নাটক রিভিউ: ধনী গরিবের লড়াই [পর্ব-২৯ তম]❤️
আমি তানহা তানজিল তরসা । আমি বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে বলছি। আমার স্টিমিট আইডির নাম @tanha001।
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ বাসি.........
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি।আমার নতুন ব্লগে সকল ভাই ও বোনদেরকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়ে শুরু করছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি নাটক রিভিউ নিয়ে এসেছি। আজ আমি ধনী গরিবের লড়াই নাটকের ২৯ তম পর্ব নিয়ে কথা বলবো।এই নাটকটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। যার কারনে আমি এই নাটকটি প্রতিনিয়ত রিভিউ করার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়েছি। আসলে ঈগল টিম বেশ চমৎকার ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সবাই যেদিকে হাতে ঈগল টিম পুর ব্যতিক্রম ভাবে কাজ করছে।ঈগল টিমের নাটক গুলা খুবই সামাজিক ও শিক্ষানীয়। আশা করি আমার নাটক রিভিউটি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে। ব্যাক্তিগত ভাবে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে যার কারনে আপনাদের মাঝে রিভিউ টা নিয়ে এসেছি। চলুন তাহলে শুরু করা যাক।
নাটকের প্রথমে দেখা যায় রতন ও সোহানা দাড়িয়ে কথা বলছে।রতন সোহানাকে বলছে চলো আমরা পালিয়ে বিয়ে করে ফেলি। তখন সোহানা বলে এটা সম্ভব না একে ঝামেলা চলতে আছে এরপর যদি আমরা বিয়ে করি তাহলে আরো অনেক বেশি ঝামেলা চলবে। আমাদের দুজনের এক হয়তো কপালে নেই। তখন রতন বলে ধনী গরীবের লড়াই আর কতদিন চলবে কি জানি। এরপর তারা দুজন দুজনের বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে যাই।
এরপর দেখা যায় লতিফ সোহাগকে জোরে চিল্লায় ডাকতেছে এবং তারপর রিমা ও সোহাগ ঘর থেকে বের হয়ে আসে। এরপর সোহাগ প্রশ্ন করে কিরে লতিফ কি হয়েছে এরপর লতিফ বলে মারাত্মক একটি খবর আছে ভাই। এরপর লতিফ বলে মোড়লকে পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে গ্রামের রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর সোহাগ বলে আলহামদুলিল্লাহ অনেকদিন পর ভালো একটি খবর পেলাম। তখন রিমা বলে যেমন কর্ম তেমন ফল আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে মোড়ল বাড়ির লোকেরা। এরপর লতিফ বলে ভাবি আমি কিন্তু আপনার বোনরে ভালবেসে ফেলেছি। তখন রিমা বলে লতিফ ভাই আমার আপা কিন্তু অনেক রাগী পরে মার খাইলে তখন কিছু বলতে পারবেন না। তখন লতিফ বলে ভাবি এতটা ভয় দেখায়েন না। এরপর এদিকে দেখা যায় মোড়লের ছোট ভাই মোড়ল বাড়ির সবাইকে ডাকতেছে। তখন সবাই এসে প্রশ্ন করে কি হয়েছে ছোট আব্বা। তখন মোড়লের ছোট ভাই বলে বড় ভাই আর সুরুজকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে। একথা শুনে সবাই বলে এ কি বলছেন আপনি। তখন রতন বলে ওঠে অকাম করলে পুলিশে ধরবেতো এ কথা শুনে রতনের মা বলে এক থাপ্পর মারবো। এরপর তাকে প্রশ্ন করে পুলিশে কি জন্য ধরল তখন মোড়লের ছোট ভাই বলে রিমা মামলা করেছে। তখন রিমার বড় ভাবি বলে মেয়ে হয়ে বাপের নামে মামলা করেছে এমন মেয়ে যেন কারোর ঘরে না দেই। তখন রতন বলে রিমা ঠিক আছে সব দোষ আব্বার। এরপর মোড়ল বাড়ির সব সদস্যরা রতনের উপর ক্ষেপে যায় এবং রতন সেখান থেকে চলে যায়।
