অরিগ্যামিঃরঙ্গিন কাগজ দিয়ে মুকুট তৈরি।
সবাইকে শুভেচ্ছা।
প্রিয় আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা,আশাকরি সবাই ভালো আছেন? আমিও বেশ ভালো আছি।আজ ১৮ আষাঢ়,১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২ জুলাই,২০২৩ খ্রীস্টাব্দ। ঈদ পরিবারের সাথে কাটিয়ে আবার সবাই তার কর্মস্থলে ছুটে আসছে। ফাঁকা ঢাকা আবার ব্যস্ততম নগরে পরিনত হতে শুরু করেছে। আর দিন কয়েকের মধ্যেই চিরচেনা রুপ ধারণ করবে ঢাকা। বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিং এ আজ নিয়ে এসেছি একটি অরিগ্যামি পোস্ট। আজ আমি রঙ্গিন কাগজ দিয়ে একটি মুকুটের অরিগ্যামি তৈরি করবো। আপনারা জানেন, অরিগ্যামি হল কাগজকে নানা ভাবে ভাঁজে ফেলে একটি সুন্দর অবয়ব তৈরি করা। এক কথায় অরিগ্যামি হল কাগজের ভাঁজের খেলা। লিখে বোঝানর চেয়ে ছবি দেখে শিখে নেয়া বেশ সহজ। আজ মুকুটের অরিগ্যামি তৈরিতে রঙ্গিন কাগজ,পুথি সহ আরও কিছু উপকরণ ব্যবহার করেছি। তাহলে বন্ধুরা, আসুন ধাপে ধাপে দেখে নেই,কিভাবে তৈরি হলো আজকের মুকুটের অরিগ্যামি। আশাকরি, আজকের মুকুটের অরিগ্যামি ভাল লাগবে আপনাদের।
উপকরণ
১।সবুজ রং এর কাগজ
২।সাদা পুথি
৩।গাম
৪।কাচি
তৈরির পদ্ধতি
ধাপ-১
প্রথমে ১৫ সেঃ বাই ১৫ সেঃ সাইজের সবুজ রং এর কাগজ কেটে নিয়েছি।
ধাপ-২
এবার কাগজটিকে মাঝ বরাবর আড়াআড়ি ভাবে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৩
ভাজ করা কাগজটিকে ছবির মতো করে মাঝ বরাবর ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৪
কাগজটিকে ছবির মতো করে পরপর ভাবে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৫
এবার কাগজটিকে ছবির মতো করা ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৬
একই ভাবে ছবির মতো করে কাগজটিকে পরপর ভাবে ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৭
উপরের ছবি গুলোর মতো করে পরপর ভাঁজ করে নিয়েছি।
ধাপ-৮
উপরের সোজা ভাজ কাগজটিকে ভিতর দিকে ঢুকিয়ে দিয়েছি । আর এভাবেই তৈরি করে নিলাম একটি কাগজের মুকুট।
ধাপ-৯
মুকুটটিকে আরও সুন্দর করে তোলার জন্য মুকুটে গাম দিয়ে পুথি লাগিয়ে নিয়েছি।
উপস্থাপনা
আশাকরি, আজকের রঙ্গিন কাগজ দিয়ে মুকুটের অরিগ্যামি তৈরি আপনাদের ভাল লেগেছে। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে, আজ আমার অরিগ্যামি পোস্ট এখানেই শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে। নিজে সুস্থ্য থাকুন ও পরিবারের সকলকে সুস্থ্য রাখুন।
পোস্ট বিবরণ
শ্রেণী | অরিগ্যামি |
---|---|
ক্যামেরা | Samsung A-10 |
পোস্ট তৈরি | @selina75 |
তারিখ | ২ জুলাই,২০২৩ |
লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
https://twitter.com/selina_akh/status/1675540402278137856
কাগজ দিয়ে তৈরি মুকুটটি অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। সবুজ রং এর কাগজ,সাদা পুথি,গাম ও
কাচি দিয়ে খুবই নিখুঁতভাবে মুকুটটি বানিয়েছেন। খুবই সুন্দরভাবে নয়টি ধাপের মাধ্যমে মুকুটটি বানানোর প্রক্রিয়া আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
