🍮গরমে মজাদার পুডিং রেসিপি🍮
আসসালামু আলাইকুম। আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমার শরীর তেমন বেশি ভালো যাচ্ছে না। জ্বর ঠান্ডা কিছুই না কিন্তু কেন জানি খুব খারাপ লাগে। তারজন্য পোস্ট গুলো যেনো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। যাই হোক কাজের কথায় আসি, আবার গরম শুরু হয়েছে সেজন্য প্রতিদিন সকাল বিকাল হলেই নাস্তা খাওয়া নিয়ে টেনশনে পরে যাই। কারণ যেই গরম এতে ইচ্ছে ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেতে আর অতিরিক্ত ঠান্ডা খেলেও ঝামেলা। তাছাড়া গরমে ঝাল জাতীয় খাবার বেশি খেলেও সমস্যা হয়। তাই চিন্তা করলাম পুডিং তৈরি করি তাহলেই ভালো হবে। এই গরমে এমন খাবার খেতেই বেশি ভালো লাগে।
আমি যখন প্রথম পুডিং তৈরি করি তখন একদমই পারফেক্ট ভাবে করতে পারিনি। কিন্তু সবসময় বানাতে বানাতে এখন একদম ঠিক মতোই পুডিং তৈরি করতে পারি। আপনারা যারা পারফেক্ট পুডিং তৈরি করতে পারেন না তারা আমার এই রেসিপি ফলো করতে পারেন। তাহলেই একদম পারফেক্ট পুডিং তৈরি করার কৌশল জানতে পারবেন। পুডিং খেতে আমি ও আমার ছেলে খুব পছন্দ করি। আমি মনে করি এই পুডিং আপনাদের সবারই পছন্দের রেসিপি। এই গরমে এমন রেসিপি খেতে সবসময়ই ভালো লাগে। যাই হোক চলুন ধাপগুলো দেখে নেওয়া যাক
প্রয়োজনীয় উপকরণ |
---|
উপকরণ | পরিমাণ |
---|---|
দুধ | আধা কেজি |
ডিম | ৪টি |
চিনি | পরিমাণ মতো |
🍮প্রথম ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
প্রথমে যেই বাটিতে পুডিং সেট করবো তাতে পরিমাণ মতো চিনি দিয়ে দেবো। এরপর চুলায় হালকা আঁচে রেখে ক্যারামেল তৈরি করে নেবো। এবার ঠান্ডা হওয়ার জন্য রেখে দেবো।
🍮দ্বিতীয় ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
এরপর আধা কেজি দুধ পাতিলে নিয়ে ঝাল করে একটু ঘন করে নেবো। আমি ঝাল করে অল্প কমিয়েছি।
🍮তৃতীয় ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
এবার চারটি ডিম ভেঙ্গে নিলাম। তারপর একটা হ্যান্ডমিটার দিয়ে ডিমগুলো ফেটিয়ে নিলাম। এই কাজ একটু ভালো ভাবে করতে হবে।
🍮চতুর্থ ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
তারপর এতে পরিমাণ মতো চিনি দিয়ে দেবো। এরপর বেশ কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে চিনি গলিয়ে নেবো।
🍮পঞ্চম ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
এই পর্যায়ে দুধ ঢেলে নেবো। এরপর সবগুলো ভালো ভাবে মিশিয়ে নেবো। দুধ দেওয়ার পর বেশিক্ষণ নাড়াচাড়া করার দরকার নেই।
🍮ষষ্ঠ ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
এবার ক্যারামেল রাখা বাটিতে একটি ছাঁকনির সাহায্য ছেঁকে পুডিং এর বেটার ঢেলে নেবো।
🍮সপ্তম ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
এরপর একটি প্রেসার কুকার নিয়ে এর ভিতরে একটি স্টেন বসিয়ে দেবো। এরপর স্টেন সমান করে পানি দিয়ে দেবো। এবার স্টেনের উপর পুডিং এর বাটি বসিয়ে দেবো।
🍮অষ্টম ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
এবার পুডিং এর বাটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেবো। এরপর প্রেসার কুকারের ঢাকনা লাগিয়ে নেবো।
🍮শেষ ধাপ🍮 |
---|
![]() | ![]() |
---|
এরপর চারটি সিটি দেওয়ার পর চুলা বন্ধ করে দেবো। তারপর একটি কাঠির সাহায্যে চেক করে নেবো। যদি দেখেন কাঠি পরিষ্কার এসেছে তাহলে নামিয়ে নেবেন আর যদি একটু লেগে থাকে তাহলে আরও একটি সিটি দিয়ে নেবেন। তাহলেই হয়ে যাবে পারফেক্ট পুডিং রেসিপি। তবে আমার সবসময় চারটি সিটি দিলেই হয়ে যায়। যাই হোক এবার পরিবেশন করতে চলে যাবো।
🍮পরিবেশন🍮 |
---|
তারপর একটি প্লেটে পুডিং সাজিয়ে সুন্দর ভাবে পরিবেশন করে নেবো।
ক্যাটাগরি | রেসিপি |
---|---|
ফটোগ্রাফার | @tanjima |
ডিভাইস | Vivo Y16 |
লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে আমার রেসিপি পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাআল্লাহ দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।






Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

পুডিং রেসিপি দারুন হয়েছে আপু। আমার কাছে তো ভীষণ ভালো লেগেছে। আর আপনি এত সুন্দর করে এই রেসিপি তৈরি করেছেন দেখেও অনেক ভালো লেগেছে। আপনার তৈরি করা রেসিপি আমার কাছে বেশ ভালো লাগলো আপু।
আপনার কাছে আমার রেসিপি ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
একদম ঠিক বলেছেন এই গরমের ভিতরে কোন কিছু খেয়েও শান্তি পাওয়া যায় না । আর ঠান্ডা কিছু খেলেই তো আবার সমস্যা হয়ে যায় এখন ঠান্ডা খেতেও নিষেধ করে । এ ধরনের পুডিং কিন্তু ঠান্ডা ঠান্ডা খেতে ভালোই লাগে । আপনি ভালই পুডিং টি বানিয়েছেন দেখতে ভালো লাগছে । পুডিং খাওয়া আসলে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো যারা দুধ খেতে পারে না তারা কিন্তু পুডিং তৈরি করে খেতে পারে ।
