প্রচন্ড গরমে প্রশান্তির খোঁজে।
আমি রাহুল হোসেন। আমার ইউজার নেমঃ@mrahul40।বাংলাদেশ থেকে।আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
- প্রশান্তির খোঁজে।
- ২৯,এপ্রিল ,২০২৪
- সোমবার
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগবাসি কেমন আছেন আপনারা? আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছেন। আজকে আপনাদের মাঝে আবারো হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। এইতো কিছুদিন হলো বেশ গরম পরছে এলাকাতে। তবে আজকে এবং কালকে অনেকটা ঠান্ডা শুরু হয়ে গিয়েছে আগের মত গরমের দেখা নাই। তবে তার আগে অনেক বেশি গরম পড়েছে। দুপুরবেলা বাইক নিয়ে বের হলে রোদের গরম সাথে গরম বাতাসে মনে হচ্ছিল মুখ পুড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রমজানের মধ্যে এমন গরম অনেক বেশি কষ্টকর হয়ে পড়েছিল। গ্রামে অনেক বেশি লোডশেডিং হচ্ছে এই গরমের মধ্যে লোডশেডিং হলে টিকা বড় কষ্টদায়ক। রমজান মাসের সিয়াম রাখার পর এমন গরমের মধ্যে মন চায় একটুখানি প্রশান্তির খোঁজে।
Device : Realme 7
What's 3 Word Location :
যেহেতু গ্রামে এসেছি ঈদের ছুটি কাটাতে আর গ্রামের মধ্যে বিভিন্ন জায়গা আছে সেখানে গেলে বেশ ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যায়। তবে ভর দুপুরে রোদের মধ্যে বাইক চালাতে অনেক বেশি কষ্ট হচ্ছিল রোদ অনেক বেশি গরম ছিল সাথে বাতাসটাও গরম হয়ে গায়ে লাগতেছিল তখন মনে হচ্ছিল কে যেন গরম হাওয়া আমার দিকে ছুড়ে মেরেছে। হঠাৎ করে সোহাগ ভাই ফোন দিল বলল চলো কোথা থেকে ঘুরে আসি। আর এখন যেহেতু ভর দুপুর এবং অনেক বেশি গরম তাই ভাবলাম কোন এক নদীর ধারে গিয়ে বসে থাকি। নদীর ধারে কি এলে ঠান্ডা বাতাসের দেখা মিলতে পারে। আমাদের বাড়ির পাশেই দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরে হবে সেখানে ছোট নদী পেয়ে চলেছে। নদীটা পদ্মা নদীর শাখা নদী সেখানে গরমের মধ্যেও মোটামুটি বাতাস পাওয়া যায়। আমি এবং ভাই চলে যাই প্রশান্তির খোঁজে গরমের মধ্যে। আমি বাইকের পিছনে বসে ছিলাম সেজন্য মুখে একটু রোদ কম লেগেছে তবে যতটুকু রোদ লেগেছে আমি মুখ লুকিয়ে রেখেছিলাম। বাতাসটা অনেক বেশি গরম ছিল।
Device : Realme 7
What's 3 Word Location :
১০ মিনিট বাইক রাইড করার পর চলে আসলাম কাঙ্খিত জায়গায়। আমরা যেখানে গিয়ে বসি আজকে ওখানে না গিয়ে একটি মেহগনি বাগানের ভিতরে প্রবেশ করলাম। এই বাগানটা একদম নদীর ধারে আর বাগানে গাছগুলো বেশি বড় না তবে জায়গাটা অনেক ছায়াযুক্ত। গরমের মধ্যে এখানে প্রবেশ করে মনটা ভালো হয়ে যায় কারন বেশ ভালো বাতাস ছিল। আর পাশেই ছিল নদী এবং নদীর ধারে ধান চাষ হচ্ছে। পরিবেশটা এক কথায় অসম্ভব সুন্দর ছিল। আর ছোট নদী পারাপার হচ্ছে নৌকা দিয়ে। যাদের বাড়ি চরের ওপাশে তারা নৌকায় করে এদিকে চলে আসে। তবে এই রোদের মধ্যে নৌকায় করে আসাটা অনেক কষ্টসাধ্য। সামনে ধানের ক্ষেত এবং নদীর অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে দেখতে আমরা অনেকটা সময় পার করে দিয়। যেহেতু আমরা দুজন ছিলাম তাই বেশ বোরিং লাগছিল মনে হচ্ছিল আরো ২ জন এসে এখানে যদি বসে থাকতে পারতাম তাহলে বেশি ভালো লাগতো।
Device : Realme 7
What's 3 Word Location :
