লাইফস্টাইল-:ছোট ভাইয়ের জন্মদিন উপলক্ষে কেনাকাটা।
♥️আসসালামুআলাইকুম♥️
আমি @bristy1, আমার বাংলা ব্লগ এর একজন সদস্য। আর আমার এই প্রিয় কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি৷সবার সুস্থতা কামনা করেই আজকের পোস্টটি শুরু করতে যাচ্ছি।
এইতো রমজান শুরুর আগের কথা। তার কিছুদিন আগে একদিন দুপুর বেলায় তিনটার দিকে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। মূলত কিছু রিপোর্ট দেখানোর জন্য গিয়েছিলাম। যেহেতু থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে তাই আগের রিপোর্টগুলো বাদ দিয়ে নতুন করে রিপোর্ট আনা হয়েছিল। আর সেই রিপোর্ট গুলো দেখানোর জন্যই মূলত ডাক্তারের কাছে যাওয়া। যাই হোক ডাক্তারের কাছে যখন গিয়েছি তখন বেশিক্ষণ লাগেনি। আমরা যাওয়ার পর একজন রোগী দেখেছিল। তারপর আমরা গিয়েছিলাম। আমরা গিয়ে রিপোর্ট দেখিয়ে ওষুধ চেঞ্জ করে তারপর আবার অফিসে চলে এলাম। আসলে সেদিন এক কাজে অনেক কাজ হয়ে গেলো। সেই মুহূর্তগুলোই আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে এসেছি।
অফিসে আসার পর আমার ছোট ভাই বলছিল যে আমাদের কে আজকে ট্রিট দিবে তাই ফেনীতে নিয়ে যাবে। যদিও আমার আবদার ছিল অনেক আগে থেকেই। কারণ আমি তার কাছে আবদার করেছিলাম যে আমাকে একদিন অবশ্যই কাচ্চি ডাইনে নিয়ে খাওয়াতে হবে। কারণ কাচ্চি আমার ভীষণ প্রিয়। বাড়িতে তৈরি করা অনেকটা ঝামেলার তাই বাইরে থেকে খেতে বেশি ভালো লাগে। যাইহোক প্রথমে আমার মোবাইলের জন্য একটা কাভার কিনে নিলাম সামনের দোকান থেকে। তারপর চলে গেলাম উপরে।
উপরে যাওয়ার কারণ ছিল আমার ছোট ভাইয়ের জন্য একটা শার্ট কিনবো। যেহেতু ও কলেজ থেকে ডিরেক্ট অফিসে এসেছে, তাই সে আর বাড়িতে যায়নি। যেহেতু বাড়িতে গিয়ে আসতে অনেকটা সময় লেগে যাবে তাই ভাবলাম ওকে যেহেতু কিছু গিফট করব তাই একটা শার্ট গিফট করে ফেলি। তাহলে এখান থেকে চেঞ্জ করেই আমরা চলে যেতে পারবো। যেই ভাবনায় সেই কাজ। অফিস যেহেতু নিচের তলায় আর জেন্স কালেকশনগুলো সবগুলোই তিনতলায় রয়েছে। তাই তিনতলায় চলে গেলাম সবাই মিলে।
আসলে নিভৃতের আব্বু বলেছিল আমরা দুজনে গিয়ে শার্ট কিনে ফেলতে। কিন্তু আমার ইচ্ছে করছিল না একা যেতে। সবাই মিলে গেলেই হয়তো বা ভালো লাগবে। আর চয়েজ করতে ভালো হবে। আর এমনিতেও আমি বিয়ের আগে থেকেই আমার ভাইবোনদের জামা কাপড় নিজেই পছন্দ করে দিতাম,আর ওদেরও পছন্দ হতো।তাই মোটামুটি একটা বিশ্বাস ছিল যে আমার পছন্দমত কিছু নিলে ওর পছন্দ হবে। প্রথমত আমরা আমাদের পরিচিত একটা শপে গেলাম। সেখানে গিয়ে প্রথম দিকেই কিছু শার্ট দেখলাম ।
আসলে কয়েকটা শার্ট দেখার মাঝখানে যেই শার্টটা ক্রয় করেছিলাম সেটাই পছন্দ হয়েছিল। তবু সেটা সাইডে রেখে আরো কিছু শার্ট দেখছিলাম যে আরো পছন্দ হয় কিনা। যদিও একটা শার্ট পছন্দ হয়েছিল কিন্তু সেটার সাইজ ছিল না। আর সেজন্যই মূলত সেই শার্টটা নেয়া হয়নি। পরবর্তীতে এই শার্টটা কেনা হয়েছে। এটা তাকে বেশি সুন্দর মানিয়েছে। আর সেখানে পরে ফেলতে বলেছি। কারণ যেহেতু আমরা বাইরে যাব আর কলেজ ড্রেস যদি নোংরা হয়ে যায় তাহলে তো সমস্যা। এজন্য কলেজ ড্রেস চেঞ্জ করে সে এই শার্টটা পড়ে নিল।
যাইহোক এই ছিল সেদিনের কেনাকাটা। তারপর আমরা আবার নিচে চলে এলাম। সেখান থেকে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। সেই পোস্টে না হয় আরেকদিন আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। আশা করি আজকের পর্ব টা আপনাদের ভালো লাগবে।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |
