কুচো চিংড়ি দিয়ে কচু শাকের ঘন্ট❤️
হ্যালো
প্রিয় আমার বাংলা ব্লগের ভারতীয় এবং বাংলাদেশের সকল সদস্যকে জানাই শুভেচ্ছা,নমস্কার আদাব
কেমন আছেন সবাই আশা করছি ভাল আছেন আমিও সৃষ্টিকর্তার কৃপায় ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব কচু শাক দিয়ে কুচো চিংড়ির ঘন্ট রেসিপি।
আমরা জানি কচুশাক প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন সমৃদ্ধ একটি খাবার। আর কচুর মূল উপাদান হলো আয়রন (Fe),যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ ঠিক রাখে। কচুশাকে প্রোটিন, শরকরা,,চর্বি, ক্যালসিয়াম , আয়রন ও ৫৬ মিলিগ্রাম খাদ্যশক্তি থাকে।
চিংড়ি তে রয়েছেঃ
ভিটামিন-ই প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় চিংড়িতে। তাই পরিমিত পরিমাণ চিংড়ি নিয়মিত খেলে ত্বক ভাল থাকে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে।আর আমি এই ভিটামিন যুক্ত কচু শাক ও পুষ্টিকর চিংড়ি মাছের মিশ্রণে তৈরি করেছি আজকের রেসিপি কচু শাক দিয়ে কুচোচিংড়ির ঘন্ট রেসিপি।আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।
১কচু শাক |
---|
২.কুচো চিংড়ি |
৩.রসুন |
৪.কাঁচা লঙ্কা |
৫.লবন |
৬.হলুদ |
৭.ভোজ্য তেল |
তো চলুন দেখা যাক রেসিপিটি
প্রথম ধাপ
প্রথম আমি কচু শাক গুলো কেটে পরিস্কার করে ধুয়ে নিয়েছি। এবং জল ঝড়িয়ে নিয়েছি একটি ঝাড়নায় রেখে।
দ্বিতীয় ধাপ
আমাদের পুকুরের মাছ এই কুচোচিংড়ি মাছ।কুচোচিংড়ি গুলো দেখেই ভেবে নিয়েছিলাম কচু শাক দিয়ে ঘন্ট করবো।চিংড়ি মাছের লেজাও মাথার কাছে কিছু কাটা কাটা চুলের মতো থাকে সেগুলো ফেলিয়ে নিয়েছি ও পরিস্কার করে ধুয়ে নিয়েছি।
তৃতীয় ধাপ
এখন আমি চিংড়ি মাছ গুলোতে লবন হলুদ দিয়ে মেখে নিয়েছি এবংচুলায় বসিয়েছি এবং কড়াইয়ে তেল দিয়ে গরম করে নিয়েছি। তেল গরম হয়ে গেলে গরম তেলে মেখে রাখা চিংড়ি মাছগুলো দিয়ে ভালো করে ভেজে নিয়েছি।
চতুর্থ ধাপ
এখন আমি রসুনগুলো থ্যাতা করে নিয়েছি। কাঁচা মরিচ নিয়েছি ফোঁড়ন দেয়ার জন্য।
পঞ্চম ধাপ
কাঁচা মরিচ থ্যাতা করা রসুন,দিয়ে ফোঁড়ন দিয়েছি ও তাতে কচু গুলো দিয়েছি ও লবন হলুদ দিয়ে নারাচারা করে সিদ্ধ হওয়ার জন্য জ্বাল করে নিয়েছি।
ষষ্ঠ ধাপ
কচু গুলো পুরাপুরি ভাবে সিদ্ধ হয়ে গেছে তাই খুন্তির দিয়ে কচুগুলো ভেঙ্গে নিয়েছি মোলায়েম করে। এরপর আগে থেকে ভেজে রাখা কুচো চিংড়ি গুলে কচুতে দিয়ে ভালো করে নারাচারা করে নিয়েছি। কচুগুলোতে চিংড়ি মাছ দেয়ার পর কচুগুলো অল্প আচে নারাচারা করে শুকিয়ে নিয়েছি।
সপ্তম ধাপ
পুরাপুরি ভাবে কচুর ঘন্ট রান্না হয়ে গেছে তাই একটি পাত্রে কচুর ঘন্ট গুলো নামিয়ে নিয়েছি।
পরিবেশন
এই ছিলো আমার আজকের রেসিপি কুচো চিংড়ি দিয়ে মজাদার কচু শাকের ঘন্ট।আশা করছি আপনার ভালো লেগেছে। আজ এ পর্যন্তই আবারও দেখা হবে অন্য কোন পোস্ট নিয়ে।সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
টাটা
পোস্ট | বিবরণ |
---|---|
পোস্ট তৈরি | @shapladatta |
শ্রেণী | রেসিপি |
ডিভাইস | OppoA95 |
লোকেশন | বাংলাদশে |
আমি হৈমন্তী দত্ত। আমার স্টিমিট আইডিরঃshapladatta. জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শখঃবাগান করাও নিরবে গান শোনা,শপিং করা। ভালো লাগে নীল দিগন্তে কিংবা জোস্না স্নাত খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে।কেউ কটূক্তি করলে হাসি মুখে উড়িয়ে দেই গায়ে মাখি না।পিছু লোকে কিছু বলে এই কথাটি বিশ্বাস করি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।বিপদকে ও অসুস্থতার সাথে মোকাবেলা করার সাহস রাখি সহজে ভেঙ্গে পরি না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করি আর মনে প্রাণে বিশ্বাস করি পর হিংসা আপন ক্ষয়। ধন্যবাদ ।
আপনার এই রেসিপি সম্পর্কে আমি আজকে এই প্রথম জানতে পারলাম। পূর্বে কখনো এরকম রেসিপি সম্পর্কে জানা হয়নি৷ আর আজকে যেভাবে আপনি এই কচু শাকের ঘন্ট রেসিপি তৈরি করেছেন তা একদম লোভনীয় দেখা যাচ্ছে৷ আর আপনি যেভাবে ছোট ছোট চিংড়ি মাছ দিয়ে এই রেসিপি তৈরি করেছেন তা অনেক সুস্বাদু হয়েছে বলে আমি মনে করি৷
খুব ভালো লাগলো আজকে আমার মাধ্যমে এই রেসিপিটি জানতে পেরেছেন জেনে।ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপু কচু শাক দিয়ে চিংড়ি মাছের ঘন্ট দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। দেখে বেশ লোভনীয় লাগছে ।খেতে নিশ্চয়ই বেশ ভালো হয়েছে ।আসলে কচু শাক আমাদের জন্য খুবই উপকারী ।আর কচু শাকের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ আপনি লিখেছেন যেটি পড়ে সত্যি ভীষণ ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ আপু খেতে সত্যি খুব দারুণ হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু সুন্দর পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
