ভ্রমণ পোস্ট // সিলেট ভ্রমণের ২৭ তম পর্ব
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০১-০৯-২০২৪)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি সিলেট ভ্রমণের ২৭ তম পর্ব। আজকে সকাল বেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে হালকা একটু নাস্তা খেয়ে প্রথমে মোস্তাফিজুর মামা এবং তুহিন মামার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। বাড়িতে এসে আবারো মাছের পুকুরে খাবার দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। সকালবেলায় মাছের পুকুরে খাবার দেওয়া শেষ করে এসে আমার খালামণিকে আমি স্কুলে রাখতে গিয়েছিলাম বাইক নিয়ে। বাড়িতে এসে বেশ কিছু সময় ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। তারপরে হঠাৎ দেখি আকাশে মেঘ জমেছে। বাড়িতে আম্মু একা একা ধান শুকাতে ছিল তাই এসে আম্মুর সাথে ধানগুলো তুলেছিলাম। তারপরে রুমে এসে দুপুরের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ভাবলাম আপনাদের মাঝে একটা পোস্ট শেয়ার করি। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক.......
আপনারা প্রথমে উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে দুইটি ছবি শেয়ার করেছি। ছবি দুটি আমি নিজে হাতে তুলেছিলাম আমার দুইজন বন্ধু অনেক সুন্দর ভাবে মাধব কুণ্ডো ইকো পার্কের মধ্যে ঝর্ণার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল তখন ছবিগুলো তুলেছিলাম। আসলে প্রাকৃতিক ঝর্ণা দেখতে সত্যি বেশ ভালো লাগে। ঝরনার পানি যখন উপর থেকে পড়ছিল বেশ মনোমুগ্ধকর সত্যি দুচোখ ভরে দেখেছিলাম। এর আগে কখনো হয়তো আমি আমার চোখে এত সুন্দর দৃশ্য দেখেছিলাম না। আমার বন্ধু পারভেজ সেখানে কাকতাড়ুয়ার মত দুই হাত সাট করে দাঁড়িয়েছিল সত্যি বেশ ভালো লেগেছিল। বেশ কিছু সময় পরে আমরা সেখানে বন্ধুরা মিলে গোসলে নেমেছিলাম। আসলে গোসল করতে নেমে সব থেকে বেশি মজা হয়েছিল। বন্ধুরা সকলে যদি ঘুরতে গিয়ে একসাথে গোসল করা যায় তাহলে বেশি ভালই লাগে। সেখানে আমাদের মতো পর্যটক অনেক এসেছিল মনোরম পরিবেশ এলাকার। সত্যি এলাকাটা ঘুরে দেখতে আমার কাছে বেশ দারুন লেগেছিল। তবে এই পার্কের মধ্যে চারি সাইডে জঙ্গল একটু ভয় ভয় লাগছিল। কিন্তু অনেকে একসাথে ছিলাম তাই কিছু মনে হয়েছিল না। তবে সিলেট ভ্রমণ বন্ধুদের সাথে বেশ দারুন ভাবে উপভোগ করেছিলাম।
এবার আপনারা উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথরের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছি। আসলে বন্ধুদের সাথে কয়েকদিনের ট্যুরে গেলে সত্যি বেশ ভালো লাগে। প্রথমেই সিলেট ভোলাগঞ্জ সাদা পাথরে যাওয়ার পথে আমরা বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম। আসলে এখানে নদীপথ নৌকায় পাড়ি দিতে হয়। সেখানে যাওয়ার পর ইন্ডিয়ার বড় বড় পাহাড় দেখতে পেয়েছিলাম আসলে পাহাড়গুলো দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। এর আগে কখনো আমি নিজের চোখে পাহাড় দেখেছিলাম না। তারপরে বেশ কিছু সময় সেখানে ঘুরে বেড়ানোর পরে গোসলের জন্য আমরা পানিতে নেমেছিলাম। গোসলের জন্য পানিতে নামার আগেই ডিএসএলআর ক্যামেরা ভাড়া করে রেখেছিলাম আমাদের ছবি তোলার জন্য। আসলে বেশ চমৎকার কয়েকটি ছবি তুলেছিল ডিএসএলআর ক্যামেরা দিয়ে আমাদের। সব মিলিয়ে সিলেট ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর বেশ দারুন সময় অতিবাহিত করেছিলাম সকলে মিলে।
এবার আপনারা উপরে ছবিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন প্রথমে আমার বন্ধু পারভেজের অনেক সুন্দর একটি ছবি আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। তারপরে আমি নিজেও একটি ছবি উঠেছিলাম সেটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। এ জায়গাটির নাম হচ্ছে লালাখাল। আসলে লালাখাল দেখতে বেশ চমৎকার। তবে আমরা সব থেকে বেশি মজা করেছিলাম লালাখাল যাওয়ার পথে। নৌকায় বেশ কিছু নদীপথ পাড়ি দিতে হয়েছিল এখানে। আমরা যেই নৌকা ভাড়া করেছিলাম সেই নৌকা ওয়ালা বেশ দারুন গান জানত। আমরা গান গাইতে গাইতে নৌকায় পথ পাড়ি দিয়েছিলাম। আমাদের বন্ধুদের মধ্য থেকেও কয়েকজন বেশ ভালো গান জানত সকলে মিলে গানের তালে তালে নদীপথ পাড়ি দিয়েছিলাম। সত্যি সেখানে আমরা সবাই মিলে বেশ দারুন সময় পার করছিলাম। তবে সেখানে বন জঙ্গল দেখে আমার একটু ভয় লাগছিল। আসলে সরাসরি নিজে চোখে যে কোন জিনিস দেখায় সত্যি বেশ দারুন একটা অভিজ্ঞতা।
