প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা।
কেমন আছেন বন্ধুরা? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছি।
আমার আজকের পোষ্টে সবাইকে স্বাগতম।আজ ভাবলাম আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করা যাক। কিন্তু কি নিয়ে লিখব এটাই ভেবে পাচ্ছিলাম না। অবশেষে মাথায় আসলো শীত নিয়ে কোন কিছু লেখালিখি করি।বর্তমানে শীত শীত অনুভব হচ্ছে তাই প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা নিয়েই আমার আজকের পোস্ট। আশা করি আমার আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে।
হেমন্তকে বিদায় জানিয়ে কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে প্রকৃতিতে আগমনী বার্তা জানান দিয়েছে রূপবৈচিত্রের ঋতু শীত।শীতকাল আমার বরাবরই খুবই পছন্দের। আমি বর্তমানে গ্রামে বেড়াতে এসেছি। গ্রামে কিন্তু ইতিমধ্যে শীতের আগমন ঘটে গিয়েছে। গ্রামাঞ্চলে একটু একটু ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে। মাঝে মাঝে আবার হিমেল হাওয়াও বইছে। সকালে বাইরে অনেকটা কুয়াশাও পড়ছে। গ্রামে এসে এই পরিবেশটা খুবই ভালো লাগছে আমার কাছে।বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ষড়ঋতুর এই দেশে প্রত্যেক ঋতু তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে আগমন হয়। পৌষ ও মাঘ মাস শীতকাল হলেও অগ্রহায়ণ মাস থেকেই শীতের সূচনা শুরু হতে থাকে।শীতকালে আমাদের এই দেশে বাহারি সব ফুল ফুটে প্রকৃতিকে আরও বেশি সৌন্দর্যে ভরিয়ে তোলে।
শীতকালে বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি খেঁজুর গাছের মিষ্টি রস, নানান পিঠাসহ হরেক রকমের সুস্বাদু খাবার অন্য কোন ঋতুতে দেখা যায় না। আমার কাছে তো সব থেকে বেশি ভালো লাগে হলুদ সরিষা ক্ষেত। হলুদ সরিষা ক্ষেত দেখলেই মনের মধ্যে খুব শান্তি লাগে।গ্রামে যেভাবে শীতের মজা অনুভব করা যায় শহরে কিন্তু সেভাবে শীতের মজা অনুভব করা যায় না। কয়েকদিন পরেই এত সুন্দর প্রকৃতি ছেড়ে আবার ব্যস্ত নগরী ঢাকাতে চলে যেতে হবে। খুবই মিস করবো এই গ্রামের শীতের প্রকৃতিকে।
আপনাদের কাছে আমার আজকে লেখাটি কেমন লাগলো সেটা অবশ্যই মন্তব্যে জানাবেন। আর পোস্টটিতে যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আজ এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আবার আসবো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে ইন-শা আল্লাহ ।
আসসালামু আলাইকুম। আমি নীলিমা আক্তার ঐশী। জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি অনার্স ৪র্থ বর্ষের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্রী। আর্ট করা,ঘুরতে যাওয়া এবং রান্না আমার খুবই প্রিয়। প্রিয়জনদের পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়াতে এবং তাদের প্রশংসা শুনতে আমার খুবই ভালো লাগে। নতুন নতুন রেসিপি শেখার আমার খুব আগ্রহ রয়েছে। আমি ২০২৩ সালের জুন মাসে স্টিমিটে জয়েন হয়েছি।আমি বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে জয়েন হয়েছি সবার সাথে বিভিন্ন রেসিপি এবং আর্ট শেয়ার করার জন্য এবং সেই সাথে অন্য সবার থেকে দারুন দারুন সব ক্রিয়েটিভিটি শিখতে। বাংলা ব্লগ কমিউনিটি একটি পরিবারের মত আর এই পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অনেক খুশি।
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

সত্যি কিন্তু চারদিকে এখন শুধু শীতের আগমনী বার্তা। আর গ্রামে তো বেশ আনন্দে কাটানো যায় শীতের এই সময়টা। পিঠা, পায়েস সহ আরও কত কি শীতের মধ্যে গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে তৈরি করা হয়। বেশ সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।
শীতকাল আমার খুবই পছন্দ। তাই শীতকাল নিয়ে কিছু কথা গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি আপু।
প্রকৃতি বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্নভাবে সেজে ওঠে। প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমনটা উপভোগ করতে ভালো লাগে বিভিন্ন ধরনের খাবার সেগুলো আমরা উপভোগ করে থাকি। সেই শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে দারুন কিছু কথা আমাদের মাঝে তুলে ধরলেন যেগুলোর সাথে অতি পরিচিত।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া,, মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আবারো যেন বছর ঘুরে শীতের আগমন আর ঠান্ডা আবহাওয়া। সক্কাল ভরে বেশি অনুভব করছি। পাশাপাশি বেশ কুয়াশা পড়া শুরু হয়ে গেছে। কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি শিশির পড়া শুরু হয়েছে, সব মিলিয়ে নতুন আবহাওয়া বেশ ভালো লাগছে।
জ্বী ভাইয়া,,, শীতকালের এই নতুন আবহাওয়া টা আমার কাছেও বেশ ভালো লাগছে। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
আপু ঠিক বলেছেন গ্রামে শীতের অনুভূতিটা খুব সুন্দর করে অনুভব করা যায়। আমার এই শহরে তেমন অনুভব এখনো পাইনি।শীতের দিনের মজাই অন্য রকম। প্রকৃতির সাথে সাথে খাবার দাবারের ও ধুম পরে যায়।অনেক সুন্দর ভাবে গুছিয়ে পোস্টটি শেয়ার করলেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে শীতের আগমনী বার্তা সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য।
শহরের তুলনায় গ্রামের শীতকালের অনুভূতিটা আসলেই অন্যরকম মজার হয়।
গ্রামে তো তাহলে খুব সুন্দর সময় কাটালেন। তবে শীতের অনুভব টা গ্রামের মধ্যে বেশ সুন্দর দেখা যাচ্ছে। কিন্তু শহরে তো এখনো বেশ গরম পরিবেশ। শহরে এত বেশি শীতের আগমন বোঝা যায় না। তবে শীতকাল আমার খুব প্রিয় একটিু ঋতু। অনেক ভালো লেগেছে শীত কালকে নিয়ে আপনি খুব সুন্দর অনুভূতি লিখলেন।
গ্রামের শীতকালীন এই সুন্দর পরিবেশ রেখে এখন আর শহরে যাইতে মন চাচ্ছে না আপু।
দুদিন আগেই গ্রামে গিয়েছিলাম সেখানে গিয়ে আমিও বুঝতে পারছিলাম যে শীতের আগমন ঘটছে। সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পরেই কুয়াশা দেখছিলাম। এবং হালকা শীতও অনুভব করছিলাম।শীতকাল আমার পছন্দের ঋতু। তাই শীতের আগমনে আমি খুশি।
জি আপু, ঠিক বলেছেন। এখন সকালে অনেকটাই শীত অনুভব হয় এবং কুয়াশাও দেখা যায় বাইরে। আপনার মত আমারও শীতকাল অনেক পছন্দের একটি ঋতু।