লাইফস্টাইল-:ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে বিকেল বেলা ঘুরাঘুরি করার মুহুর্ত।
♥️আসসালামুআলাইকুম♥️
আমি @bristy1, আমার বাংলা ব্লগ এর একজন সদস্য। আর আমার এই প্রিয় কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি৷সবার সুস্থতা কামনা করে আমার আজকের এই পোস্ট শুরু করলাম।
গত সপ্তাহে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম আমার ছোট ভাইয়ের জন্মদিন উপলক্ষে কিছু কেনাকাটা করা। তারপর সেখান থেকে চলে গেলাম ফেনীতে। ফেনীতে বেশ কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করেছিলাম। আজকে সেই মুহূর্তগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আসলে রেলওয়ে স্টেশনের জায়গাটা আমার খুবই পছন্দের একটা জায়গা। সেখানেই আমাদের বাসা ছিল। যখন আমরা ফেনীতে বাসায় থাকতাম তখন স্টেশনের পাশে একটা বাসায়ই থাকতাম। যদিও আমার বের হওয়া হতো না, ঘোরাঘুরি করা হতো না। কারণ সারাদিন পড়াশুনা এবং ক্লাস কোচিং এগুলোর মধ্যে দিয়েই সময় গুলো চলে গিয়েছিল।
তাই এখন যখন ফেনী যাই আর হাতে যদি সময় থাকে তখন চেষ্টা করি স্টেশনে কিছু মুহূর্ত ঘুরাঘুরি করে কাটিয়ে আসার জন্য। আর নিভৃত বেশ পছন্দ করে ট্রেন দেখতে। অনেকবারই ট্রেনে চড়েছে। আর ট্রেন দেখতে তার খুব বেশি ভালো লাগে। সে জন্যই ভাবলাম সেখানে বিকেলের মুহূর্তটা কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে নেয়া যাক। আমরা যেহেতু বাইকে করে যাচ্ছিলাম আর আমার ভাই আলাদাভাবে গিয়েছিল। যেতে যেতে পথে হঠাৎ করে একটা জায়গায় দেখলাম বেশ অনেক মানুষ জনের সমাগম। সেখানে ফাইবারে আগুন লেগেছিল। পুরো আকাশ কালো ধোয়ায় ছেয়ে গিয়েছিল। যদিও বাইক রাইড এর অবস্থায় ছবি তোলা হয়নি। তবে বেশ আতংকে ছিলাম সেখানে আগুন নেভানো হয়েছে কিনা। পরবর্তীতে আমরা যাওয়ার কিছুক্ষণ পর সেখানে আগুন নেভানো হয়েছিল।
আমরা সোজা চলে গেলাম স্টেশনে। সেখানে গিয়ে প্রথমেই কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে নিলাম। তারপর একটা দোকানে গেলাম চা খাওয়ার জন্য। আসলে সেখানে অনেক মানুষ বিকেলবেলা ঘুরাঘুরি করার জন্য আসে।আমরা যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আমার ভাইও পৌঁছেছে।যাইহোক সবাই চা খেতে খেতে একটা ট্রেন চলে আসলো। তাই নিভৃত তড়িঘড়ি করে বের হয়ে ট্রেন দেখছিলো।সেটা তখন স্টেশনে দাঁড়ায় নি।যাইহোক তারপর আমরা চলে গেলাম ফ্লাইওভারের উপরে।সেখানে গিয়ে অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছিলাম।
নিভৃত এদিক সেদিক দৌড়াদোড়ি করছিল। আমরাও সবাই কিছু ফটোগ্রাফি করে নিলাম।বাইরের পরিবেশটা উপভোগ করছিলাম।সূর্য তখন পশ্চিমাকাশে হেলে পড়েছে। আর এই মুহূর্তটা আমার ভীষণই ভালো লাগে। বিকেলে এই মুহূর্তে বাইরে হাটাহাটি করার মজাই আলাদা।সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতেই আরেকটা ট্রেন চলে আসলো।নিভৃত উপর থেকেই সেটা দেখছিলো।বেশ ভালো সময় সেখানে উপভোগ করেছে।এদিকে আমরা কিছু ফটোগ্রাফি করছিলাম। পরিবেশটা অন্যরকম সুন্দর ছিল সেদিন।
বিভিন্ন বয়সের মানুষ সেখানে ছিল। কেউ হাটাহাটি করছিলো আবার কেউ বসে ছিল ট্রেনের অপেক্ষায়। বাচ্চারাও খেলাধুলা করছিল স্টেশনের পাশে।আসলে বিকেল বেলা স্টেশনে অনেক মানুষ আসে। কেউ ঘুরতে আসে, কেউবা হাটাহাটি করতে।সাথে যাত্রীরা তো থাকেই।যাইহোক প্রায় ১ ঘন্টার কাছাকাছি সময় আমরা স্টেশনে ছিলাম।এরপর সেখান থেকে ফেরার পালা।ফেরার সময় আবার আমাদের এক আঙ্কেলের সাথে দেখা। তার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে চলে গেলাম কাচ্চি ডাইনের দিকে।
সেই মুহূর্তগুলো আবারো অন্য পোস্টে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |
---|
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
---|
পোস্টের বিবরণ
ধরন | লাইফস্টাইল |
---|---|
ফটোগ্রাফার | @bristy1 |
ডিভাইস | Samsung Galaxy M12 |
লোকেশন | ফেনী |
আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
.
