অরিগ্যামিঃপেখম তোলা ময়ূর।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালো আছেন।আমিও ভালো আছি প্রত্যাশা করি সবাই ভালো থাকেন,নিরাপদে থাকেন। আজ ১৫ই ভাদ্র ১৪৩১বঙ্গাব্দ।শরৎ-কাল। ৩০শে আগস্ট ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ।.। আজ একটি অরিগ্যামি পোস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
উপকরণ
১।রঙ্গিন কাগজ।
২।লাল ও কালো রং এর সাইন পেন
ময়ূর এর অরিগ্যামি তৈরির ধাপ সমূহ
ধাপ-১
প্রথমে ১৮X১৮ সাইজের এক টুকরো টিয়া রং এর কাগজ নিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
কাগজের টুকরোটিকে উভয় পাশে কোনাকুনি ভাবে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৩
এরপর কাগজটিকে উভয় পাশে আড়াআড়িভাবে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৪
এরপর দুপাশের কাগজ ভিতরের দিকে ঢুকিয়ে নিয়েছি।ছবির মতো করে।
ধাপ-৫
ভাঁজ করা করা কাগজের দু'দিকের কাগজ মাঝ দাগ বরাবর ভাঁজ করে নিয়েছি। ছবির মতো করে।
ধাপ-৬
এবার ভাঁজের দাগ বরাবর কাগজ ভিতরের দিকে ঢুকিয়ে দিয়েছি।
ধাপ-৭
কাগজটিকে উল্টিয়ে নিয়েছি। এবং দু'পাশের কাগজ পূর্বের ন্যায় ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৮
এবার কাগজটিকে ছবির মতো করে পরপর ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৯
উপরের দিকে কাগজ মাঝ দাগ বরাবর ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-১০
কাগজটিকে এবার লম্বা করে মাঝ বরাবর ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-১১
ধাপ-১২
এবার লাল রং সাইন পেন দিয়ে ময়ূরের পুচ্ছে কিছু ডিজাইন করে নিয়েছি। সাথে কিছু ফটোগ্রাফি করেও নিয়েছি।
উপস্থাপন
আশাকরি আমার বানানো পেখম তোলা ময়ূর এর অরিগ্যামিটি আপনাদের ভালো লেগেছে।আবার দেখা হবে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।
পোস্ট বিবরণ
পোস্ট | অরিগ্যামি |
---|---|
পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
মোবাইল | Redmi A-5 |
তারিখ | ৩০শে আগস্ট,২০২৪ইং |
লোকেশন | ঢাকা |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। বর্তমানে গৃহিনী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি।স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা।এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
চমৎকার সুন্দর করে বানিয়েছেন আপু পেখম তোলা ময়ুর টি।রঙ্গিন কাগজ দিয়ে চমৎকার করে নিয়েছেন ময়ুর টি।ধাপে ধাপে পেখম তোলা ময়ুর তৈরি পদ্ধতি চমৎকার সুন্দর করে আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য ধন্যবাদল আপনাকে।
ময়ূরটি সামনাসামনি দেখতে আরও সুন্দর লাগছিলো। ফটোগ্রাফিতে তত সুন্দর লাগছে না। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
ময়ূরের অনেক সুন্দর একটি অরিগামি তৈরি করেছেন কাগজ দিয়ে। আপনার চমৎকার এই অরিগামী দেখে মুগ্ধ হয়েছি। বেশি দারুন দক্ষতার পরিচয় তুলে ধরেছেন এই পোস্ট করার মধ্য দিয়ে। এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ হয়েছে আপনার অরিগামিটা।
ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করে উৎসাহ দেয়ার জন্য।
নিজের পোষ্টের মাঝে ভিন্নতা আনার জন্য সব সময় নতুন কিছু করে যাচ্ছেন দেখে খুবই ভালো লাগে আপু। আপনার তৈরি করা কাগজের ময়ূর খুবই সুন্দর হয়েছে। বিশেষ করে ময়ূরের পেখম গুলো দেখতে বেশি ভালো লাগছে।
আমি চেস্টা করি পোস্টের ভিন্নতা আনার। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
ফটোগ্রাফি ভালো করার জন্য ভালো ক্যামেরা এর পাশাপাশি আলোর পর্যাপ্ত উপস্থিতি ফোকাস ঠিক রাখা এবং আঙ্গেল ঠিক রাখা টা গুরুত্বপূর্ণ। রঙিন কাগছ দিয়ে ময়ূরের অরিগ্যামি টা বেশ চমৎকার তৈরি করেছেন আপু। খুবই সুন্দর লাগছে। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য আপনাকে।।
আমি ভালো ফটোগ্রাফার নই তবুও চেস্টা করি। আর দিন দিন নতুন নতুন কিছু শিখছি। মতামতের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
পেখম তোলা ময়ূরের খুব সুন্দর অরিগামি তৈরি করেছেন আপনি। ময়ূর টা খুবই সুন্দর হয়েছে। সাইন পেন দিয়ে কালার করার কারণে বেশ ভালো লাগছে দেখতে। দারুণভাবে প্রত্যেকটা ধাপ উপস্থাপন করেছেন আমাদের মাঝে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ময়ূরের পেখমটি সুন্দর করার জন্য সাইন পেন ব্যবহার করেছি। মতামতের জন্য ধন্যবাদ আপু।
https://x.com/selina_akh/status/1829903103094829522
রঙিন কাগজ দিয়ে যে কত কি বানানো যায় তা আমার বাংলা ব্লগে এসে দেখেছি। আজ আপনি রঙিন কাগজ দিয়ে ভাঁজে ভাঁজে চমৎকার একটি ময়ূরের অরিগামি তৈরি করে ফেলেছেন দেখে ভীষণ ভালো লাগলো । এই কাজগুলো করতে একটু সময় প্রয়োজন হলেও যখন কমপ্লিট হয় তখন দেখতে বেশ ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আমিও অনেক কিছু শিখেছি এই আমার বাংলাব্লগে যুক্ত হয়ে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
বাহ্ খুবই সুন্দর কৌশল
অনেক ধন্যবাদ।
বাহ আপনি তো অনেক সুন্দর করে রঙিন কাগজ দিয়ে পেখম তোলা ময়ূর তৈরি করছেন। তবে আমার কাছে ময়ূর টি দেখে বেশ ভালো লাগলো। সত্যি আপনি ধৈর্য ধরে রঙিন কাগজ দিয়ে এত সুন্দর করে ময়ূর বানিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। তাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।