সম্মানিত আমার বাংলা ব্লগের সকল স্তরের ব্লগার ভাই ও বোনদের জানাই বর্ষার অপরূপ সৌন্দর্য এবং নিজ অবস্থান এর অপরূপ সৌন্দর্যমন্ডিত ও বৈচিত্র্যময় প্রকৃতির পক্ষ থেকে, আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। |

আসলে আজ কবির লাইনগুলো খুব বলতে ইচ্ছে করছে। যাক বলেই ফেলি-
বহু দিন ধ’রে বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
একটি শিশিরবিন্দু।
কবির, লাইনগুলোর সাথে মাঝে মাঝে, পৃথিবীর অনেক মানুষের জীবনের বাস্তব ও বৈচিত্র্যময় স্পর্শকাতর মিলবন্ধন গুলো প্রায়শই মিলে যায়।
তেমনি আমাদের নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলায়, অবস্থানরত বাসার ছাদের অপরূপ সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যময় হৃদয়ে প্লাবনকৃত রূপের পরম স্পর্শ, মন ছুয়ে দিবে এবং তা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারব সেটা এভাবে কল্পনা করেনি।

যাই হোক বাসার ছাদের উপরে গেলে মাঝেমধ্যে আমার মনে হয়, আমি উন্নত কোন দেশের বিমানবন্দরের বৈমানিক সৌন্দর্য স্বচক্ষে এবং দৃষ্টি নন্দন সেই আধুনিক সৌন্দর্যের রূপ চক্ষু সামনে দেখিতেছি।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা ও অবস্থান ভেদে বর্ষা একটু ভিন্নভাবে বর্ষিত হচ্ছে। আগেকার দিনে বর্ষাকাল আসলেই, দেখেছি শুধু বৃষ্টি আর বৃষ্টি। কিন্তু এখন আর সেরকম পরিলক্ষিত হয় না। গরম ও রোদের মধ্যে হঠাৎ মুহূর্তের মধ্যে বৃষ্টির তীব্র বর্ষণ পরিলক্ষিত করছি।

এ সময় নিজের চিত্তকে বর্ষার, অপরূপ সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক দৃশ্য ধারণের জন্য ছাদের উপরে উঠলাম। কিছুক্ষণ আগেই প্রচন্ড রোদ ছিল। কিন্তু হঠাৎ প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য মেঘের ঘনঘটা এই দৃশ্যকে যেন আলাদা বৈচিত্রের রূপ চক্ষু সম্মুখে প্রদর্শিত। যা আপনাদের কাছে শেয়ার করলাম।

ছাদের উপরে বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছ রয়েছে যা আমি নিজের হাতে রোপন করেছি। আজকে খুব সীমিত আকারে ছাদের উপর থেকে বিমানের বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার ক্ষুদ্র প্রয়াস।

ছাদের উপর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের বিমান ওঠাও নামার দৃশ্য সম্পূর্ণ দেখা যায়। যখন বিমান মাথার উপর দিয়ে বিমানবন্দরে নামে সেই অনুভূতিটা এতটাই প্রখর ও সৌন্দর্যমন্ডিত হয় যা ভাষায় বর্ণনা করা খুব কঠিন হয়ে যায়। দেখতে দেখতেই বর্ষার বৈচিত্র্যময় বর্ষণ, বর্ষিত হচ্ছে এবং তা ধেয়ে নিজ অবস্থানে আসতেছে, তার চিত্র।





ছাদের উপরে বেশ কয়েক প্রকারের গাছ রয়েছে, এর মধ্যে ড্রাগন গাছগুলো আমার কাছে সব থেকে বেশি আকর্ষণীয় লাগে। সব থেকে বেশি ভালো লাগে যখন ড্রাগন গাছের ফুলগুলো হয়। বেশিরভাগ সময় ফুলগুলো রাতে ফুটে থাকে।



অবশেষে প্রকৃতি তার বৈচিত্র্যময় মেঘ হতে তুমুল বর্ষণের মাধ্যমে সবকিছু ভিজিয়ে মনকে প্রশান্তি দিল। আর সেই বর্ষণে নিজেকে অম্লান করলাম। এই অনুভূতিটা খুব ছোটবেলায় নিয়েছিলাম।

আসলে প্রচন্ড গরমে হঠাৎ বৃষ্টির মধ্য নিজেকে ভিজিয়ে কি যে প্রশান্তি এবং অনুভূতি তা হয়তো আপনারা প্রত্যেকেই বোঝেন। আর এই অপ্রত্যাশিত ক্ষুব্ধ গরমে, বৃষ্টির প্রশান্তিতে নিজেকে তার স্পর্শে আনতে পেরে শরীরও মন প্রশান্তিতে ভরে গেল।



