দুর্গাপূজা। পর্ব:- ১৪
কেমন আছেন " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই ? আশাকরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই খুব ভালো আছেন। আপনাদের আশীর্বাদে আমিও খুব ভালো আছি। আসলে আজ দুর্গাপূজার বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন ঘটনা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আশাকরি আপনাদের খুব ভালো লাগবে।
আসলে আমাদের কাছে বেশ ভালো লাগলো এই দুর্গা প্রতিমার পুজো উপলক্ষে থিমটি। অনেকের কাছে একটি ছোট হলেও আমার কাছে এটি বেশ ভালো লেগেছিল। যাই হোক আমরা আর সময় নষ্ট না করে পরবর্তী প্যান্ডেলে যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম। কেননা আমরা যদি এক জায়গায় বেশি সময় নষ্ট করি তাহলে কিন্তু আমরা পরবর্তীতে অন্যান্য প্যান্ডেল গুলো দেখার আর সময় পাবো না। যাই হোক আমরা এবার যে প্যান্ডেলটি এলাম সেখানে নাকি মানুষ খুব সুন্দর ভাবে একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। এখানে ভিতরে মানুষ অভিনয় করে পূজার বিভিন্ন দিকগুলো তারা তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। আসলে একটা মজার জিনিস হল আমরা যদি পরিচিত এলাকাতে পূজা দেখতে যাই তাহলে অনেক কিছু আমরা অল্প সময়ে দেখতে পারি।
কেননা আমাদের সাথে ছিল আমার একটা দিদি। যেহেতু এটি তার এলাকার সেহেতু সে এখানকার সকল অলিগলি চিনতে পারে এবং খুব সহজে আমরা একটা প্যান্ডেল থেকে অন্য প্যান্ডেলে দ্রুত চলে যেতে পারি। পরবর্তীতে আমরা দ্রুত চলে এলাম এই প্যান্ডেলে। এরপর যেহেতু অল্প জায়গা ছিল তাই সবাই মিলে আমরা একসাথে যেহেতু এই অনুষ্ঠানটি দেখতে পারবো না তাই ওখানকার প্রতিনিধিরা অল্প লোক ঢুকিয়ে সেখানে তাদের সামনে এই অনুষ্ঠানটি প্রদর্শন করা হচ্ছিল। যাইহোক আমরাও প্রায় কুড়ি মিনিটের মত লাইনে দাঁড়িয়ে রইলাম। কেননা এক একটা অনুষ্ঠান পরিচালনা হতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে। এরপর যখন অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যায় তখন একদল লোক বেরিয়ে আসে এবং অপর দল লোক আস্তে আস্তে ঢুকতে থাকে।
এরপরে তৃতীয়বারের সময় আমরা এই অনুষ্ঠানের ভেতরে ঢুকতে সফল হলাম। প্রত্যেকটি মানুষ সব সময় সৃজনশীল ভাবে পূজা মন্ডপ গুলোকে সাজানোর চেষ্টা করে এবং এখানে যেসব অনুষ্ঠান করা হয় তা অনেকটা পূজা কেন্দ্রিক হয়ে থাকে। তাই আমরা ভিতরে ঢুকে সর্বপ্রথম একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম যে ভিতরে যেহেতু কোন ফ্যাট না থাকায় এই ঠান্ডার সময়ও ভীষণ গরম লাগছিল। যাই হোক আমরা আর তাড়াহুড়ো না করে একদম আস্তে করে সামনের দিকে গিয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলাম। তো পরবর্তীতে বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে কিভাবে মেয়েদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং এই জিনিসটা ফুটিয়ে তোলার জন্য তারা খুব সুন্দর ভাবে অনুষ্ঠান এবং অভিনয় করে আমাদের মাঝে সেই শিক্ষা প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছিল।
আসলে বিষয়টি আমার বেশ ভালো লেগেছে। যাইহোক আমি আর দেরি না করে একটু সামনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলাম কেননা সামনে থেকে দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগছিল এবং আলো স্বল্পতার কারণে আমি ঠিকঠাকভাবে ফটো তুলতে পারছিলাম না। যাইহোক একটু চাপাচাপি করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম এবং সফলতা অর্জন করলাম। এরপর প্রায় আমরা অনেক সময় ধরে এই অনুষ্ঠানটি দেখতে লাগলাম। অসুর এবং মায়ের যুদ্ধের ফলে অসুর পরাজিত হলো এবং দেশের মাতৃ সমাজ অর্থাৎ দেশের মেয়েরা এই অসুরদের হাত থেকে বেঁচে গেল। তো পরবর্তীতে তাদের সেই বাণী এই ছিল যে দেশের প্রত্যেকটা মেয়েকে আমাদের মায়ের চোখে দেখতে হবে এবং সম্মান করতে হবে।
ক্যামেরা পরিচিতি : Motorola
ক্যামেরা মডেল : Motorola edge 50 pro
ক্যামেরা লেংথ : 5.89 mm
আশাকরি আজকের এই পোস্টটি আপনাদের খুব ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে কমেন্ট করতে অবশ্যই ভুলবেন না।
সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।