বিভিন্ন পর্যায়ের রেনডম ফটোগ্রাফি
Photo Editing by mobile gallery app
'আমার বাংলা ব্লগ' কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট |
---|
হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদের কে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি বেশকিছু রেনডম ফটোগ্রাফি নিয়ে। আশা করবো আমার এই রেনডম ফটোগ্রাফি মুলক পোস্টটি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে এখনই শুরু করি।
পরিবারের সাথে একদিন গাংনী বাজারে উপস্থিত হয়েছিলাম। সেখানে বেশ কিছু কেনাকাটার পর তসবি কেনার প্রয়োজন ছিল। তাই আমারই এক বন্ধুর দোকানে উপস্থিত হলাম। বন্ধুর এই দোকানটা গাংনী বাজারের বড় মসজিদের সিড়ির উপর। বন্ধুটা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে আতর সুরমা টুপি তসবিসহ ইসলামিক জিনিস বিক্রয় করে থাকেন। তার এই বেচাকেনা আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। খুবই নরম একজন ছেলে। সে অন্যান্য ব্যক্তিদের মতো বিক্রয়ের সময় বেশি টাকা ধরে না। তার সীমিত লাভের মধ্যে বিক্রয় করে থাকেন। তার দোকানটা খুব সুন্দর ভাবে সাজিয়ে বেচাকেনা শুরু করেন। সারাদিন বেচাকেনার পর আবার রাত হলে সব কিছু গুছিয়ে তার বাক্সের মধ্যে করে নিয়ে বাড়ি চলে যান। এভাবেই প্রতিনিয়ত তার বেচাকেনা। যা হোক তার দোকান থেকে তসবি কেনার মুহূর্তে এই ফটো ধারণ করা হয়েছিল।
এখানে দেখতে পাচ্ছেন একটি খেজুর গাছ শীতে সময় রস উৎপাদন করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। খেজুর গাছের এমন দৃশ্য দেখলে মনে পড়ে যায় শীতের সেই সুন্দর দিনগুলির কথা। যখন খেজুরের রস খাওয়ার জন্য বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষের আগমন ঘটে গাছির বাড়িতে। আমাদের গ্রামে বেশ অনেক মানুষ রয়েছে খেজুরের রস উৎপাদন করে থাকেন এভাবে।
এখানে আপনারা একটি ঝালের গাছে বেশ কয়েকটা ঝাল লক্ষ্য করছেন। এঝালগুলো দেখতে ছোট হলেও বেশ ধক সম্পন্ন। এগুলো আমাদের পুকুর পাড়ে চাষ করে থাকি। অন্যান্য ঝাল গাছের তুলনায় এই গাছগুলো একটু বেশি লাগানো হয় যেহেতু বাড়িতে খাওয়ার জন্য। সারা বছর কম বেশি এই গাছগুলোতে ঝাল থাকে। এতে একদিক থেকে লাভবান হওয়া যায়, তা হচ্ছে প্রতিনিয়ত ঝাল প্রয়োজন এর কিছুটা হলেও সহায়তা দিয়ে থাকে এই গাছগুলো।
এ ফটো ধারণ করেছিলাম গাংনী মাছের আড়তে মাছ বিক্রয় করতে গিয়ে। সকাল ভোরে যে সময়টা ঘুমিয়ে থাকা হয় বেশিরভাগ। ওই টাইমে গাঃনী মাছের আড়তে জমজমাট মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আর এভাবেই বেচাকেনা চলে প্রত্যেকদিন। আশেপাশের মাছের আড়ত গুলোর মধ্যে আমাদের গাংনী বাজারে আড়তটা বেশ জমজমাট।
এখানে আপনারা লক্ষ্য বলে দেখতে পাচ্ছেন একটি বেগুন গাছের খুব সুন্দর ভাবে গোল একটি বেগুন ধরে রয়েছে। আমাদের পুকুরপাড়ের বাগান গুলোর মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির বেগুন গাছ রোপন করা হয়। সেখানে সাদা সবুজ গোল লম্বা বিভিন্ন বেগুন হয়ে থাকে। আর এভাবেই সারা বছর কম বেশি বাগানের মধ্যে থেকে বেগুন সবজিটা পেয়ে থাকি।
এটা গাংনী বাজারের বাসস্ট্যান্ডের চিত্র। এ জায়গাতে মেহেরপুর গামী বাস এসে থামে, কুষ্টিয়া শহরে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। তবে এই বাজারের রোড আরো উন্নত করার জন্য আশেপাশের গাছগুলো কেটে দেওয়া হচ্ছে এবং আরো সুন্দরভাবে সংস্কার চলছে।
এটা ঢাকা মানিকগঞ্জের একটা চিত্র। ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে এর চিত্রটা বাসের মধ্য থেকে ধারণ করেছিলাম। বেশ অজানা অচেনা জায়গা গুলো প্রথম দেখে ভালো লাগছিল। আর এই ভালোলাগা থেকে চিত্রধারণ। মনে হয় এখান থেকে বালি উত্তোলন করা হয়। দেখে এমনটাই মনে হচ্ছিল।
লোকাল বিস্কুট গুলোর মধ্যে এই বিস্কুট গুলো আমার খুবই প্রিয়। তাই মাঝে মধ্যে বামুন্দি বাজার থেকে কিনে আনার চেষ্টা করি। বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটের বিস্কুট এগুলো উদ্দেশ্য খেতে ভালো লাগে। তাই লক্ষ্য করে দেখি, যখনই বাজারে উপস্থিতি হয় এই সমস্ত দোকানগুলোতে মানুষের বেশ উপস্থিতি এবং কেনাকাটার ভিড়। এ জাতীয় বিস্কুট গুলো প্রায় ৮-১০ রকমের হয়ে থাকে। আমি যখন কিনে আনি তখন পাঁচ ছয় রকমের তা একসাথে মিশিয়ে কিনে আনি। বাকিগুলো একটু টোস জাতীয়তায়, পাম তেল দিয়ে ভাজা সেগুলো ভালো লাগে না। জাতীয় গুলো বেশি পছন্দ আমার।
এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ফসলের মাঠে ফসল মাড়ায়ের চিত্র। ধানের জমিগুলোতে ঘুরতে যেতে আমার খুবই ভালো লাগে। সেখানে কৃষকদের বিভিন্ন পর্যায়ের কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। আর এরই মধ্য দিয়ে বেশ সুন্দর সুন্দর দৃশ্য চোখে বাধে। যেগুলো মন প্রাণ ছুঁয়ে যায়। কৃষকদের কৃষি কাজের কষ্ট কিছুটা হলেও অনুভব করা যায়।
