গল্প:-ভালোবাসা মানুষকে বেশি কষ্ট দেয়।( শেষ পর্ব)
ক্যানভা দিয়ে তৈরি,
হ্যালো বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে খুবই ভাল আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি বাস্তব গল্প শেয়ার করব। আশা করবো গল্পটি আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের চারপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেগুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার অনেক বিষয় রয়েছে। এজন্য এই সকল বিষয়গুলো আপনাদের শেয়ার করলে আপনারাও অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এমনকি অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে অবগত হবেন। এইজন্য আমি চেষ্টা করি বিভিন্ন বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। এখন মানুষের আসলে ভরসা নেই। একেকজন একেক ধরনের, এবং একেক জন একেক ধরনের মানসিকতার।
এরপর জেসমিন একদম ভেঙ্গে পড়ে গেল। যে জায়গাতে জেসমিন এত কষ্ট করে সবাইকে রাজি করানো। এখন তার মা-বাবার পরিচয় নিয়ে তার বিয়েটাই ভেঙ্গে যাচ্ছে। যদিও সবাই ছেলে এবং ছেলের বাবা মাকে বোঝানোর চেষ্টা করল ছোটকাল থেকে তারা মেয়েটিকে লালন পালন করেছে। এবং মেয়েটির মা বাবার ঘরে কোন ছেলে সন্তান নেই। একমাত্র জেসমিন তাদের মেয়ে। জায়গা সম্পত্তি থেকে শুরু করে সবকিছু জেসমিন পাবে। আর জেসমিনের বাবা-মা এমনিতে ভালো মানুষ। পালক মা বাবা হলেও তারা তার মেয়েকে অনেক আদর করে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় সামান্য কিছু ভুলের কারণে বা ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনেক গভীর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়।
এবং জেসমিন অনেক কষ্ট করে তার ভালোবাসার মানুষ সুমনকে বুঝিয়ে রাজি করালেন। কারণ জেসমিন তার ভালোবাসার মানুষটির জন্য এক পায়ে দাঁড়া থাকে। এখন ছেলেটি মোটামুটি রাজি হয়েছে জেসমিনকে বিয়ে করার জন্য। যদিও জেসমিনের পালক মা-বাবা রাজি আছে ওই ছেলের কাছে বিয়ে দিতে মেয়েকে। আর সুমনের মা বাবা রাজি নেই জেসমিনকে বিয়ে করানোর জন্য। তারা বলে পালক মেয়ে মা বাবা বিয়ের পর দেখাশোনা করবে না। এই মেয়েকে বিয়ে করলে তোমার ভবিষ্যৎ একদম নষ্ট হয়ে যাবে। এ কথাগুলো সুমনের মা-বাবা কাকে বলে। তবে সুমন এখন রাজি আছে জেসমিনকে বিয়ে করবে। আসলে শত চেষ্টা করলেও অনেক সময় কিছু হাতের জিনিসও হাত থেকে চলে যায়।
এভাবে জেসমিন তার ভালোবাসার মানুষকে বুঝিয়ে কষ্ট করে ঠিক করেছে। হঠাৎ করে কিছু মাস আগে জেসমিনের পালাক মা মারা গেল। এতে করে জেসমিনের মা বাবার সুখের সংসার নষ্ট হয়ে গেল। কারণ একদিকে জেসমিন তাদের পালক মেয়ে অন্যদিকে মা ও মারা গেল। এখনো জেসমিনের বাবার বয়সও কম। হয়তোবা জেসমিনকে বিয়ে দেওয়ার পর তার বাবা আবার বিয়ে করবে নতুন করে। এখন জেসমিনের মা মারা যাওয়ার পর থেকে সুমনের মা-বাবা একদম বলে দিয়েছে জেসমিনকে বিয়ে করাবে না। কারণ একদিকে পালক মেয়ে অন্যদিকে ঘরে মা নেই। কারণ পালক মা হলেও মেয়ে ও মেয়ের স্বামীকে আদর করবে তাদের বাড়িতে গেলে। এখন যখন ঘরে মেয়ের মা ও মারা গেল।
তাহলে তার বাবার নতুন করে বিয়ে করলে জেসমিনকে দেখতে পারবে না এবং তার হাজবেন্ডকে ও দেখতে পারবে না। এই কথা বলে জেসমিনের প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হলেও বিয়েটাও ভেঙে গেল। আসলে জেসমিন অনেক চেষ্টা করেছে তার ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার জন্য। আর কপালে না থাকলে যা হয় তাই হল। জেসমিন এখনো আসা করে তার ভালোবাসার মানুষটিকে সেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পাবে। কারণ ভালবাসার মানুষটিকে পাওয়ার জন্য সে সব সময় চেষ্টা করে। তবে ভালোবাসার মানুষ সুমন দিনে দিনে জেসমিনের উপর থেকে মন উঠে যাচ্ছে। এবং জেসমিনের ভালবাসার মানুষ সুমনও রাজি নেই জেসমিনকে বিয়ে করতে। কারণ জেসমিনের পালক বাবা নতুন করে বিয়ে করলে জেসমিনকে আর দেখতে পারবে না।
