অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা থেকে রেহাই।
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ৬ ই ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, ২০২৫ খ্রিঃ।
আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
কভার ফটো
আমি আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি প্রতিনিয়ত আমার বাংলা ব্লগে নতুন নতুন পোস্ট শেয়ার করতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। আমি বেশ কয়েকদিন হল গ্রামের বাড়িতে এসেছি এখানে এসে অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করছি। এবারে বাড়িতে এসে ভীষণ ব্যস্ততার মাঝে সময় পার করছি। তবে সব সময় ফ্রি থাকার থেকে ব্যস্ত থাকতে আমার কাছে একটু বেশি ভালো লাগে। যত বেশি ব্যস্ত থাকা যায় তত বেশি শরীরও মন চঞ্চল থাকে। আজকে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেয়েছি। আমি এখন সেই গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক।
আমি বাড়িতে আসলে বাইক নিয়ে সব থেকে বেশি এদিক সেদিকে ঘুরে বেড়ায়। কারণ ঘুরে বেড়াতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। প্রতিদিন সকাল বিকাল করে বাজারে যাওয়া একটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। আর বাজারে গিয়ে সবাই মিলে বসে একসাথে আড্ডা দেওয়া লাল চা খাওয়া এটা ভীষণ ভালো লাগে আমার কাছে। গত দুই-তিন দিন হল হঠাৎ করেই ঠান্ডা, জ্বর, গলা ব্যথা এগুলোতে ভুগছি।
হঠাৎ করেই এমন অসুস্থ হয়ে যাব কখনো ভাবতে পারিনি। কারন শেষের দিকে এসেই নিজের কিছু অসচেতনতার কারণে এমনটা হয়েছে। কারণ গত ২-৩ দিন ধরে শীতের পোশাক তেমন একটা না পড়েই বাইক চালাতাম আর এ কারণেই এই সমস্যাটা হয়েছে। অসুস্থ হওয়ার পর গত দুইদিন ফার্মেসি থেকে ওষুধ খেয়ে একটু কমেছে। আজকে সকালের খাবার খেয়ে ওষুধ খাইতে গিয়ে দেখি ওষুধ শেষ হয়ে গেছে।
এখনো পুরোপুরি সুস্থ হতে পারিনি তাই ওষুধ তো খেতেই হবে। তারপর আমার এক বন্ধুকে নিয়ে বাইকে করে ওষুধ কেনার জন্য গ্রামের পাশের বাজারের ফার্মেসিতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ করেই ৭-৮ বছরের একটা বাচ্চা বাইসাইকেলের বেল বাজানো বাদেই রাস্তার মাঝখানে চলে আসে। আর আমরাও রাস্তার মাঝ দিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলাম। কোন মত পাশ কাটিয়ে এক্সিডেন্টের হাত থেকে বাঁচলাম।
তারপর সাথে সাথেই বাচ্চাটার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলাম সে অনেক ভয় পেয়েছে। আমাদের বাইকের গতি ছিল তখন ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার পার ঘন্টা। রাস্তার পাশে বাড়ি থাকার কারণে এ রাস্তা দিয়ে সাধারণত এমন গতিতেই যাতায়াত করে থাকি। আজকে যদি বাইকের গতি একটু বেশি থাকত তাহলে হয়তো অনেক বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতে।
আপনারা যারা বাইক ড্রাইভ করেন তারা একটু দেখেশুনে বাইক ড্রাইভ করবেন। বাইকের গতি যত কম রাখা যাবে এক্সিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা তত কম থাকে। আর সব সময় যে নিজের ভুলের জন্য এক্সিডেন্ট হয় এমনটা না, অপরের ভুলের জন্য যাতে এক্সিডেন্ট না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। যাইহোক সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আজকে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেয়েছি।
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
আমি কে !
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিভিল টেকনোলজিতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, গান গাইতে ও শুনতে, কবিতা লিখতে ও পড়তে, আর্ট করতে, রান্না করতে ও ফটোগ্রাফি করতে খুবই পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব "আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন। এই স্বল্প মানব জীবনের প্রতিটা ক্ষণ আমার কাছে উপভোগ্য। আমি মনে করি, ধৈর্যই সফলতার চাবিকাঠি।
@aongkon


আমি বলি কি ভাইয়া, জীবনটা সব সময় আগে। মোটরসাইকেল জোরে রান করার কোন প্রয়োজন নেই। আর যেখানে মানুষসহ বিভিন্ন পশু প্রাণীর উপস্থিতি থাকবে সেখানে তো অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
হ্যাঁ ভাই জীবনটা হচ্ছে সবার আগে। আর এই কারণেই জীবনের মূল্য সব থেকে বেশি। বাইক চালানোর সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। অনেক সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।