অনেক সুন্দর করে রঙিন কাগজ দিয়ে মুকুট তৈরি করেছেন। এটা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। আপনি অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
অনেক ধন্যবাদ আপু মন্তব্য করার জন্য।
ঈদের ছুটি প্রায় শেষের দিকে তাইতো ঢাকা শহর আবারও লোকজনে ভরে উঠছে। ঈদের ছুটি কাটিয়ে সবাই শহরে ফিরছে। যাই হোক আপু মুকুটটি দেখতে খুবই সুন্দর হয়েছে। কাগজের মুকুট খুবই আকর্ষণীয় লাগছে। দেখতেও ভীষণ ভালো লেগেছে।
ঢাকা আবার কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে। অনেক ধন্যবাদ আপু।
খুব সুন্দর একটি অরিগ্যামি শেয়ার করেছেন আপনি রঙিন কাগজের মুকুট টি দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে রঙিন কাগজ দিয়ে কিভাবে মুকুট তৈরি করতে হয় তা ভাজে ভাজে দেখিয়ে দিয়েছেন। আপনার খুব সুন্দর উপস্থাপনা ছিল। মুকুট দেখে আমার অনেক ভালো লেগেছে একদম রিয়েল মুকুটের মতোই দেখাচ্ছে।
অনেক ধন্যবাদ আপু ।
আপনি খুব সুন্দর রঙিন কাগজ দিয়ে একটি মুকুট তৈরি করেছেন। দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। দেখে বুঝে যাচ্ছে এই মুকুট টি তৈরি করতে আপনার অনেক সময় লেগেছে। পুতি গুলো দেওয়াতে আরো বেশি আকর্ষণীয় লাগছে। সুন্দর একটি মুকুট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এ ধরনের পোস্ট করতে একটু বেশি সময়ের প্রয়োজন পরে । অনেক ধন্যবাদ আপু।
রঙিন কাগজ দিয়ে যে কোন কিছু তৈরি করতে যেমন ভালো লাগে, তেমনি দেখতেও খুব পছন্দ করি আমি। আপনি অনেক সুন্দর একটা মুকুটের অরিগামী তৈরি করেছেন, যা দেখে খুব ভালো লেগেছে আমার কাছে। আর মুকুটের মধ্যে পুঁতি দেওয়ার কারণে আরও বেশি ভালো লাগতেছে। ভাঁজে ভাঁজে এরকম জিনিস গুলো তৈরি করতে যদিও কষ্ট হয়, কিন্তু তৈরি করার পরে দেখতে খুব ভালো লাগে।
ঠিক তাই আপু অরিগ্যামি করতে সময় লাগলেও। করার পর বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু।
রঙিন কাগজ দিয়ে আপনি খুব চমৎকার ভাবে মাথার মুকুট তৈরী করেছেন। আসলে রঙিন কাগজে কিছু বানাতে পারলে দেখতে এমনি তো অনেক ভালো লাগে। তবে আপনি মুকুরের মধ্যে পুঁথি ব্যবহার করার কারণে দেখতে বেশ ভালই লাগতেছে। তবে ঈদের পরে কিছুদিন ঢাকাতে মানুষ কম থাকে। কিছুদিনের মধ্যে আবার আগের কর্মস্থানে ফিরে আসবে মানুষগুলো। তবে মুকুট তৈরি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের চমৎকারভাবে শেয়ার করেছেন।
ঢাকা আবার সেই চিরচেনা রুপে ফিরে এসেছে। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আজ আপনি আমাদের মাঝে রঙিন কাগজ আর পুথি দিয়ে অনেক সুন্দর করে একটি ডাই প্রজেক্ট তৈরি করে দেখিয়েছেন। যেটা দেখতে আমার অনেক ভালো লেগেছে, একদম মনে হল ছোটবেলায় আমার আম্মা আমাদের মাঝে এমনভাবে রঙিন কাগজ দিয়ে নৌকা সহ অন্যান্য জিনিস তৈরি করে দেখাতো, ঠিক তেমনি আপনার কার্যক্রম। আর সেই কার্যক্রম দেখে স্মৃতি স্মরণে ভেসে এলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।