---|
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
---|
আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
❤️❤️
https://x.com/bristy110/status/1897876488323764321
বাহ! তবে তো সেদিন একইসাথে অনেকগুলো কাজ সারা হয়েছিলো- ডাক্তার দেখানো, মোবাইলের কভার কেনা, বিজয় ভাইয়ের জন্য শার্ট কেনা আবার কাচ্চি খাওয়া দাওয়া! দারুণ সময় কেটেছে বোঝাই যাচ্ছে। বিজয় ভাইকেও দারুণ মানিয়েছে নতুন শার্ট টিতে।
জি আপু শপিং করার পর সেখান থেকে স্টেশনে গিয়েছিলাম। বেশ কিছুক্ষণ সময় সেখানে কাটিয়েছি। তারপর কাচ্চি ডাইনে গিয়েছি। সেই মুহূর্তগুলো আপনাদের মাঝে সামনে শেয়ার করব।
খুব ভালো লাগলো আপু জন্মদিন উপলক্ষে ছোট ভাই বিজয়কে শার্ট গিফট দিলেন। আসলে ছোট ভাই বোনের কাছ থেকে গিফট পাবে এটা খুবই আনন্দের বিষয়। আপনার আজকের শেয়ার করা পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। পরিবারের সবার জন্য অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা রইলো।
জি আপু বড়দের কাছ থেকে ছোটরা গিফট পেলে অনেক বেশি আনন্দিত হয়।
বিজয় ভাইয়ার পোস্টে আপনাদের কাচ্চি ডাইনে ট্রিট দেওয়ার কথা পড়েছিলাম। জন্মদিন উপলক্ষে আপনারা খুব সুন্দর উপহার দিয়েছেন। শার্টটা আসলেই খুব সুন্দর ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে গিফট দেওয়ার মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জি আপু সে তো শেয়ার করেছে। তবে আমি বাকি পর্বগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।
ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে কেনাকাটা করতে গেলে তাঁর পছন্দের জিনিসগুলো আগে থেকে জেনে নিলে ভালো হয়। এতে করে আপনি এমন কিছু কিনতে পারবেন যা সে সত্যিই পছন্দ করবে এবং তাঁর দিনটি আরও বিশেষ করে তুলবে। আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক বেশি ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
জি ভাইয়া সেজন্যইতো ওকে নিয়ে গিয়েছি। যাতে করে সে পছন্দ করে কিনতে পারে।
আসলে বিষয়টি হুট হাট করেই ঘটে গেলো। স্বল্প সময়ে কেনাকাটা করা হলো।এদিকে ডাক্তার দেখানো বাকি সব মিলিয়ে সময় স্বল্পতা ও ছিলো।যাইহোক ট্রিট টা কিন্তু ভালো ছিলো।আশা করছি আগামী পর্বে ট্রিট এর বিষয়টি তুলে ধরবে।ধন্যবাদ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ট্রিটের কথা মনে পড়লেই তো খাবারের কথা মনে পড়ে যায় আবারও খেতে ইচ্ছে করে।
আপু আপনার ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে আপনি শার্ট গিফট করেছেন শুনে খুব ভালো লাগলো। আর জন্মদিনে কোন গিফট পেলে যে কেউ খুশি হয়। আর আপু ছোট ভাইবোন থাকলে তারা বড় ভাই বোনের কাছে এরকম গিফট আশা করে। এবং শার্ট পড়ে আপনার ভাইকে ভালই লাগলো দেখতে। ধন্যবাদ পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু। বড়দের কাছ থেকে ছোটরা গিফট পেলে অনেক বেশি খুশি হয়। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
উপহার দিতে কম বেশি সবারই ভালো লাগে। আর ছোট ভাই বোনদের জন্মদিনে তাদের কোন কিছু দিতে পারলে আরও বেশি ভালো লাগে।বিজয় ভাইকে জন্মদিনে বেশ সুন্দর একটা শার্ট উপহার দিয়েছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো। আর নতুন শার্ট এ ভাইয়েকেও বেশ সুন্দর লাগছে।
জি আপু শার্টটা আমাদের সবারই পছন্দ হয়েছে। আর তাকে বেশ সুন্দর মানিয়েছেও ধন্যবাদ আপনাকে।