এরপর দেখা যায় মাস্টার বসে আছে তখন সেখানে কাজের মেয়ে মিনা আসে এবং মাস্টারকে বলে মাস্টার আপনি এখানে বসে আছেন আর মোড়ল বাড়িতে আগুন লেগে গেছে। একথা শুনে মাস্টার বলে আবার কিসের আগুন তাহলে তো ও ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দিতে হবে। তখন মিনা বলে রাখেন আপনার ফোন এ আগুন সে আগুন না তখন মাস্টার বলে আমার সাথে ফাজলামি করছো তুমি। এরপর মিনা বলে মোড়ল চাচা আর সুরুজ ভাইকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে। এরপর সেখানে সুলতানা চলে আসে এবং মিনা কে প্রশ্ন করে কি হয়েছেরে মিনা।তখন মিনা বলে সুরুজ ভাই ও মোড়ল চাচা কে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে রিমা আপা নাকি মামলা করেছে। তখন সুলতানা বলে আমি রিমাকে ওর জামাইয়ের হাতে তুলে দিয়েছি আব্বার নামে মামলা করার জন্য নাকি।এরপর সেখান থেকে এর সুলতানা বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে যাই। এরপরে দিকে দেখা যায় মোড়লের বউ ও তার বড় বৌমা রিমার শশুর বাড়িতে গেছে। তাদের দেখে রিমার শাশুড়ি বলে বিয়ান ঘরে আসেন তখন রিমার মা বলে খবরদার আমাকে বিয়ান বলবেন না। এরপর সোহাগ রিমা কে বলে তাদেরকে প্রশ্ন করো তারা কেন এই বাড়িতে এসেছে। তখন রিমার বড় ভাবি বলে ওঠে তোদের মত ফকিন্নির বাড়িতে আমি ইচ্ছা করে আসিনি। তখন রিমা বলে ভাবি মুখ সামলে কথা বল এটা তোমাদের মোড়ল বাড়ি না এটা আমার শ্বশুর বাড়ি। এরপর রিমার মা বলে তোর বাপের নামে মামলা করেছিস কেন। তখন রিমা বলে আমার বাবা অপরাধ করেছে তার জন্য আমি মামলা করেছি। তখন তার ভাবি বলে তার জন্য তুমি বাপের নামে মামলা করবা। তখন রিমা বলে দরকার হলে তাই করব। তখন রিমার মা বলে মামলা তুলে নে তুই কিন্তু রিমা কোনমতেই রাজি হয় না। তখন রিমার মা বলে তোকে মেয়ে বলতে আমার ঘেন্না লাগে। এরপর তারা সেখান থেকে চলে যায়। আবার এদিকে দেখা যায় সুলতানা বাড়ি এসে চিল্লায় সবাইকে ডাকতেছে এবং সেখানে সবাই চলে আসে আর জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে সুলতানা। তখন সুলতানা বলে আব্বাকে আর সুরুজ ভাইকে পুলিশ নাকি ধরে নিয়ে গেছে তখন তার ছোট মা বলে অন্যায় করেছে তাই পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। এ কথা শুনে অন্য বউরা বলে ছোটমা আপনার একটুও কষ্ট লাগতেছে না আপনার ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে তা। তখন সে বলে না আমার কষ্ট হচ্ছে না যে অন্যায় করবে তার সাজা প্রাপ্য। তখন সুলতানা বলে আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে ছোট আম্মা আমি নিজে ওর জামাইয়ের হাতে ওকে তুলে দিয়েছি তার প্রতিদান ও এটা দিল। এরপর তার ভাবীরা বলে কি বলো সুলতানা তুমি ওর জামাইয়ের হাতে তুলে দিয়েছো। এরপর লিমার ছোট আম্মা বলে খবরদার একথা কারো কাছে বলবা না সুলতানা তুই যেটা করেছিস একদম ঠিক কাজ করেছিস। এরপর তারা সবাই যার যার ঘরে সে সে চলে যায়।
এদিকে দেখা যায় সুরুজ ও মোড়ল জেলের মধ্যে আছে। সুরুজ তারপর বড় আব্বাকে প্রশ্ন করে বড় আব্বা আপনার কি অনেক কষ্ট হচ্ছে। তখন মোড়ল বলে জেলখানার কষ্টের চাইতে মনের কষ্ট অনেক বড়। আমার মেয়ে আমাকে জেলখানায় দিয়েছে। তখন সুরুজ বলে একবার ছাড়া পাই তারপর আমি ওদের একটা কেউ ছাড়বো না সবাইকে দেখে নেব। একথা শুনে মোড়ল সাহেব বলে আমি আর তুই ছাড়া মোড়ল বাড়িতে তো সবাই মরা। তখন সুরুজ বলে না বড় আব্বা মোড়ল বাড়িতে সবাই আছে ওরা একটা ব্যবস্থা করবে। এরপর মোড়ল সাহেব মনের দুঃখে কান্না করতে লাগে।
