SBD,
0.00 STEEM,
0.00 SP
টাস্ক প্রুফ:
কমেন্টস লিংক---
(https://x.com/green0156/status/1903253352168951849)
(https://x.com/green0156/status/1903340375411929358)
https://x.com/green0156/status/1903344265218101459
0.00 SBD,
0.00 STEEM,
0.00 SP
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
অনেক ভালো লাগলো এত সুন্দর আয়োজন এবং সেখানে পুরস্কার বিতরণ। বিজয়ীদের হাতে যখন পুরস্কার উঠে আসে তখন শুধু তার মন নয় তার আপনজনদের মনে আনন্দ ভরে ওঠে। ভালো লাগলো আপু সুন্দর এই মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করে আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছেন দেখে।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু,সুন্দর মতামতের জন্য।
অনেক ভালো লাগলো আপনার এই পোষ্টটি পড়ে। আমিও যখন স্কুল কলেজে পড়াশোনা করতাম তখন আমিও বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করতাম আর আমিও অনেক খেলা জিতে বিভিন্ন উপহার ট্রফি পেয়েছি। বিজয়ী হওয়ার একটা আনন্দই আলাদা।
একেবারেই ঠিক বলেছেন দাদা,বিজয়ী হওয়ার আনন্দ-ই ভিন্নরকম।
খুব ভালো লাগলো তোমার এই পোস্টটা পড়ে। আমি যখন স্কুলে পড়তাম বা কলেজে পড়েছি তখন কোনদিনই কোনরকম স্পোর্টস এক্টিভিটিতে অংশগ্রহণ করিনি। আমি সবসময় সাংস্কৃতিক দিকটাতে নজর দিতাম। তোমাদের ডিপার্টমেন্ট অনেকগুলো ট্রফি এবং মিডেল পেয়েছে দেখে খুব ভালো লাগছে। তুমি নিজেও অংশগ্রহণ করতে পারতে।
হুম দিদি,অংশগ্রহণ করলে হতো।কিন্তু এখন আর ইচ্ছে করে না একটু লাজুক স্বভাবের জন্য,মনে হয় আমি বড় হয়ে গিয়েছি।😊
ভালো লাগলো দিদি আপনার পোষ্টটি পড়ে আসলেই পুরস্কার পাওয়ার আনন্দই আলাদা। আমি যখন স্কুল বা কলেজে পড়তাম তখন খেলাতে অংশগ্রহণ করতাম কিন্তু কোন পুরস্কার পেতাম না। তারপরও আফসোস থাকতো না কারণ আমার বন্ধুরা পেত সেটাই আনন্দ লাগতো। অনেকগুলো ট্রফি ও মেডেল পেয়েছে দেখে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ।
সত্যিই তাই পুরস্কার না পেলেও অংশ নেওয়াটা বড় বিষয়।ধন্যবাদ আপনাকে।