সিঙ্গাপুর থেকে বাড়ি ফেরার সময়
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৫-০৪-২০২৫)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি সিঙ্গাপুর থেকে বাড়ি ফেরার সময়। আজকে সকাল বেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। আপনারা সকলেই জানেন আমি বেশ কিছুদিন ধরেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থান করছি। আসলে গত কয়েকদিন আগে আমার আপুর তিনটা সন্তান হয়েছে আসলে সন্তানসহ আমার আপু কয়েকদিন খুবই অসুস্থতায় ছিল এখন পর্যন্ত আমরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছি এখান থেকেই এত ব্যস্ততার মাঝেও চেষ্টা করছে আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত যুক্ত থেকে নিজের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য। আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে ওঠার পরে হাতমুখ ধুয়ে এসে আমি নিজে বাইরে থেকে খেয়ে এসেছি এবং আমার পরিবারের প্রায় পাঁচজন সদস্য হাসপাতলে আছে তাদের জন্য আমি খাবার কিনে নিয়ে এসেছিলাম। আজকে প্রাই দশ দিন হলো আমরা হাসপাতলে আছি আসলে হাসপাতালে থাকা অনেক ব্যয়বহুল খরচ এবং অনেক কষ্ট। তারপরে বেশ কিছু ঔষধ কিনতে দিয়েছিল ঔষধ গুলো কিনে নিয়ে আসার পরে ঔষধ গুলো আমি নার্সের কাছে দিয়েছিলাম তারপরে এভাবে সারাদিন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ততায় দিন পার করলাম। তারপরে বসে গেলাম আপনাদের মাঝে পোস্ট লেখার জন্য তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক..........
আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আপনাদের মাঝে বেশ কয়েকটি চমৎকার ছবি তুলে ধরেছি। আমাকে আমাদের কোম্পানির গাড়িতে এয়ারপোর্টে রাখতে এসেছিল আমাকে এয়ারপোর্টে রাখার সময় এয়ারপোর্টের বাইরে ছেড়ে দিয়েছিল। তখন আমি এয়ারপোর্টের মধ্যে প্রবেশ করেছিলাম সেই মুহূর্তে ছবি একটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আমার ফ্লাইট ছিল ভোর ছয়টার দিকে কিন্তু রাত বারোটার পরে আমি এয়ারপোর্টে চলে এসেছিলাম। সেখানে এসে এয়ারপোর্টের মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করেছিলাম তারপরে আমি আমার লাগেজ গুলো বুকিং দিয়েছিলাম। লাগেজগুলো বুকিং দেওয়ার পরে ইমিগ্রেশন শেষ করে আমি এয়ারপোর্ট এর মধ্যে আমাদের প্লেন যেখানে অবস্থান করছিল সেই গেটের সামনে এসে বসেছিলাম। সেখানে আসার পথে সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্ট এর সৌন্দর্য আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছিল। আসলে সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্ট এর মধ্যে কৃত্রিমভাবে প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করা আছে সেগুলো দেখতে সত্যিই বেশ মনোমুদ্ধকর। পাহাড়ি ঝর্ণা থেকে শুরু করে গাছপালা এবং মাছর একুরিয়াম আসলে আমরা ফ্লোরে যেখানে হাঁটছি সেখানেও গ্লাস দিয়ে তৈরি পায়ের তলে মাছ ঘুরে বেড়াচ্ছে সেগুলো দেখতে বেশ ভালো লাগছিল। সব মিলিয়ে যেদিন আমি সিঙ্গাপুর থেকে বাড়ি ফিরেছিলাম সেদিন দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছিলাম সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্ট।
আমি যখন সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্ট এর মধ্যে প্রবেশ করলাম তখন আমার পাসপোর্ট স্ক্যানিং করে প্রবেশ করলাম। আসলে সেখানে ইমিগ্রেশন এর কোন ঝামেলা নেই বললেই চলে কিন্তু অন্যান্য দেশের এয়ারপোর্ট গুলোতে সব সময় ইমিগ্রেশনে ঝামেলা করে। আমি তখন আমার হাতে থাকা প্লেনের ফ্লাইট নম্বর দেখতে থাকলাম আসলে তখনও প্রায় রাত চারটা বাজে তখনো আমাদের ফ্লাইট নম্বর মনিটরে দেখাচ্ছিল না। তারপরে সেখানে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করার ভোর পাঁচটার দিকে আমাদের ফ্লাইট নম্বর মনিটরে দেখাচ্ছিল। তখন আমি আমার হাতে থাকা প্লেনের টিকিট দেখে ফ্লাইট নম্বর দেখে সেখানে গিয়ে অবস্থান করছিলাম। আসলে সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্ট অনেক বড় তাই এর মধ্যে আপনাকে সহযোগিতা করার জন্য সেখানে বিভিন্ন ধরনের মানুষ রয়েছে সবাই আপনাকে সহযোগিতা করবে আমি আশা করি আপনারা যদি কোন সময় কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। আমাদের প্লেন অবস্থান করছিল F56 নম্বর গেট। তখন আমি প্রায় এয়ারপোর্টের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পায়ে হাঁটার পরে আমাদের ফ্লাইটের গেটে গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলাম।