এখন আপনাদের মাঝে নিজ হস্তে ধারণকৃত, রংপুর বিভাগের, নীলফামারী জেলার, সৈয়দপুর উপজেলায়, বর্তমানে অবস্থানকৃত বাসার ছাদের উপর থেকে ধারণকৃত বিমান উঠাও নামা, সেই সাথে আকাশের ঘটমান মেঘাচ্ছন্ন প্রকৃতির আস্বাদন ও ছাদের উপরের কৃত্রিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শনের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
ঠিক আছে, আমার আঙ্গিকে নিজের মতো করে আমার অনুভূতিগুলো আপনাদের সকলের সাথে শেয়ার করার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আজ এপর্যন্তই সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সবাইকে শুভকামনা জানিয়ে আজকের মত বিদায়।
ছবি গুলো যে মোবাইল দিয়ে তোলা Xiaomi Redmi Note 8
মোবাইটি সম্পকে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন
🕵🏾▪️ ▪️ ▪️ ▪️ ▪️ আমার পরিচয় ▪️ ▪️ ▪️ ▪️ ▪️ 🕵🏾 |
আমি মোঃ মেহেরবান আলী বাসাঃ দিনাজপুর। বর্তমানে থাকি- সৈয়দপুর, নীলফামারী।
বাংলা আমার মায়ের শেখানো ভাষা। সেই মা আর নেই, কিন্তু তার শেখানো ভাষা আমি ব্যবহার করে আমার দেশ বাংলাদেশের মাটিতে বিচরণ করছি ও এই ভাষার মাধ্যমে আমার মনের ভাব সবার মাঝে বিলিয়ে দিচ্ছি। তাই এই ভাষা আমার কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষা। আমার কাছে আমার দেশ ও আমার বাংলা ভাষা এটি হচ্ছে আমার বেঁচে থাকার চালিকাশক্তি এবং আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। আমি আমার দেশ ও আমার মায়ের ভাষাকে অনেক অনেক বেশি ভালোবাসি।

কয়েক বছর আগে ঢাকায় আমি এক বাসায় বেশ কিছুদিন ছিলাম। তো রাতে ঘুমিয়ে পড়ার পর বিমান ওঠানামা শব্দে ঠিকমতো ঘুমাতে পারিনি। পরের দিন ছাদে দাঁড়িয়ে দৃশ্যগুলো দেখতে খুব ভালো লেগেছিল। যাইহোক আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর করে গুছিয়ে আন্তরিকতার সাথে একটা মন্তব্য করার জন্য। আমার ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে বলে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।❤️
আসলে বর্তমানে আবহাওয়া এমনই হয়ে গিয়েছে কি আর করা যাবে ভাইয়া। সময়ের জিনিস সময় হয়না অসময়ে হতে শুরু করে দিয়েছে। অনেকদিন পর আজকে বৃষ্টিতে ভিজলাম খুবই ভালো লাগলো আমার কাছে।
জি ভাইয়া, আবহাওয়া ও অঞ্চল ভেদে প্রকৃতির বিবর্তন, মানুষের জীবনকেও প্রভাবিত করছে। ধন্যবাদ আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আমি দেখেছি আপনি অনেক পরিশ্রমী। আপনি অনেক পোস্ট পড়েন ও দেখেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য। আপনার মনের আশা যেন পূরণ হয়।
দারুণ ফটোগ্রাফি নিয়েছেন প্রকৃতির আর ছাদে দাঁড়িয়ে বিমানের ছবি।আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জি আপু দৃশ্যগুলো দেখে দেখে অভ্যস্ত তারপরও অনেক ভালো লাগে। আর সেদিন বৃষ্টি হওয়াতে এবং বৃষ্টিতে ভেজাতে অনেক অনেক ভালো লেগেছিল। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
বাহ সুন্দর লেখার সাথে দারুন ফটোগ্রাফি।মনে হচ্ছে ছবিগুলোর সাথে মনে হয় লেখা গুলও মিলে যাচ্ছে।
আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এইজন্য যে, আপনি ধৈর্য ধরে আমার লেখাগুলো পড়েছেন। আপনার প্রশংসা আমাকে অনেক ভালো লেগেছে। আর হ্যাঁ অনেকদিন পরে আপনার মন্তব্য পেয়ে, আসলেই খুশি হলাম। আপনার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইলো ভাইয়া।
খুবই চমৎকারভাবে আপনি আমাদের মাঝে ছাদের উপর থেকে একটি বিমান ওঠা এবং নামার ভিডিও শেয়ার করেছেন সেই সাথে কিছু ফটোগ্রাফিও দেখলাম খুবই ভালো লাগলো। সুন্দর এই ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার মন্তব্যটি আমার খুব ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
প্রিয় মেহেরবান ভাই, আপনার এত সুন্দর পোষ্ট পড়ে এবং ভিডিওটা দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছি, যা, লিখে প্রকাশ করা সম্ভব হবে না।
বিমান দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে, আপনি কত কাছ থেকে বিমান দেখা উপলব্ধি করেছেন তা আপনার ভিডিওটা দেখেই বুঝতে পেরছি। অনেক গুলো ধন্যবাদ এত সুন্দর পোষ্ট উপহার দেয়ার জন্য।
শুভকামনা প্রিয় ভাই।
আপনার হৃদয় 💓 প্রলয়নকারী মন্তব্য আমাকে এতটাই ভালো লাগলো, যা দেখামাত্র দ্বিতীয়বার মন্তব্য করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে বাধ্য হলাম। ধন্যবাদ মামুন ভাই।