চিংড়ি দিয়ে যে কোনো জিনিস রান্না করলে খেতে বেশ ভালো লাগে। আজ আপনি খুব সুন্দর করে অত্যন্ত চমৎকার ভাবে চিংড়ি দিয়ে কচু শাকের ঘন্ট তৈরি করেছে। চিংড়ি দিয়ে কচু শাকের ঘন্ট খাওয়ার মজাটাই আলাদা হয়ে থাকে। আপনার রন্ধন প্রক্রিয়া বেশ দুর্দান্ত হইছে। আমাদের মাঝে খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
ঠিক বলেছেন আপনি চিংড়ি মাছ দিয়ে কচু শাকের ঘন্ট খাওয়ার মজাই আলাদা ধন্যবাদ
কচু শাঁক সত্যি আমাদের জন্য অনেক উপকারী। তবে আমি কচু শাঁক খেলেই আমার গলা ধরে। জানিনা এটা কেনো হয়। আমার মনে হয় রান্নার ভিতর কোনো কাজ রয়েছে। তবে যেটায় ধরেনা সেটা অনেক খেতে পারি। চিংড়ি দিয়ে করা কচু শাঁক এর ঘন্ট সত্যি দারুন হয়েছে আপু। শুভেচ্ছা রইলো।
আমাদের এলাকায় দাদী,ঠাকুমারা বলে কচু শাক খেলে যাদের গলা ধরে তাঁরা নাকি ঝগরুটে 🤪।লেবু দিয়ে খাবেন ভাইয়া। ধন্যবাদ সুন্দর করে কমেন্ট করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু কচুর শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন রয়েছে। যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আমার কাছে কচুর শাক ভালোই লাগে খেতে। চিংড়ি মাছ দিয়ে রান্না করলে অনেক বেশি সুস্বাদু হয়। আপনি কুচো চিংড়ি দিয়ে কচু শাকের ঘন্ট রেসিপি শেয়ার করেছেন। দেখে তো বেশ লোভনীয় লাগছে। পরিবেশন তো খুবই সুন্দর হয়েছে। চারপাশে চিংড়ি মাছ গুলো ভালই লাগছে দেখতে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ছোট চিংড়ি মাছ আর শাকের সমন্বয়ে খুব সুন্দর একটি রেসিপি করে আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। বেশ ভালো লাগলো আপনার এই অসাধারণ রেসিপি টা দেখে। আসলে এই জাতীয় রেসিপিগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। খুব সুন্দর ভাবে আপনি রান্নার কার্যক্রম আমাদের মধ্যে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। খুশি হলাম আপনার এই ভালোলাগার একটা রেসিপি দেখতে পছন্দ করি।
ধন্যবাদ ভাইয়া আমার রেসিপিটি আপনার মূল্যবান সময় ব্যায় করে দেখার জন্য ও সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।
আপনার রেসিপিটা দেখে জিভে জল চলে এসেছে। রেসিপিটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটা খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। এভাবে কখনো রান্না করে খাওয়া হয়নি। আমি অবশ্যই বাসায় একদিন রেসিপিটা ট্রাই করবো। সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ আপু সত্যি খেতে মজাদার ও দেখতে লোভনীয় একটি রেসিপি এটি।ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
কচু শাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন প্রোটিন ক্যালসিয়াম রয়েছে। কচু শাক ঘন্ট করলে বেশ সুস্বাদু লাগে। আর সেটা যদি করা হয় কুচো চিংড়ি দিয়ে তাহলে তো স্বাদ টা আরও বেড়ে যায়। কুচো চিংড়ি দিয়ে কচু শাক ঘন্টের রেসিপি টা বেশ দারুণ তৈরি করেছেন আপু। লোভনীয় ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া পুষ্টি গুণে ভরপুর কচুশাক কুচোচিংড়ি দিয়ে রান্না করলে স্বাদ ও পুষ্টি আরো দ্বিগুণ বেড়ে যায়।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।
আপনি খুব লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন।রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুব ভালো ছিল।রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। এটা দেখে যে কেউ সহজেই রেসিপিটি তৈরি করে নিতে পারবেন।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
সত্যি খুব ভালো হয়েছিল খেতে।ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।
কচুর শাক ঘন্ট বড়াবাড়ি আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে,আর এই কচু শাক ঘন্ট র মধ্যে যদি ছোট ছোট চিংড়ি দেওয়া হয় তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। খুবই মজাদার এবং লোভনীয় একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে এই রেসিপিটা সঙ্গে গরম গরম ভাত খেতে সত্যিই অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। এত মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
হ্যাঁ কচুশাক ঘন্ট সত্যি খুব ভালো লাগে খেতে।আমারও খুব পছন্দ এই খাবারটি। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।