এবার উপরে আমি আরো দুটি ছবি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমরা যখন লালাখাল গিয়েছিলাম তার আগে যখন নৌকায় চড়েছিলাম তার আগ মুহূর্তে কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম। আমাদের প্রত্যেক জনের নৌকায় নদীপথ পাড়ি দিতে ২৭০ টাকা নিয়েছিল। সেখানে গিয়ে আমরা বেশ দারুণ উপভোগ করেছিলাম। নিচের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন তারপরে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথরের গোসল শেষে আবারো নতুন ড্রেস পরে ডিএসএলআর ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম সেখানে। সবশেষে সেখানে আমরা খাওয়া-দাওয়া করেছিলাম তারপরে আবার সেখান থেকে রওনা দিয়েছিলাম। আশা করি আজকের লেখা পোস্টটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত দিচ্ছে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
শ্রেণী | সিলেট ভ্রমণ |
---|---|
ডিভাইস | oppo f21s pro / ডিএসএলআর |
লেখক | @kibreay001 |
লোকেশন | সিলেট |
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness

OR
x-promotion
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বন্ধু তুমি আজকে আমাদের মাঝে খুবই সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছ। তাছাড়া সিলেট ভ্রমণের তুমি খুবই সুন্দর একটা মুহূর্ত উপভোগ করেছ। আর এ বিষয়ে তুমি আমাদের মাঝে অনেক পর্ব শেয়ার করছো। তোমার প্রতিটা পর্ব আমি দেখে আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। তাছাড়া ভ্রমণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ বন্ধু তোমার ভ্রমণ পর্বের এই বিষয়ে আরো নতুন একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ভ্রমণ করতে তোমার খুবই ভালো লাগে জেনে সত্যি খুশি হলাম।
আপনার সিলেট ভ্রমণ বেশ ভালো হয়েছে বুঝতেই পারছি। আপনি যে জায়গাটি গেছিলেন তার ঠিক বিপরীত দিকে আমিও গেছিলাম। এদিকটা মেঘালয়ের ডাউকি লেক। সেই লেকে আমি বোটিং করে এসেছি এবং তখন ওপার থেকে বাংলাদেশকে দেখে এসেছি। আর পাহাড় দেখতে ভালবাসলে অবশ্যই এ বাংলায় আসুন এবং দার্জিলিং ঘুরে যান। নিশ্চয়ই আপনার খুব ভালো লাগবে।
আপনি মেঘালয়ের ডাউকি লেক দেখতে এসে সেখান থেকে বাংলাদেশে দেখে গেছেন জেনে বেশ ভালো লাগবে।
ভ্রমণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আপনি সিলেট ভ্রমণ করেছেন জেনে খুবই ভালো।সেই খানে গিয়ে বন্ধুরা সহ বেশ মজা করেছেন। আর সেই মুহূর্ত গুলো ছবির মাধ্যমে সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পড়ে খুবই ভালো লাগলো। যদিও এখনও যাওয়া হয়নি তবে ইচ্ছে রয়েছে যাওয়ার।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
চেষ্টা করেছি বন্ধুদের সাথে মজার মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভ্রমন করতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। আর যদি এত সুন্দর কোন জায়গায় ভ্রমণ করা হয় তাহলে সময়টা দারুন কাটে। সিলেট ভ্রমণের ২৭ তম পর্ব উপস্থাপন করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন আপু ভ্রমণের সময়টা সত্যি বেশ দারুন কাটে।
ভ্রমণ পোস্টগুলো দেখতে আমার অনেক ভালো লাগে। আমি নিজেও ভ্রমণ করতে অনেক পছন্দ করি। সিলেট যাওয়ার অনেক বার প্লান হলেও যাওয়া হয়নি। তবে আশায় আছি কবে যাওয়া হয়। আজ আপনার ভ্রমণ পোস্টি পড়ে অনেক ভালো লাগলো।দেখতে পাচ্ছি এত চমৎকার একটি জায়গায় বন্ধুদের নিয়ে অনেক ভালোই ইনজয় করেছেন। আর আপনার ভ্রমণ পোস্টে দারুন কিছু দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করে আমাকে লোভ লাগিয়ে দিলেন।
ঘুরে আসেন আপু সিলেট সত্যিই বেশ দারুন একটা জায়গা দেখার মত।
আপনি সবসময় আমাদের মাঝে সিলেট ভ্রমণের খুব সুন্দর সুন্দর কিছু পর্ব শেয়ার করে আসছেন৷ আজকেও খুবই সুন্দর একটি পর্ব শেয়ার করেছেন৷ আজকের এই পর্বের মধ্যে আপনি খুব সুন্দর কিছু বিষয় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন৷ একই সাথে এখানে আপনি যে সকল সুন্দর জায়গাগুলো রয়েছে সেগুলোর ফটোগ্রাফিও বেশ অসাধারণভাবে শেয়ার করেছেন৷ ধন্যবাদ এরকম সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আজকের এই ভ্রমণের পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য৷
চেষ্টা করেছি আপনাদের মাঝে সবকিছু সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য