দূর্গা পুজো ২০২৪ ( পর্ব ৩২ )

in আমার বাংলা ব্লগ7 days ago
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

আজকে আপনাদের সাথে দূর্গা পুজোর আরো কিছু আলোকচিত্র শেয়ার করে নেবো। দেখতে দেখতে প্রায় বনগাঁর দূর্গা পুজোর শেষের দিকে চলে এসেছি। এই পর্বে আপনাদের সাথে বনগাঁর একটি মেইন দূর্গা পুজোর অর্থাৎ সব থেকে যে পুজোটা মন কেড়েছিল, সেটার আলোকচিত্র তুলে ধরবো। তো এই পুজোটা ছিল "এগিয়ে চলো সংঘ" নামের একটি ক্লাব এর। এইবার তারা সবকিছুতে আকর্ষনীয়তায় ভরিয়ে দিয়েছিলো। এই এগিয়ে চলো সংঘটাতে বলতে গেলে প্রায় ১ কিলোমিটার অব্দি শুধু লাইটিং এর চমক থাকে। আর প্রত্যেকটা লাইটিং এর আলাদা আলাদা আকর্ষণীয়তা। অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের উপরে করা। একদম শুরুতে লাইটিং এর যে মেইন গেটটা ছিল, সেটাতে লাইটিং এর আকর্ষণীয়তা দেখুন, দেখলে শুধু লাইটিং মনে হবে না বরং যেন সত্যিকারের একটা গেটের মতো তৈরি করেছিল।

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

আসলে লাইটিং এর মাধ্যমে এতটাই মানানসই থাকে, যে বোঝা যায় না, এটি চমৎকার একটা দৃশ্য এইগুলো। কোনো লাইটিং এর মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণের দৃশ্য তুলে ধরেছিলো। কোনো লাইটিং এর মাধ্যমে আবার শিবের প্রতিচ্ছবি তৈরি করেছিল। এছাড়া সামনের দিকে আরো বড়ো বড়ো লাইটিং এর চমক ছিল, যেগুলো আপনারা দেখলেই অনুমান লাগাতে পারবেন। দৃশ্যগুলো অসাধারণ ছিল। আর সাধারণত প্যান্ডেলের ধারে কাছে যাওয়া অব্দি এতো এতো লাইটিং যে, এইগুলো দেখতে দেখতে সময় পার হয়ে যায়। আর লাইটিংগুলোর দিক থেকে মন আর চোখ দুটিই যেন সরতে চায় না, কারণ দৃশ্যগুলো এতো চমৎকার ছিল যেটা বলে বোঝানো যাবে না।

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

যাইহোক, এইভাবে অনেকগুলো লাইটিং এর দৃশ্য সামনে দেখতে দেখতে প্যান্ডেলের ধারে কাছে চলে গিয়েছিলাম। এটা একটা সম্পূর্ণ বড়ো মাঠে হয়ে থাকে আর এখানে অনেক মেলার মতো দোকানও বসে থাকে। তবে এতে প্রায় ১ ঘন্টার উপরে লেগে গিয়েছিলো। কারণ অতগুলো লাইটিং দেখে, তারপর আবার এসে বড়ো একটা লাইনে দাঁড়িয়ে দেখতে যাওয়া অনেক সময়ের ব্যাপার। প্রায় অনেক্ষন বাদে প্যান্ডেলের মুখোমুখি হয়েছিলাম, আর সত্যি বলতে প্যান্ডেল দেখে অবাক হয়ে গেছিলাম, মানে এতো সুন্দর লাগছিলো দেখে কি বলবো। এরা এইবার "বৃন্দাবনের প্রেম মন্দির" তৈরি করেছিল। এই প্যান্ডেলটি দেখে আর সত্যিকারের বৃন্দাবনের প্রেম মন্দির এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, যেন একদম ওখান থেকে তুলে নিয়ে এসেছে এমন মনে হচ্ছিলো।

