হরিদ্বার ঘাটে
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।কিছুদিন আগে আমি আপনাদের সাথে ট্রেনে যাওয়ার কিছু মুহূর্ত তুলে ধরেছিলাম ।আজ আমি আপনাদের সাথে হরিদ্বারে পৌঁছে সেখানে কি কি করলাম তার কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
৩৬ ঘন্টা ট্রেন জার্নির পর সকাল ৯ টায় হরিদ্দার স্টেশনে নামলাম। সেখান থেকে আমরা মোটামুটি কুড়ি মিনিটের দূরত্বে হোটেলে এসে পৌঁছালাম। এতক্ষন জার্নির পর শরীর আর দিচ্ছিল না, মনে হচ্ছিল একটুখানি ঘুমাই। কিন্তু সেটা না করে আমরা আবার ব্রেকফাস্ট করার জন্য বেরিয়ে গেলাম তারপর ওখান থেকে চা আর কুলচা খেলাম । এখানে খাবারের টেস্ট কিন্তু একদম অন্যরকম। খাওয়া-দাওয়া করে তারপর ভাবলাম যে হরিদ্দার গঙ্গার ঘাটে যাবো এবং সেখানে স্নান করবো। এই ঘাট হর কি পৌরি ঘাট নামে পরিচিত।
অনেকে বলে হরিদ্বারের গঙ্গা স্নান করা খুব ভালো। আসলে এখানকার জল ডাইরেক্ট গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে আসা তাই জন্য এই গঙ্গার জল কাঁচের মতো পরিষ্কার। এবং অনেকের মুখে শোনা যায় এই জলে স্নান করলে অনেক পূণ্য অর্জন হয় ।যাই হোক নানা লোকেরা নানা মত ।
এই ঘাটে গঙ্গা আরতি ভীষণ সুন্দর হয় এবং এখানে কয়েক লাখ লোক এই গঙ্গা আরতি দেখার জন্য ভিড় করে। আর এই হরিদ্বারের ঘাট এত বড় যেটা না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। যাইহোক সেই গঙ্গা আরতি আমি বিকেল বেলায় দেখেছিলাম। সেটা আমি পরে আপনাদের সাথে পরে ভাগ করে নেব।
তার সাথে একটা কথা না বললেই নয় হরিদ্বারের মার্কেট মানে কেনাকাটার জন্য যে মার্কেট রয়েছে সেই মার্কেট ভীষণ সুন্দর এবং অনেক রকম জিনিস পাওয়া যায় । যেমন এখানে শীতকালের সোয়েটার খুব ভালো মানের পাওয়া যায়। এখানে লোকেরা মার্কেটিং করলে শীতের জিনিসই বেশি কেনে ।আর তার সাথে অন্যান্য জিনিসও খুব ভালো পাওয়া যায়। কিন্তু শীতের পোশাকের জন্য এই মার্কেট মার্কেটের খুব নাম রয়েছে। এভাবেই হরিদ্বারে স্টেশনে নামার পর সকালবেলাটা কাটিয়েছিলাম। বিকেলবেলা আবার এই মার্কেটে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম সেটা আমি আপনাদের সাথে পর্বে ভাগ করে নেবো ।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

আসলে আপু আমিও শুনেছিলাম যে ওখানে গোসল করলে সকল পাপ ধুয়ে যায় এবং তার জীবন পুণ্যে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে গঙ্গা আরতি দেখার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষের আগমনের কথাটা জেনে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। সত্যিই মানুষ দিন দিন বেশ ধর্মীয় অনুরাগী হয়ে উঠছে। আর এটা অবশ্যই আমাদের সকলের জন্য ভালো একটা দিক। যাহোক খুবই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দিদি আপনার এই পোষ্টের অপেক্ষায় ছিলাম।হরিদ্বার ঘাটের ছবিগুলো দেখে মন ভরে গেল।আসলে পবিত্র স্থানগুলো দেখেই মনে আলাদা তৃপ্তি পাওয়া যায়।অনেক বড় জার্নি করে গিয়েছিলেন আপনারা।এটা খুবই কষ্টকর ব্যাপার,যাইহোক তারপর ও আপনারা ভালোভাবে পৌঁছে গিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো।অনেক মানুষের ভিড় ও জলের মধ্যে মন্দিরগুলো খুবই আকর্ষণীয়।পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম,ছবিগুলো ভালো ছিল। ধন্যবাদ দিদি।
দিদি ভাই, সম্ভবত আমি হরিদ্বার ঘাটে মানুষের গোসল করার ভিডিও ইউটিউবে দেখেছিলাম। সেখানে ঘাটের সিঁড়িতে সবাই দাঁড়িয়ে বা বসে থেকে রেলিংয়ের চেইন ধরে গোসল করে। আর ঐ নদীর পানি আসলেই বেশ স্বচ্ছ ও স্রোত যুক্ত। অপেক্ষায় থাকলাম গঙ্গা আরতি দেখা আর হরিদ্বার মার্কেটের কেনাকাটার মুহূর্ত পর্বের জন্য।
শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য 🙏