এদিকে জেসমিনের পালক বাবা অনেক চেষ্টা করেছে জেসমিন কে সুমনের কাছে বিয়ে দেওয়ার জন্য। তবে তারা একদম বলেই দিল জেসমিনকে বিয়ে করাবে না।। এদিকে অন্য কোথাও জেসমিনকে বিয়ে দিতে চাইলে নানার কথা উঠে। এক জায়গা বিয়ে ঠিক হওয়ার পর তার বিয়ে নষ্ট হয়ে গেল। এবং ওই ছেলেটি তার ভালোবাসার লোক ছিল এবং ছেলেটি তাদের বাড়িতে আসতো। অন্যদিকে জেসমিনের ঘরে মা নেই। আর বিয়ের পর জেসমিনকে ও তার হাজবেন্ডকে কেউ আদর করবে না দেখাশোনা করবে না। বিশেষ করে অন্য কোন জায়গায় বিয়ের জন্য আসলে এখন এই কথা দুটো বেশি ওঠে। আসলে কিছু কিছু ভালোবাসা আছে মানুষকে কষ্ট দেই। আর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই কষ্টগুলো মনে থাকে। যেমনটি জেসমিন তার ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। এখন ভালবাসার প্রিয় মানুষটিও নেই। আর অন্য কোথাও জেসমিনের বিয়ে হচ্ছে না। এই হচ্ছে একটি ভালোবাসার গল্প।
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃ জামাল উদ্দিন। আর আমার ইউজার নাম @jamal7। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। প্রথমত বাঙালি হিসেবে আমি নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করি। কারণ বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। তার সাথে ফটোগ্রাফি করা আমার অনেক শখ। আমি যে কোন কিছুর সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করি। তার সাথে ভ্রমণ করতেও ভীষণ ভালো লাগে। বিশেষ করে নতুন নতুন জায়গা ভ্রমণ করতে ভীষণ ভালো লাগে। তার সাথে লেখালেখি করতে ও ভীষণ ভালো লাগে। যে কোন বিষয় নিয়ে কিংবা যে কোন গল্প লিখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আর সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা। নতুন ধরনের কিছু দেখলে করার চেষ্টা করি।
https://x.com/Jamal7183151345/status/1907673200810401836?t=59il8iRMwGROekg5dekzpw&s=19
https://x.com/Jamal7183151345/status/1907670272976547908?t=5qx8MjCHLJ3mYNp7J3D24Q&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/Jamal7183151345/status/1907785752315834691?t=ReRL0r5U1bwHFDPZpI6Htg&s=19
আপনার গল্পের শেষ পর্বটি পড়ে সত্যি জেসমিনের জন্য খুব খারাপ লাগলো। আসলে এইখানে জেসমিনের তো কোনো দোষ নেই। সে তার মা-বাবার পালক মেয়ে । এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিয়ে এমন ভাভে ভেঙে যাই অনেক কষ্ট থেকে যায়। একদিকে জেসমিন পালক মেয়ে অন্যদিকে তার পালক মা মারা যাওয়ার কারণে বিয়েতে বেশি সমস্যা হইলো। যাই হোক গল্পটির শেষ পর্ব খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আমার গল্পটি পড়ে সুন্দর মন্তব্য করাই ধন্যবাদ তোমাকে।
গল্পটি সত্যি মন ছুঁয়ে গেল। জাসমিনের মত বাস্তবেও অনেক মেয়ে আছে যারা ভালোবাসার মানুষকে হারায় এমন সামান্য কিছু কারণে। অনেকেই বোঝেনা জন্ম দিলেই বাবা মা হওয়া যায় এমনটা নয়। যে লালন পালন করে বড় করে তুলছে তারাও অনেক ভালো বাবা মা হতে পারে এবং তারাও সব দায়িত্ব সুন্দর করে পালন করতে পারে। যাইহোক আপনার গল্পটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি গল্প আপনাদের কাছে শেয়ার করার জন্য।
এটি একদম ঠিক বলেছেন জন্ম দিলে বাবা হওয়া যায় না। তবে আপনার মন্তব্য শুনে সত্যি আমার কাছে খুব ভালো লাগলো।