যাদের বাড়ির নদীর ওই পাড়ে তারা নৌকাতে করে তাদের দৈনন্দিন কাজ করার জন্য এপারে আসেন। তাদের কোন বাজারের দরকার হলে তারা বাজার করতে আসেন । প্রচন্ড গরমের মাঝে তাদেরকে আসতে হয় কাজের জন্য। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছিলাম যত সময় এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম গরমটা কম লেগেছিল। নদীর বিশুদ্ধ বাতাসে অন্তরটাও শীতল হয়ে গিয়েছিল। গরমের মাঝে এমন একটি জায়গাতে বসে সবাই মিলে আড্ডা দিতে বেশ ভালো লাগে। তবে আজ দুই দিন হল তেমন গরম পড়ছে না সেজন্য আর নদীর তীরেও যাওয়া হচ্ছে না। গরম বেশি শুরু হয়ে গেলে ছুটে চলে যায় নদীর তীরে। গরমের মাঝে প্রশান্তির খোঁজে নদী এবং ছায়াযুক্ত স্থান একমাত্র ভরসা। কারণ গ্রাম অঞ্চলে লোডশেডিং এর পরিমাণ অনেক বেশি আর অনেক বেশি গরম পড়াতে ফ্যানের বাতাসও গরম হয়ে যায়। আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে অন্য কোন গল্প নিয়ে ধন্যবাদ সবাইকে।
আমি মোঃ রাহুল হোসেন, আমার ইউজার নেম @mrahul40। আমি বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিভিল টেকনোলজিতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, ফটোগ্রাফি করতে খুবই পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" আমার গর্ব "আমার বাংলা ব্লগ" আমার ভালোবাসা। আমার নিজের ভেতরে লুকায়িত সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে "আমার বাংলা ব্লগে" আমার আগমন।
গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করে। ঠিক বলেছেন, এই দুই দিন মোটামুটি গরম একটু কম রয়েছে। তবে এর আগে বেশ ভালই গরম ছিল। তার উপর লোডশেডিং তো রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে গ্রামে গিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। গ্রামের নদীর পাড়ের এই জায়গা গুলো আসলেই শান্তির। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালই লাগলো।
ঈদের মজা গ্রামে সবার সাথে একসাথে ঈদ পালন করতে অনেক বেশি ভালো লাগে। মতামত প্রকাশের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
বর্তমান আমাদের এইদিকের আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা রয়েছে। তবে দুইদিন আগে একটু গরমের চাপ বেশি ছিল। আপনি ঈদের ছুটিতে গ্ৰামের বাড়িতে এসেছেন। আসলে গ্ৰামীন আবহাওয়া শহরের থেকে অনেক ভালো।গ্ৰামের মধ্যে নদী নালা গাছ পালা ইত্যাদি মানুষদের কে ঠান্ডা বাতাস উপহার দিয়ে থাকে। কিন্তু শহরের মধ্যে প্রচন্ড গরমের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ। আপনি শহর থেকে কিছুদিনের জন্য গ্ৰামে এসেছেন। আশা করছি গ্ৰামের মধ্যে আপনার খুবই সুন্দর সময় কাটবে।
জি ভাইয়া গ্রামের আবহাওয়া শহরের আবহাওয়া থেকে অনেক ভালো। অসংখ্য ধন্যবাদ মতামত প্রকাশের জন্য
গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সব সময় মানুষকে মুগ্ধ করে। আসলে গরমে জন জীবন অতিষ্ঠ। তবে আজ দুই দিন হলো গরটা একটু কমেছে। যাইহোক সবাই মিলে গ্রামে ঈদ করবে সেই কারণে আল্লাহর রহমান নেমেছে।গ্রামে এসেছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো।ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন আপু দুইদিন বেশ গরম পড়েছে এজন্য জীবনটা অতিষ্ঠ হয়ে যায়। ধন্যবাদ মূল্যবান মতামত প্রকাশের জন্য
বেশ কিছুদিন প্রচন্ড গরম পরল। তবে কাল থেকে আজ পর্যন্ত তেমন রোদে দেখা নেই। দেশে আবহাওয়া বেশ খারাপ অবস্থায় চলছে। জায়গায় জায়গায় ঝড় বৃষ্টি। তবে রোজা থাকা অবস্থায় প্রচন্ড গরমের দিন কাটানো বেশ কঠিন। তবে মোটরসাইকেল রাইড করে বেশ সুন্দর একটি লোকেশনে এসেছেন দেখছি। ভালো লাগলো সুন্দর জায়গা দেখে।
হঠাৎ গরম হঠাৎ ঠান্ডা অনেকে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। জি ভাইয়া রোজা রেখে গরমের দিন কাটাতে বেশ কষ্ট। ধন্যবাদ মতামত প্রকাশের জন্য