বাইক ওয়াশ
আসসালামু আলাইকুম
আমি @sajjadsohan from 🇧🇩.
৫ই ফেব্রুয়ারি ,বুধবার ।
হ্যালো ইনক্রেটেবল ইন্ডিয়াবাসী। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভাল আছি, আজকে নিজের কিছু মনের কথায় লিখে দেয়ার চেষ্টা করব, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার চেষ্টা করব।
বাইক ওয়াশ
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন, আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। লাস্ট দুই তিন দিন ধরে একটু অসুস্থ এবং এ কয়েকদিনের মধ্যে আমার কিছু কাজের প্রেসারও ছিল। জীবনে চলার পথে নতুন কিছু পরিকল্পনা করছি, ইনশাল্লাহ যদি বাস্তবায়ন হয় সেটাও গল্প আকারে আপনাদের সাথে শেয়ার করা হবে। ফোনের গ্যালারি ঘাটতে ঘাটতে এক সপ্তাহ আগের বাইকের কিছু ছবি পেলাম।
যতো কয়েকদিন যাবত একটু ব্যস্ততম সময় কাটছে সে সাথে আবার হঠাৎ করি আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম সবমিলিয়ে আমার বাহিরের অ্যাক্টিভিটিস অনেকটাই কম ছিল। যাইহোক তাই কয়েকদিন আগের ঘটনায় আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করব। লাস্ট কয়েক দিন আমার বন্ধুবান্ধবরা বেশ ব্যস্ত ছিল তারা তাদের অফিস বিজনেস ইত্যাদি নিয়ে খুবই লেট করে এলাকায় আসতো।
আমার সার্কেলের মধ্যে অনেকগুলো বন্ধু আছে যারা সনাতন ধর্ম অবলম্বী, তারা পুজোর আগে থেকেই বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছে, আবার কয়েকজন ঢাকা ইউনিভার্সিটির জগন্নাথ হলে ওইখানে পুজোর যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলোর দায়িত্ব পেয়েছে। সব মিলিয়ে যাদের সাথে আমরা আড্ডা দিতাম সবাই ব্যস্ত।
যেহেতু ফ্রি আছি আর বাসায় থাকা হচ্ছে বেশি তাই ফোন কম্পিউটার ইত্যাদি সারাদিন ব্যবহার করলে খুব একটা ভালো লাগে না, তাই একা একাই বের হয়ে গেলাম। একা বের হতো খুব একটা বেশি ভালো লাগে না। যাইহোক বাইক কেনার পর একবারও এটাকে ওয়াশ করা হয়নি। চা খেতে খেতে মনে হল অনেকটাই ময়লা হয়েছে এবং ইঞ্জিন এর জায়গা গুলোতে কিছু ময়লা লেগে আছে যেগুলো পরিষ্কার করা সম্ভব না।
পাশেই আমাদের পরিচিত গ্যারেজ যেখানে আমরা ছোটখাটো কাজ করে থাকি, যদিও খানিকটা টাকার সংকট ছিল তবু ভাবলাম বাইক টাকে গোসল করে নিয়ে আসে। এখন যদিও গরম পড়ে গেছে তখন কিন্তু বেশ ঠান্ডা ছিল। যাই হোক চায়ের দোকান থেকে এক মিনিটের দূরত্বে সেই গ্যারেজটি ছিল, যদিও ওয়াশ করার দায়িত্বে থাকে ছোট্ট একটা ছেলে, সবার সাথে মোটামুটি ভালো একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে যদি আমি এখানে খুব বেশি একটা কাজ করায় নি, কিন্তু বন্ধুদের সাথে আসতে আসতে ভালো একটা সম্পর্ক।
যাওয়া পর সেই ছেলেটাকে বললাম ওয়াশ করতে, ছেলেটির নিজ দায়িত্বে খুব যত্ন সহকারে সুন্দরভাবে কাজটা করল, কাজ করার সময় ওর একটা ছবি তুললাম ছেলেটা লজ্জা পেল। এখানে যতবার গাড়ি নিয়ে আসি এই ছোট ছেলেটা একটা টেস্ট ড্রাইব দিতে চায়।
কখনোই না করি না, অবশ্য তারা কেমন কাজ করলো এটাও তারা দেখার জন্য একটা টেস্ট ড্রাইভ দেয়। প্রতিবারই সে টেস্ট ড্রাইব দিয়ে এসে আমাকে বলে ভাই ইঞ্জিনটা সেই, যাই হোক এই ছোট ছেলের সাথে মাঝে মাঝেই অনেক মজা করি, তারপর তাকে কিছু টাকা বুঝিয়ে দিলাম, মাঘ মাসের শীতের মধ্যে বাইকের গোসল হয়ে গেল। যে যাই বলুক ফোম ওয়াশ দেয়ার পর সকল গাড়িই দেখতে সুন্দর লাগে।
আপনার লেখা পড়ে বুঝতে পারলাম ভাই শুধু একটা বাহন নয় এর সঙ্গে অনেক তৃতীয় আবেগ জড়িয়ে থাকে। বাইক ওয়াশের অভিজ্ঞতা গ্যারেজের ছোট ছেলেটির আন্তরিকতা এসব ছোট ছোট মুহূর্ত জীবনের বিশেষ হয়ে ওঠে।
বন্ধুদের ব্যস্ততার কারণে একা হয়ে পড়লেও নিজের মতো করে সময় কাটানোর এই প্রচেষ্টাটা বেশ ভালো লেগেছে। জীবনে ছোট ছোট আনন্দ গুলোই আসলে সবচেয়ে মূল্যবান। আপনার সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত চমৎকার একটি মন্তব্য করার জন্য এবং আমার পোস্ট সম্পূর্ণ পড়ার জন্য।
বাইক ওয়াশের অভিজ্ঞতা আপনার জীবনের এক অমূল্য মুহূর্তকে তুলে ধরেছে। এই ছোট ছোট কাজের মধ্যে যে আন্তরিকতা এবং সম্পর্ক তৈরি হয়, তা সত্যিই অসাধারণ। আপনার গল্প পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো কীভাবে সাদামাটা, সাধারণ কাজের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে, তা আপনার পোষ্টের মাঝে আপনি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে উঠিয়েছেন। আপনার পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
আসলে ব্যস্ততার কারণে আমাদের অনেক কাজ সঠিক সময় করা হয়ে ওঠে না আপনার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে হাজার চেষ্টা করেও নিজের বাইক সঠিক সময়ে ওয়াশ করতে পারেননি কিন্তু আপনি একটা সময় নির্বাচন করেছেন যে সময়টাতে আপনি আপনার বাইক ওয়াশ করে নিয়েছেন। ওদেরকে একটা টেস্ট করতে হয় যেটা আপনার বাইক দিয়ে করেছিল তবে ছেলেটার মুখের হাসি সত্যিই অসাধারণ ছিল অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে লাইক ওয়াশ করার মুহূর্তটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ভালো থাকবেন।