||লাইফস্টাইল:-বন্ধুর সাথে সন্ধ্যায় হালকা নাস্তা খাওয়া||
"সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি" |
---|
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর ভাই ও বোনেরা, মুসলিম ভাই ও বোনদের জানাই আসসালামু আলাইকুম সনাতন ধর্মালম্বী ভাই ও বোনদের জানাই আদাব এবং অন্যান্য ধর্ম অবলম্বনকারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।প্রতি দিনের মত আজকেও আপনাদের মাঝে আরেকটি বিষয় নিয়ে উপস্থিত হলাম। আজকের বিষয় হচ্ছে লাইফস্টাইল:-বন্ধুর সাথে সন্ধ্যায় হালকা নাস্তা খাওয়া আমি সবসময় চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে নতুন কিছু পোস্ট নিয়ে আসার।তো আজকে যে বিষয় নিয়ে পোস্ট শেয়ার করব আপনারা হয়তো টাইটেল দেখেই বুঝতে পারছেন।তো রমজান মাসের বেশ কিছুদিন আগেই কিন্তু আমি এবং আমার বন্ধু, হালকা করে নাস্তা করেছিলাম সেই অনুভূতিটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।যদিও নাস্তাটি আমাদের হালকা,তবে বন্ধুর সঙ্গে যেকোনো জিনিস খাওয়া এটা অনেক আনন্দের বিষয়।যাইহোক দেরি না করে পোস্টটি শুরু করা যাক।
ঢাকা শহরে বা গ্রাম অঞ্চলে বিকেলের দিকে কিন্তু সব জায়গায় পুরি তৈরি করে।তবে আমার কাছে বিকেল বেলা এই ধরনের পুরি গুলো ভীষণ ভালো লাগে।তো আমি এবং আমার বন্ধু, দুজনেই কিন্তু আমরা সন্ধ্যার পরে বাইরে গেছিলাম একটু হাটাহাটি করার জন্য।আমরা কিন্তু রমজান মাসের আগে প্রায় দিনে বাইরে হাটাহাটি করতাম।যাইহোক এভাবে হাটাহাটি করতে করতে আমরা রাস্তার পাশে দেখলাম ছোট্ট একটি হোটেল।তো হোটেল টি দেখা পাওয়া মাত্রই আমি আমার বন্ধুকে বললাম ভাই কিছু নাস্তা করে আসি।কারণ সন্ধ্যার দিকে অনেক হাটাহাটি করছি এবং তার মধ্যে কিন্তু আমাদের অনেক খিদা লেগেছে।
ভাবলাম যে খিদা যেহুতু লেগেছ তাই আজকে হালকা পাতলা এই হোটেলেই আমরা নাস্তা করি।তো প্রথমে কিন্তু আমার বন্ধু বলল যে নাস্তা করব না একবারে বাসায় গিয়ে খাবো।তারপরও আমি তাকে জোর করে সেই হোটেলে নিয়ে গেলাম। তো সেখানে দেখতেছি বড়া,পুরি এবং সন্ধ্যার পরে কিন্তু তারা ভাত রান্না করে।যাইহোক সবকিছু দেখার পরে আমি পুরি খাওয়ার জন্য অর্ডার দিলাম। তো আমাদের দুজনকে দুটো দুটো করে পুরি দিয়ে গেলো।যাই হোক আমরা পুরি গুলো পাওয়ার সাথে ডাল ও সস ছিল সেগুলো দিয়ে খাওয়া শুরু করলাম।তো খাইতে খাইতে আমি কয়েকটি ছবি তুলে নিলাম।
তো খাওয়া শেষ করে যখন বিল দিতে গেলাম তখন আমাদের কাছ থেকে চারটি পুরি মাত্র বিশ টাকা নিলো।এবং আমি পরে হিসাব মিলাইতেছি কেন ২০ টাকা কাটলো।একটু পরে তার কাছে জিজ্ঞেস করলাম এবং সে বলল যে পুরি নাকি পাঁচ টাকা করে।আমি তো ভাবছিলাম দশ টাকা করে নিবে।এই জন্য আমি ৫০ টাকা দিছি ৪০ টাকা নিবে ১০ টাকা আমাকে ব্যাক করবে।যাইহোক পুরি গুলো কিন্তু অনেক সুন্দর সেইরকম,খেতেও আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে।তবে আমি এখানে অবাক হয়েছি এত ভালো ভাল পুরি বানিয়ে সে পাঁচ টাকা করে নিলো।কারন আমি তার পাশে দোকান, একটু দূরেই কিন্তু দশ টাকা করে পুরি খেয়েছি।যাইহোক আমি এবং আমার বন্ধু দুজনেই অনেক মজা করে খেয়েছি।
যাইহোক সবশেষে মজার বিষয় হলো, আমার বন্ধুও জানতো না যে ৫ টাকা করে পুরির দাম।যখন টাকা কেটে নেয় তখন কিন্তু আমি এবং আমার বন্ধু দুজনেই কিন্তু অবাক হয়ে গেছি।তবে বন্ধু বান্ধব মিলে কিছু খেলে সেটা সব সময় অনেক ভালো লাগে। আমার কাছের বন্ধু শুধু ও এক মাত্র। আরো বন্ধু বান্ধব রয়েছে তবে সে একটু বেশি স্পেশাল। যাইহোক আমাদের বন্ধুত্ব যেনো সব সময় সুন্দর রঙিন হয়ে থাকে এই দোয়া করবেন। তাহলে আজকের মতো এখানেই বিদায় নিলাম। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন।
ডিভাইস | Tecno camon 20 |
---|---|
ফটোগ্রাফার | @polash123 |
লোকেশন | দিনাজপুর |
![]() |
---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
![]() |
---|
আজকের ডেইলি টেস্ক প্রুফ।।
সন্ধ্যার সময় বাইরে গিয়ে হালকা নাস্তা করতে খুবই ভালো লাগে। মাঝে মাঝে আমিও সন্ধ্যের দিকে বাইরে যাই।বাইরে গেলে মনটাও যেন হালকা লাগে। আপনার পোস্ট টি পড়ে ভালো লাগলো ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু সব সময় সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ভাইয়া আজকে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে সন্ধ্যাকালীন মুহূর্তে হালকা নাস্তা করার অনুভূতিটা ব্যক্ত করে জানার সুযোগ করে দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে আপনার নাস্তা করার অনুভূতিটা জানতে পারলাম। বন্ধুদের সাথে একসাথে চলা খাওয়া দাওয়া করার মজাটাই আলাদা।
জি আপু বন্ধু বান্ধবের সাথে খাওয়া দাওয়ার মজাই আলাদা। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ঠিক বলেছেন ভাই বন্ধু দের সাথে ঘুরতে খাইতে অনেক মজা লাগে। আর এক জন হয় একটু বেশি স্পেশাল। আমার বন্ধু দের সাথে দেখা হয় না দুই মাস এর মতো।যাইহোক আপনার পোস্ট টি পড়ে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
আপনাকেও অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বন্ধুর সাথে সন্ধ্যাবেলায় হালকা নাস্তা করার মজাই আলাদা।ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই সম্পর্ককে আরও গভীর করে তোলে। পাঁচ টাকায় মজাদার পুরি পেয়ে অবাক হওয়া ও বন্ধুর সাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার অনুভূতি পড়ে দারুণ লাগলো। আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ ভাই এতো সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।