..
https://x.com/bristy110/status/1900202994454634987
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
❤️🥰❤️
ফেনীর স্টেশনে কাটানো মুহূর্তগুলোর বর্ণনা পড়ে মনে হলো, যেন নিজেই সেখানে ঘুরে এলাম।স্টেশনের ব্যস্ততা, বিকেলের নরম আলো, ট্রেনের প্রতীক্ষা সবকিছু একসাথে যেন এক অন্যরকম অনুভূতি এনে দিল। বিশেষ করে নিভৃতের ট্রেন দেখার আগ্রহ আর ফ্লাইওভারের উপরের সেই বিকেল সত্যিই মনোমুগ্ধকর মনে হলো। এমন সুন্দর স্মৃতিগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
জি আপু সময়টা বেশ ভালোই কেটেছিল সেখানে।অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে আপনারা খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন। ব্রিজের উপর থেকে রেল স্টেশনের সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন। ফটোগ্রাফিতে সবাইকে দেখে ভালো লেগেছে। ঘোরাঘুরি শেষ করে কাচ্চি ডাইনে গিয়েছেন শুনে ভালো লাগলো। সেই মুহূর্তগুলো দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
জি আপু এই মুহূর্তটা আগামী পর্বে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ভালো লাগার মন্তব্য দেখে অনেক ধন্যবাদ।
ভাইয়া আপনারা সবাই একত্রিত হয়ে ফেনী রেলস্টেশনে উপস্থিত হয়েছেন দেখে ভালো লেগেছে আমার। স্টেশনটা দেখতে অনেক সুন্দর। আর বেশি ভালো লাগলো একত্রিতভাবে আপনারা তিনজন ব্লগার উপস্থিত হয়েছেন দেখে। ব্লগাররা একসাথে থাকলে পারে ভালোলাগা থাকে অনেক।
জি ভাইয়া স্টেশনটা খুবই সুন্দর। আর সেখানে সময় কাটাতেও অনেক বেশি ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে বিকেল বেলা ঘুরাঘুরি করার মুহুর্ত শেয়ার করেছেন।ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের বিকেলের সৌন্দর্য্য সত্যিই অতুলনীয়।আপনার তোলা ছবিগুলো সত্যিই অসাধারণ! বিশেষ করে বিকেলের আলোয় স্টেশনের দৃশ্য খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।আপনার পোস্ট দেখে আমারও ফেনী রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখার ইচ্ছা হলো। ধন্যবাদ আপু আপনাকে এতো সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
বিকেলের এই সূর্যের আলোতে অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
সেদিন বিকেলে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছিলাম। নিভৃত তো ট্রেন আসে না কেন সেই অপেক্ষায় তাকিয়ে রইল। যাইহোক অবশেষে ট্রেন আসলো সে দেখলো, তারপর মন ভরার পরে সেখান থেকে চলে এলাম। ধন্যবাদ সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সেই মুহূর্তগুলো মনে পড়লে খুবই ভালো লাগে।অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে ঘুরাঘুরি করার খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত শেয়ার করেছেন আপনি৷ খুব সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলাম আমরা৷ আর সেই বিকেল বেলা এত সুন্দর সময় অতিবাহিত করার মধ্যে যে ভালো লাগা কাজ করছিল আর যেভাবে সূর্য ধীরে ধীরে অস্ত যাচ্ছিল সেই মুহূর্ত দেখার মধ্যেও একটা আলাদা শান্তি কাজ করছিল৷ ধন্যবাদ আজকের এই সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য৷
গোধূলি বেলার সেই মুহূর্তগুলো অনেক বেশি ভালো লাগে। অসংখ্য ধন্যবাদ সেদিন ট্রিট দেওয়ার জন্য।