লিচুর জেলি
আসসালামুআলাইকুম
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজকে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি মজার একটি রেসিপি নিয়ে। যদিও রেসিপি বললে ভুল হবে কারণ সবকিছুই একেবারেই রেডি, শুধু হালকা একটু কাজ করলেই রেসিপি কমপ্লিট। কখনো এভাবে তৈরি করিনি, এই প্রথম তৈরি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। রেসিপিটি হচ্ছে লিচুর জেলি। আসলে বাংলাদেশে থাকতে লিচুর জেলি অনেক খেয়েছিলাম। আমার কাছে খুবই ভালো লাগতো। এখানেও মাঝে মাঝে পাওয়া যায়।সেদিন শপিং এ গিয়ে জেলি না পেয়ে আমার ছোট মেয়ে কিনে এনেছে জেলি বানানোর ইনগ্রেডিয়েন্টস, বাসায় বানিয়ে খাবে।ও লিচু খুব পছন্দ করে।ও প্রায়ই বায়না ধরে লিচু খাবে। কিছুদিন আগে লিচু লিচু করে অস্থির হয়ে গিয়েছিল কিন্তু কোথাও পায়নি।এরপর লন্ডনে গিয়ে একটি বাঙালি শপ থেকে ওর জন্য লিচু কিনে আনা হয়। যাইহোক এবার চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূলপর্বে , কিভাবে লিচুর জেলি তৈরি করেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপিটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
উপকরণ | পরিমাণ |
---|---|
জেলির ইনগ্রেডিয়েন্টস | ১ প্যাকেট (৭০ গ্রাম) |
পানি | ৩৫০ গ্রাম |
ফুড কালার | কয়েক ফোঁটা( অপশনাল) |
কার্যপদ্ধতিঃ
জেলি বানানোর ইনগ্রেডিয়েন্টস।
প্রথমেই একটি হাঁড়িতে পানি গরম দিয়ে বলক দিয়ে নিয়েছি।
এরপর ইনগ্রেডিয়েন্টস পানির মধ্যে দিয়ে একটু নেড়ে নিয়েছি।
এরপর ফুড কালার দিয়ে নেড়ে নিয়েছি। কালার সুন্দর আসার জন্য ফুড কালার দিয়েছি।
এরপর খুবই ছোট ছোট শরবতের গ্লাসে ঢেলে নিয়েছি। এরপর একটু ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রেখে দিয়েছি ৪০ মিনিটের জন্য।
ফ্রিজ থেকে বের করেছি।জেলি রেডি।
আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। প্রকৃত লিচুর স্বাদটাও পেয়েছিলাম।
Photographer | @tangera |
---|---|
Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR

আমার কাছেও লিচু বেশ ভালো লাগে,তবে এবার কেন জানি লিচু মুখেই দিতে পারছি না,কারন লিচু খেলেই বেশ গ্যাস হয় পেটে।যাই হোক লিচু খাওয়া হলেও লিচুর জেলি কখনও খাওয়া হয়নি, দেখতে বেশ ভালো লাগছে, বিশেষ করে কালারটা বেশ দারুন হয়েছে। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
লিচু আমার ছেলে ও খুব পছন্দ করে। খুব সুন্দর করে লিচুর জেলি করে ফেললেন আপু।আমি সকালে উঠে পোস্ট দেখে লিকার চা ভেবেছিলাম।আমি চা পাগল মানুষ তো।দেখেই খেতে ইচ্ছে করছিল।পরে পড়ে দেখলাম লিচুর জেলি।কালারটা খুব সুন্দর হয়েছে।আমিও এই রেডিমেড প্যাকেট এনে জেলি করি, কাস্টার্ডে দেয়ার জন্য। তবে কখনো লিচুরটা আনা হয়নি।খুব ভালো লাগলো আপু। আশাকরি আমি ও এনে বাসায় করব। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
মাত্র তিনটি উপকরন ব্যবহার করে বানিয়ে নিলেন বেশ সুন্দর লিচুর জেলি। জেলির ইনগ্রেডিয়েন্টস, ফুড কালার এবং পানি দিয়ে এত সুন্দর করে যে লিচুর জেলি বানানো যায় সেটা জানা ছিল না। ভালো লাগলো লিচুর জেলির রেসিপি দেখে বেশ ভালো লাগলো। আর এত সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছন যে যে কেউ চেষ্টা করলে লিচুর জেলি বাসা তৈরি করে খেতে পারবে।
আমাদের এখানে এখন লিচুর ভরপুর সিজন চলছে।আর আপনাদের ওখানে লিচু এখন পাওয়া যাচ্ছে না। যাইহোক লিচু আমার কাছেও খেতে ভালো লাগে। কিন্তু কখনো লিচুর জেলি খাওয়া হয়নি। আপনার লিচুর জেলি একেবারে পারফেক্ট হয়েছে মনে হচ্ছে। কালারটা অসম্ভব সুন্দর এসেছে। দেখে লোভ লেগে যাচ্ছে।
লিচুর জেলির কালার টা দারুন ছিল। তাছাড়া আপনার মেয়ে লিচু খেতে পছন্দ করে আপনিও বাংলাদেশে থাকতে অনেক লিচুর জেলি তৈরি করে খেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। দেখে তো আমারও খেতে ইচ্ছে করছে।
লিচুর জেলি কি সুন্দর একটি ইউনিক রেসেপি দেখলাম ৷ এই গরমে এসব পানীয় জল খেতে ভালোই লাগবে ৷ প্রতিটি ধাপ দেখে ভালো লাগলো আপু ৷ অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এমন সুন্দর একটি ইউনিক লিচুর জেলি পানীয় জল বানিয়ে শেয়ার করার জন্য ৷
লিচু আমার অনেক পছন্দের। মাত্র৩ টি উপকরণ দিয়ে এত সুন্দর একটি লিচুর জেলি
আপনি বানালেন।এর আগে কখনো লিচুর জেলি বানিয়ে খাওয়া হয়নি। তবে আপনার লিচুর জেলি আমার কাছে অনেক ইউনিক মনে হয়েছে। আমি এই লিচুর জেলি বাসায় একদিন ট্রাই করবো। জেলির কালারটিও অনেক সুন্দর আসছে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এ ধরনের লিচুর জেলি তৈরি করে কখনো খাওয়া হয়নি আমার। তবে আপনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে লিচুর জেলি তৈরি করেছেন। লিচুর জেলির কালারটা দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগছে। নিশ্চয়ই আপনার তৈরি লিচুর জেলি খেতে খুবই মজদার ছিল।
লিচু আমারও খুব পছন্দ। এই সিজনে প্রায় প্রতিদিনই লিচু খাওয়া হচ্ছে। তবে লিচুর জেলি খাওয়া হয় না। ছোটবেলায় লিচুর জেলি অনেক খেয়েছি। যাইহোক আপনার তৈরি করা লিচুর জেলির কালারটা খুব সুন্দর হয়েছে। আপনার মেয়েরা নিশ্চয়ই খুব মজা করে খেয়েছে। এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।