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

পুরো বিষয়টা যেন একদম সেইভাবে তৈরি করেছিল। এখানের পুজোগুলো আসলে শুধু এই বছর না, প্রত্যেক বারই দারুন দারুন আকর্ষণীয়তা নিয়ে হাজির হয় । এই বছর যেমন একদম জাস্ট অসাধারণ ছিল। অসংখ্য লোকের ভিড় জমেছিলো এটার জন্য। প্যান্ডেল এর চারিদিকে লাইটিং এর দারুন কারুকার্য ছিল বলতে গেলে। এছাড়া প্যান্ডেলের পাশে অর্থাৎ একদম সম্মুখে বেশ ভালো জলের ফোয়ারা সবকিছু দিয়ে দারুন সাজিয়েছিল। এরপরে প্যান্ডেলের ভিতরে প্রবেশ করেছিলাম, প্যান্ডেলের ভিতরটাও অসাধারণ ডিজাইনের মাধ্যমে তুলে ধরেছিলো। আর চারিপাশে শুধু রাধা-কৃষ্ণের ছবির দৃশ্যের মাধ্যমে পুরো বিষয়টা সাজিয়েছিল।

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

Photo by @winkles

জাস্ট অসাধারণ ছিল একদম। কৃষ্ণের একদম বাল্যকালের দৃশ্য থেকে শুরু করে সবকিছুই এখানে তুলে ধরেছিলো দৃশ্যের মাধ্যমে। একদম বৃন্দাবনের প্রেম মন্দির মানেই কোনো কিছু ছাড়েনি, সব বিষয় তুলে ধরেছিলো, আপনারা সবগুলো দৃশ্য দেখলেই বুঝতে পারবেন। এরপর আসি মায়ের মূর্তির বিষয়ে, এটা আসলে নতুন করে তেমন কিছুই বলার নেই, কারণ সবগুলো পোস্টেই বলে থাকি। আসলে প্রতিমাগুলো অসাধারণ ছিল, কারুকার্যের মাধ্যমে শিল্পী বিষয়গুলো এতো সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলেন, যে সবকিছুই যেন বাস্তবের দৃশ্যের ন্যায়।


শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png



Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 6 days ago 

চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জার কারুকাজ, যেমন লাইটিং, তেমন রাজকীয় ডেকোরেশন, সব মিলিয়ে একদম অস্থির অবস্থা। দারুণ উপভোগ করলাম ছবিগুলো ভাই।

 6 days ago 

দুর্গা পূজোর ৩২ তম পর্ব টা অনেক বেশি সুন্দর ছিল দাদা । এ পর্বের মাধ্যমে দুর্গা পূজোর আরো অনেক সুন্দর প্যান্ডেলের আলোকচিত্র দেখতে পেলাম । যেগুলো ছিল এক কথায় চমৎকার। সবকিছু অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে দেখে ভালো লেগেছে। ফটোগ্রাফির মধ্যে দেখতে এতটা সুন্দর লাগছে, সরাসরি দেখতে তো আরো বেশি ভালো লেগেছিল নিশ্চয়ই। একেবারে চোখ ধাঁধানো ছিল সবকিছু। অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা, এই পর্ব টাও এত সুন্দর করে সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য।

 6 days ago 

"এগিয়ে চলো সংঘ" নামক ক্লাব তো দেখছি দূর্গা পূজা উপলক্ষে একেবারে চোখ ধাঁধানো আয়োজন করেছে। লাইটিং গুলো দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি। কতো চমৎকারভাবে লাইটিং এর মাধ্যমে গেইট সাজানো হয়েছে। এমন আয়োজন দেখতে তো সামনা-সামনি আরও বেশি ভালো লেগেছিল। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলো দারুণভাবে ক্যাপচার করেছেন দাদা। বেশ উপভোগ করলাম সম্পূর্ণ পোস্টটি। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।