"ক্যান্সার রোগীর টেস্টের সিরিয়াল"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ-২ রা জুলাই, রবিবার, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে, কয়েকদিন আগে আমাদের এলাকা থেকে একজন ক্যান্সার রোগী Whole Body FDG PET-CT Scan টেস্ট করানোর জন্য ঢাকাতে গিয়েছিলো। আর আমি তাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখান থেকে সেই টেস্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছিলাম। এই টেস্ট আমার থেকে সবথেকে বেশি ব্যয়বহুল টেস্ট।
এই টেস্ট করাতে যাতে কম টাকা খরচ হয় সেজন্যই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম। কারণ এই ক্যান্সার রোগী যে ডক্টরের দেখা ছিল উনি বলে দিয়েছিল যে আপনারা যদি পারেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল থেকে এই টেস্ট করাতে পারেন তবে একটু সময় সাপেক্ষ হবে।
যেহেতু আমরা গিয়ে রাখা মেডিকেল কলেজ থেকে টেস্ট করাতে ব্যর্থ হই। কি আর করার ! এখন উপায় যে কোন বেসরকারি ভালো ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এই টেস্ট টি করাতে হবে। কিন্তু ঢাকার ভিতরে হাতেগোনা বড় বড় ৫-৬ টি হাসপাতাল এই Whole Body FDG PET-CT Scan টেস্ট করিয়ে থাকে। তারপর এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এই টেস্ট করানোর জন্য যে, ফাইল এবং প্রেসক্রিপশন দিয়েছিল সেটা আমার কাছে রেখে গিয়েছিলো।
এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে যে, প্রেসক্রিপশন দিয়েছিল সেটার উপরে এই টেস্ট টা করানোর জন্য ভালো একটি ডায়াগনস্টিকের লোকেশন দিয়ে দিয়েছিলো। এই টেস্টটা করানো ক্যান্সার রোগীর জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। তাই আমি পরের দিনেই টেস্টটা করানোর সিরিয়াল দিতে যাই ধানমন্ডির মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডে।
আমি মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড গিয়ে কাস্টমার অফিসে কথা বলি। এই Whole Body FDG PET-CT Scan টেস্ট করানোর জন্য সিরিয়াল দেওয়ার কথা বলতেই তারা বলল সিরিয়াল না এখন বন্ধ আছে। আর বলল ঈদের আগে এটা কোনভাবেই পসিবল নয়। তারপর আমি এই কথা শুনে একটু হতাশ হই। কারণটা দুইদিন ধরে ঘুরছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। যতক্ষণ ঈদের আগে কোনভাবেই পসিবল না তাই ঈদের পরে সিরিয়াল কবে থেকে নিবে এটা শুনলাম।
তারপর তখন কাস্টমার অফিস থেকে আমাকে ঈদের পরে যোগাযোগ করার জন্য একটি কার্ড দিলো। আর বললো জুলাই মাসের ২,৩ তারিখের দিকে ফোন দিয়ে একটু খবর নিতে। তারপর আমি এই টেস্টের বিষয়ে আরো বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসা করলাম। কাস্টমার অফিস থেকে বললো Whole Body FDG PET-CT Scan টেস্ট করাতে মোট ষাট হাজার টাকা খরচ হবে। আরো বললো এই টেস্টের সিরিয়াল দেওয়ার জন্য প্রথমে দশ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। আর সিরিয়াল দেয়ার ৫ থেকে ৬ দিন পরে এই টেস্টের জন্য ডাকা হবে। যেদিন এই টেস্ট করানো হবে সেদিনে আরো ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।
আর টেস্ট করানোর পাঁচদিন পরে টেস্টের রিপোর্ট দিয়ে দেয়া হবে। তখন আমি এসব কিছু শুনে সেখান থেকে বাসায় চলে আসলাম। তারপর ক্যান্সার রোগীর ভাই কে ফোন করে বিস্তারিতভাবে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস থেকে যা যা বলে দিয়েছেন সেটা বললাম। এখন দেখা যাক সিরিয়াল দিয়ে টেস্ট করানোর পরে কেমন রিপোর্ট আসে। আমি আশা করি এই ক্যান্সার রোগীর রিপোর্টটি ভালো আসবে। আপনারাও এই ক্যান্সার রোগীর জন্য দোয়া এবং আশীর্বাদ করবেন।
পোস্টের ছবির বিবরন
ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
---|---|
ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
তারিখ | ২২ ই জুন ২০২৩ |
লোকেশন | মোহাম্মদপুর,ঢাকা |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon


ক্যান্সার রোগীদের অনেক জটিল জটিল টেস্ট করাতে হয়। দেখা যায় এই টেস্ট গুলো খুবই কম জায়গায় করে। তার জন্য আবার বিশাল সিরিয়ালে দাঁড়াতে হয়। একটা টেস্টের জন্য ৫০০০০ টাকা খরচ হচ্ছে কিন্তু সুযোগ সুবিধা সেরকম মনে হলো না। যাই হোক ভাইয়া আশা করি এখন টেস্ট করাতে পারবেন।
হ্যাঁ আপু ক্যান্সার রোগীদের জটিল জটিল টেস্টগুলো করাতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়। আবার এসবগুলো করাতে অনেক টাকা ও খরচ হয়। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
অবশ্যই ক্যান্সার রোগীর জন্য দোয়া থাকবে আশা করি সে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। কোন একটা কাজের জন্য অনেকবার ঘুরাঘুরি করার পরেও যদি সেই কাজটি না হয় তাহলে সত্যিই নিজের কাছে অনেক বেশি খারাপ লাগে ।আপনিও দেখছি অনেক ঘোরাঘুরি করেছেন অবশেষে সম্পূর্ণভাবে কাজ করতে পারেননি। যেহেতু ঈদের পরের কথা বলেছিল দেখা যাক এবার কি হয়, তবে আশা করি অবশ্যই ভালো কিছু হবে, শুভকামনা রইল।
ক্যান্সার রোগীর জন্য মঙ্গল কামনা করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বেশ হয়রান হয়েছেন আপনি ভাইয়া। ক্যান্সার আক্রান্ত ভাইদের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করি।
তবে এই টেস্টের জন্য এত টাকা লাগে শুনে একটু বেশি অবাক হলাম। একটা টেস্টের জন্য ৬০০০০ টাকা?
হ্যাঁ আপু আমার দেখা সবথেকে বেশি টাকার টেস্ট এটা। আসলে ক্যান্সার রোগ তো তাই অনেক ব্যয়বহুল। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ক্যান্সার এমন একটা অসুখ যার টেস্টগুলো অনেক জটিল হয়ে থাকে। এই সময় রোগীদেরকে অনেক জটিল টেস্ট করাতে হয় বিভিন্ন রকম হসপিটালে গিয়ে। যদিও টেস্ট করানোর হসপিটাল অনেক কম থাকে। এরকম টেস্ট গুলো খুবই কম জায়গায় করা হয়। টেস্ট করানোর জন্য অনেক টাকাই খরচ হচ্ছে দেখছি। ৫০০০০ টাকা টেস্ট করানোর জন্য খরচ হচ্ছে। সুযোগ সুবিধা তো তেমন নেই বলে মনে হচ্ছে। রোগীটার জন্য দোয়া রইল।
ঢাকার ভিতরে খুব কম হাসপাতালে এই টেস্ট করানো হয়। আসলে ক্যান্সার রোগ তো তাই অনেক ব্যয়বহুল টেস্টগুলো। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।