হ্যাঁ আপু এই পুডিং ঠান্ডা ঠান্ডা খেতে বেশি ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দেই সকালের নাস্তা হিসেবে খাওয়ার জন্য। যারা দুধ ডিম খেতে পারেনা তারা এভাবে তৈরি করে দিলে খেতে খুব পছন্দ করবে। আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
শেষ কত দিন আগে যে পুডিং খেয়েছি তা এখন আমার আর মনে নেই। আসলে আজকে আপনার এই পোস্টটি দেখে আমার সত্যিই এই পুডিং খেতে ইচ্ছে করছে। আসলে এই রেসিপিটা তৈরীর প্রক্রিয়া আমি ভুলে গিয়েছিলাম। যদিও আজকে আপনার পোস্টে আপনি রেসিপিটা খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। যাইহোক পরবর্তীতে পুডিং তৈরীর ক্ষেত্রে আপনার পোস্টটি আমার কাজে লাগবে।
ভাইয়া আপনার পুডিং তৈরির ক্ষেত্রে আমার এই রেসিপি কাজে লাগবে জেনে খুশি হলাম। আশা করি আপনি আবারো পারফেক্ট পুডিং রেসিপি তৈরি করতে পারবেন। আপনার সেই রেসিপি দেখার অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ।
আসলে গরমের সময় গরম কিছু খেতে খুব একটা ভালো লাগে না আবার সব সময় ঠান্ডা খেলেও সমস্যা। আবার ঝাল খেলেও মাঝে মাঝে সমস্যা হয় যার কারণে আপনি পুডিং বানিয়েছেন এবং রেসিপিটা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো। আসলে প্রথম প্রথম যে কোনো জিনিস বানাতে গেলে পারফেক্ট হয় না বললেই চলে। তবে সময়ের সাথে সাথে শেখা হয়ে যায়। যাহোক আশা করি আপনার রেসিপিটার মাধ্যমে অনেকেই শিখে নিতে পারবে। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু পুডিং বানানোর রেসিপিটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া প্রথম কোন জিনিস তৈরি করতে গেলে পারফেক্ট হয় না। তবে সময়ের সাথে সাথে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। আমার রেসিপি দেখে আপনি শিখে নিতে পারলেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
আপনি একদম ঠিক কথা বলেছেন আপু গরমের ভেতরে পুডিং রেসিপি খাইতে অনেক সুন্দর লাগে। তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা পুডিং না খাওয়ায় শ্রেয়। আজকে আপনি বেশ সুন্দরভাবে পুডিং রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো। প্রতিটি ধাপ সুন্দর এবং সাবলীলভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপু।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া গরমে অতিরিক্ত ঠান্ডা না খাওয়াই ভালো। তবে অল্প ঠান্ডা খেলে তেমন কোন ক্ষতি নেই। যাই হোক আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
ঠিক বলছেন আপু এই গরমে ঠান্ডা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া যাবে না। তাছাড়া বেশি ঝাল খাবার খেলে পেটের আর গ্যাসের সমস্যা হয়। আপনি বেশ ভালো কাজ করলেন পুডিং বানিয়ে ফ্রিজে রাখবেন সেখান থেকে নিয়ে খাবেন নাস্তা হিসেবে। অনেক ভালো লাগলো আপনার পুষ্টিকর রেসিপিটি দেখে।
হ্যাঁ আপু এই পুডিং ফ্রিজে রেখে খেতে খুব ভালো লাগে। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
প্রথমেই আপনার সুস্থতা কামনা করছি।
আবহাওয়া ভালো না তাই শরীর বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যাইহোক আপনি আজকে আমার খুব পছন্দের একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। আমি কিন্তু ভীষণ পছন্দ করি এই খাবারটি। আহা 😋 লোভনীয় দেখাচ্ছে।
যাইহোক চমৎকার উপস্থাপনার মাধ্যমে দেখিয়েছেন পুরো রেসিপি। অনেক ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ ভাইয়া আবহাওয়ার জন্যই এমন হচ্ছে। যাই হোক আপনিও পুডিং খেতে পছন্দ করেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
আপু এই পুডিং ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে খেতে যে আমার কি ভালো লাগে সেটা আপনাকে বলে বোঝাতে পারবো না। আমার তো এখনই দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু মজাদার পুডিং এর রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপু পুডিং ঠান্ডা খেতেই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে পুডিং রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করেছেন। আসলে আমিও বাড়িতে অনেক সময় পুডিং রেসিপি তৈরি করে খেয়েছি। আসলে এগুলো যত বেশি মিষ্টি হবে খেতে তত বেশি ভালো লাগবে। তবে তৈরি করার পরে যদি ফ্রিজে রেখে খাওয়া যায় সব থেকে বেশি ভালো লাগে। ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে পুডিং তৈরির প্রত্যেকটি স্টেপ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া এ ধরনের পুডিং তৈরি করে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে খেতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
আপনি খুব লোভনীয় একটি পুডিং রেসিপি শেয়ার করেছেন।পুডিং দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুব ভালো ছিল।রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। এটা দেখে যে কেউ সহজেই রেসিপিটি তৈরি করে নিতে পারবেন।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু এই পুডিং খেতে খুবই মজার হয়েছিল। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।