এবার আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আবারো সুন্দরভাবে আপনাদের মাঝে দুটি ছবি চমৎকারভাবে তুলে ধরেছি। প্লেনে ওঠার কিছু সময় আগে আমাদের হাতে থাকা জিনিস গুলো চেক করা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখে অনেক বড় একটি লাইন সবাই দাঁড়িয়ে আছে আমিও সেখানে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে পড়লাম। বেশ কিছু সময় পরে আমার সিরিয়াল চলে আসলো সেখান থেকে আমিও আমার জিনিসগুলো স্ক্যানিং মেশিন এর মধ্যে দিয়ে সামনের দিকে চলে এসে সেগুলো নিয়ে আবারো প্লেনে উঠে পড়লাম। আসলে প্লেনে উঠে পড়ার পরে আমি সেখানে খুবই চমৎকারভাবে আমি আমার মোবাইল দিয়ে প্লেনের মধ্যে একটি ছবি তুলেছিলাম। আসলে আমার ফ্লাইট ছিল সিঙ্গাপুর টু চেন্নাই পরবর্তীতে আবারও চেন্নাইতে কিছু সময় ট্রানজিট দেওয়ার পরে বাংলাদেশে অবতরণ করেছিল। আসলে এই সময়গুলোতে আমি কিন্তু আমার মোবাইলে নেটওয়ার্ক পেয়েছিলাম শুধুমাত্র আমার কাছে সিঙ্গাপুরের ইন্টারন্যাশনাল সিম্বা সিম ছিল। আসলে আমি সিঙ্গাপুরের সিম বাংলাদেশের এসে নেটওয়ার্ক ইউজ করতে পেরেছিলাম এটা সত্যিই বেশ দারুন ব্যাপার ছিল আমার কাছে।
আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে এবার দেখতে পারবেন আমি আবারো খুবই সুন্দর ভাবে দুইটি ছবি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। প্লেন যখন উপরে ওঠা শুরু করেছিল কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্ল্যান অনেক উপরে উঠে পড়েছিল তখন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আমার মোবাইল ফোন দিয়ে প্লেনের জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্যের ছবি তুলে রেখেছিলাম আপনারা লক্ষ্য করে দেখতে পারবেন। আসলে আমি প্লেনের মধ্যে জানালার পাশে বসে ছিলাম সেখান থেকে বেশ চমৎকার কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম। আসলে আমি জালানা দিয়ে যখন বাইরে দেখাচ্ছিলাম তখন বেশ ভয় লাগছে। আসলে প্লেন যখন অনেক উপরে উঠে তখন শুধুমাত্র নদী পথ ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না। নিচের দিকে তাকালে মনে হয় শুধু নদী আর নদী পানি আর পানি আর কিছুই নেই। এভাবেই প্রায় ছয় ঘন্টা পথ পাড়ি দেওয়ার পরে চেন্নাই এসে পৌঁছেছিলাম চেন্নাই থেকে আবারও প্রায় ২ ঘণ্টা ১০ মিনিট পথ পাড়ি দেওয়ার পরে বাংলাদেশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছিলাম। মোটামুটি সব মিলিয়ে আমার প্রায় দুই দিন লেগে গিয়েছিল বাড়ি পৌঁছাতে। এত কষ্টের পরেও বাড়ি পৌঁছাতে পেরে সত্যি বেশ নিজের মধ্যেই ভালো লাগা কাজ করছিল। আশা করি আজকের লেখা পোস্ট আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে সকলকে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা এবং ফটোগ্রাফি ধারণ করা। আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু করেছি ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ০১ তারিখে । স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো অনেক দূরে এগিয়ে যেতে চাই এটাই আমার লক্ষ্য। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness

OR
x-promotion
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/kibreay001/status/1908496379582046321?t=DsOGPij8wK03AyGyZk9Tjw&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1908496593013399942?t=DsOGPij8wK03AyGyZk9Tjw&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1908497055229591900?t=DsOGPij8wK03AyGyZk9Tjw&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1908497338353811835?t=DsOGPij8wK03AyGyZk9Tjw&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1908500431447466148?t=DsOGPij8wK03AyGyZk9Tjw&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1908447374625968137?t=AvEtDIsEjx2OH4FA8J3CsA&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1908449224720875872?t=AvEtDIsEjx2OH4FA8J3CsA&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1908450548640100860?t=AvEtDIsEjx2OH4FA8J3CsA&s=19
বিমানে উঠে যে ফটোগ্রাফি গুলো ক্যাপচার করেছেন, সে গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। আমি তো কখন বিমানে উঠি নাই। এই দৃশ্য গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ।
আপনি সিঙ্গাপুর কবে গেলেন, আবার চলেও আসলেন। কিছুই তো শুনলাম না। তাছাড়া সিঙ্গাপুর আসার সময় চেন্নাই ঘুরে আসলেন। নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার। ধন্যবাদ।