এরপর দেখা যায় সোহানা ফোনে কথা বলছিল এরপর সেখানে তার ভাবি চলে আসে। সোহানার ভাবি তাকে প্রশ্ন করে কার সাথে কথা বলছিলে তখন বলে আপনার ভাইয়ের সাথে। তখন যে মা প্রশ্ন করে রতন কি বলল তখন সোহানা বলে ইমারজেন্সি দেখা করতে বলছে। তখন রিমা বলে আচ্ছা যাও সাবধানে দেখা করে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে আসবে। তখন সোহানা বলে বলেছে আজ দেখা করতে পারব না কাল দেখা করব। তখন রিমা বলে ও আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে বাড়িতে চলো।এরপর দেখা যায় মোড়লের ছোট ভাই মোড়ল বাড়ির সব ছেলেকে ডেকে এক জায়গায় করে। এরপর রতন প্রশ্ন করে ছোট আব্বা আমাদের কেন ডেকেছেন। এরপর তার ছোট আব্বা বলে তোমরা কে কি পদক্ষেপ নিয়েছো তখন রতন বাদে অন্য ছেলেরা বলে চলো আমরা একসাথে থানায় যাই। তখন রতন বলে ওঠে অন্যায় করেছে কিছুদিন জেল খাটুক এত তাড়াহুড়ার কি আছে। এরপর রতনের এক ভাই বলে ওঠে তোর এক চড় দিয়া সবগুলো দাঁত ফেলে দিব। এরপর আরেক ভাই প্রশ্ন করে আব্বা থানায় রয়েছে তোর কি একটুও কষ্ট লাগছে না। এরপর মাস্টার বলে ওঠে মা মেরে জরিমানা করলে ভালো হতো না। তখন মোড়ল ছোট ভাই বলে একদম ঠিক কথা বলেছ মাস্টার। রতনকে ১০০০ টাকা জরিমানা করো মাস্টার। আর তোমরা সবাই এখন থেকে আমাকে মোড়ল বলে মান্য করবে যতদিন পর্যন্ত বড় ভাই বাড়িতে না ফেরে।এরপর রতন বলে গাই মানে না আপনে মোড়ল। এরপর সেখান থেকে সবাই যার যার ঘরে চলে যাই। এবং নাটকটি আগামী পর্বে দেখিয়ে দেই। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। পরবর্তী পর্ব খুব শীঘ্রই আমি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করব।
পোস্টের ধরন | নাটক রিভিউ |
---|---|
নাটকের নাম | ধনী গরিবের লড়াই-২৯ তম পর্ব |
পরিচালক | সুলাইমান। |
অভিনয়ে | ইফতি,জান্নাতুল মাওয়া, রাফি ইসলাম সৌরভ, মায়া মিম, জাহাঙ্গীর কবির ও আরও অনেকেই। |
দৈর্ঘ | ২১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড |
মুক্তির সময় | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ |
এরপর নাটকটি শেষ হয়ে যায়.............
পোস্টের বিষয় | নাটক রিভিউ |
---|---|
পোস্টকারী | তানহা তানজিল তরসা |
ডিভাইস | রেডমি নোট ১১ |
লোকেশন | পাবনা |

https://x.com/TanhaT8250/status/1907422001125265910?t=N9aZq90t9Xl2ANQ6rNKp1A&s=19

Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟
দারুন লাগলো তো এই নাটকটার রিভিউ। ঈগল টিমের নাটকগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে দেখতে। তাদের অভিনয় অনেক দারুন হয়ে থাকে। এই নাটকটা অসম্ভব ভালো লেগেছে কিন্তু আমার কাছে। এই নাটকের কাহিনী একটু বেশি সুন্দর। এই নাটকটা দেখা না হলেও রিভিউ পড়ে কাহিনীটা জেনে নিতে পারলাম। আর আমি নাটকটা দেখার জন্য ও চেষ্টা করবো। খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন পুরোটা।
নাটক রিভিউ পড়ে ভালো লাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই ভালো থাকবেন।