💌আমার পরিচয়💌
আমি মোঃ নাজিদুল ইসলাম (সুমন)। বাংলা মাস্টার্স ফার্স্ট ক্লাস মেহেরপুর গভমেন্ট কলেজ। আমার বাসা গাংনী-মেহেরপুর। ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি মেরামত ও সৌর প্যানেল নিয়ে রিসার্চ করতে পছন্দ করি। প্রাকৃতিক দৃশ্য ফটোগ্রাফি করা আমার সবচেয়ে বড় ভালোলাগা। দীর্ঘদিনের আমি পাঙ্গাস মাছ চাষী এবং বিরহের কবিতা লেখতে খুবই ভালোবাসি। |
---|
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরিচিতি | কিছু বিশেষ তথ্য |
---|---|
আমার নাম | @sumon09🇧🇩 |
ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল |
ব্লগিং মোবাইল | Infinix hot 11s |
ক্যামেরা | camera-50mp |
আমার বাসা | মেহেরপুর |
আমার বয়স | ২৮ বছর |
পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |
---|
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি করেছেন। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি খুবই ভালো লাগছে। খুব সুন্দর ক্যাপচার করেছেন আপনি। বিশেষ করে মরিচ এবং বেগুনের ফটোগ্রাফিটা বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে। সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
মরিচ আর বেগুন ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো
আজকে অত্যন্ত সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। সব মিলিয়ে ফটোগ্রাফি গুলো অনেকটা দারুন ছিল। বেগুনের ফটোগ্রাফিটা অসাধারণ ও আমি দেখতে পারতেছি বিস্কিটের ফটোগ্রাফিও তুলে ধরেছেন। সব মিলিয়ে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন। ঝালের ফটোগ্রাফিটা অনেক ভালো লাগলো।
আশা করব এভাবে পাশে থাকবেন সবসময়
আপনি আজকে ভিন্ন ভিন্ন ফটোগ্রাফি দিয়ে চমৎকার একটি রেনডম ফটোগ্ৰাফি অ্যালবাম সাজিয়ে ছেন। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ এতো সুন্দর কিছু ফটোগ্ৰাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ
বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগে। কারণ বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন ফটোর সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। অনেক কিছু সম্পর্কে জানা যায় এবং দেখা যায়। খুবই চমৎকার ভাবে আজ আপনি ফটোগ্রাফি গুলো উপস্থাপন করেছেন। যা দেখে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
অনেক ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য।
আপনি আজকে বিভিন্ন ধরনের এলোমেলো ফটোগ্রাফি শেয়ার করছেন।বিভিন্ন পর্যায়ের ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আপনার তোলা আজকের সব গুলো ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে। বিশেষ করে মরিচ ও বেগুনের ফটোগ্রাফি দারুণ হয়েছে। ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্ট টি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ
বেশ কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাই। কাঁচা খেজুরের রস খেতে বেশ দারুণ । পুতির মালা গলায় দিলে মেয়েদের দেখতে খুবই ভালো লাগে। গাছে বেশ সুন্দর কাঁচা মরিচ ধরছে। এতো সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
একদম ঠিক বলেছেন।
বাহ আপনি তো ভিন্নভাবে কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো। আসলে কিছু কিছু ফটোগ্রাফি আছে দেখলে এমনিতে মুগ্ধ হয়ে যায়। তবে আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে আমার কাছে বেশি ভালো লাগলো গাংনী বাজার থেকে ফটোগ্রাফি করা প্রথম ফটোগ্রাফিটি এবং লোকাল বিস্কুট এর ফটোগ্রাফিটি। সব গুলো ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর করে বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।
একদম ঠিক বলেছেন ভাই কিছু কিছু দৃশ্য মন মুগ্ধ করে তুলে।
ভাইয়া আজ আপনি বিভিন্ন ধরনের এলোমেলো ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার ধারণা করা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ করে মরিস ও বেগুনের ফটোগ্রাফিটা অনেক বেশি ভালো লেগেছে আমার কাছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে জন্য।
চেষ্টা করেছি একটু ব্যতিক্রম ফটো ধারণ করছে।
ভাই আপনার টাইপিং এর ভিতরে একটু ভুল আছে আশা করি ঠিক করে নিবেন। তাছাড়া আপনার ধারন করা ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল।
সাবমিট করার পূর্বে দেখি ঠিক আছে কিন্তু সাবমিট করার পরে ভুল হয়ে যায় যে কিভাবে বুঝি না।
ও আচ্ছা।