মোবাইলের কাভার কেনার অনুভূতি
আজ - শনিবার
হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদের কে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আজকে আমি আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি গাংনী বাজারে কেনাকাটার মুহূর্তের বিশেষ অনুভূতি নিয়ে। আশা করবো এই পোস্টের মাধ্যমে বেশ কিছু জানার ও দেখার সুযোগ পাবেন।
'আমার বাংলা ব্লগ' কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট |
---|
হঠাৎ করে জানতে পারলাম আমার ঢাকার খালাতো তিনটা ভাই গাংনীতে এসে উপস্থিত। তাদের ঢাকাতে যেমন বাড়ি রয়েছে। কেমন গাংনীতেও নিজেদের বাসা বাড়ি রয়েছে। বাসা বাড়ির বিশেষ কোনো কাজের জন্য তারা সবাই কালকে এসেছে এখানে। আজকে যখন জানতে পারলাম। পারিবারিক বিভিন্ন ব্যস্ততার মধ্য থেকে তাদের কাছে যে উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করলাম সন্ধ্যাকালীন মুহূর্তে। খালাতো ভাই হঠাৎ জানানো ভাইয়া আজকে রাত দশটার দিকে চলে যেতে পারি। সকাল থেকে বেশ অনুরোধ করেছিল দেখা করার জন্য। কিন্তু সময় দিতে পারি নাই সন্ধ্যার সময় উপস্থিত হলাম তাদের বাসায়। এরপর বিভিন্ন কথা আনন্দ ঘোরাঘুরি বাজারের দিকে আসা এসে ভাবে সময় পার করতে থাকলাম। এরপর জানতে পারলাম এখনো তারা ঢাকায় ফিরে যাওয়ার জন্য টিকিট কাটেনি কাটতে যাবে। কিন্তু আমার উপস্থিতিতে তাদের আরো দেরি হয়ে যাচ্ছে। বুঝতে পারছেন হুট করে বাসের টিকিট যদি কাটতে যায় তাহলে ভালো সিট পাওয়া সম্ভব না থাকে না। তাই আমি আর আমার খালাতো মেজ ভাইটা, আমার বাংলা ব্লগের ইউজার হেলাল মোটরসাইকেলে করে বাজারের দিকে চলে গেলাম। সে হঠাৎ বলল ভাইয়া আমার টাকা উঠানোর প্রয়োজন। তাই এদিক সেদিকে তাকিয়ে খুঁজতে থাকলাম কোথায় এটিএম বুথ রয়েছে। এরপর ডাচ বাংলা ব্যাংক দেখতে পারলাম। তাকে সেখানে নিয়ে গেলাম এবং সে সেখান থেকে টাকা উঠালো। এরপর হঠাৎ বলল তার ছোট ভাইটার মোবাইলের কাভার প্রয়োজন। কারণ তারা বড় দুই ভাই তো আজ রাতে চলে যাবে। ছোট ভাইটার মোবাইলের কভার নিজেরা কিনে না দিয়ে গেলে কে কিনে দিবে। তাই কিছুটা সময়ের জন্য আমরা বেশ কিছু মোবাইলের দোকানে উপস্থিত হলাম। বুঝতে পারছেন যে এক বছরের পুরাতন মোবাইল হলে সহজে কাভার খুজে পাওয়া যায় না।
Photography device:Infinix hot 11s
Location
গাংনী বাজারের সুপরিচিত মোবাইলের ঘর মোবাইল গার্ডেন এ নিয়ে গেলাম। সেখানে বেশ খোঁজাখুঁজির পর জ্যাকপট বা কাভার পালাম ঠিকই কিন্তু পছন্দের মত হলো না। এরপর আমরা সোজাসুজি চলে আসলাম নেট ফাস্ট নামক মোবাইলের ঘরে। সেখানে মোটরসাইকেল রাখার জায়গায় আরো একটি নাম না জানা মোবাইলের ঘর রয়েছে। ফাস্টে সেখানে আবার খুঁজতে থাকলাম। কিন্তু মডেল অনুসারে কাভার পেলাম না। এরপর নেটফাস্টের দ্বিতীয় অফিসে উপস্থিত হলাম। সেখানে উপস্থিত হয়ে কাভার দেখতে পারলাম। যখন জানতে পারলাম হ্যাঁ এই মডেলের কাভার এই দোকানে পাওয়া যাবে তখন বেশ ভালো লাগলো, কারণ বেশ দ্রুত গাংনীতে এসেছি ১০/ ১২ কিলো পথ অতিক্রম করে। আমরা সেখানে উপস্থিত হয়েছি আর বাজারে বিভিন্ন প্রয়োজনে। এছাড়াও আমার প্রয়োজন তো রয়েছে আরো। যাই হোক দোকানের ছেলেরা কাভার দিতে থাকলো। এদিকে হেলাল তার মত পছন্দ করতে থাকলো। এক পর্যায়ে একটি কাভার পছন্দ হয়ে গেল এরপর ১২০ টাকা কাভারের মূল্য দিয়ে আমরা বের হয়ে পড়লাম। এদিকে বাসের টিকিট কাটা হয়ে গেছে রাত সাড়ে দশটার এসবি কাউন্টার থেকে। তাই হেলালকে আবার রেখে আসলাম তাদের বাসাতে। এরপর হালকা খাওয়া-দাওয়া অনেক বিষয়ে আলোচনা শেষ করে আমিও বিদায় হলাম বাড়িতে আসার জন্য এবং বলে আসলাম তারা যেন সাবধানে ঢাকার বাসাতে পৌঁছায় সেভাবে চলে।
Photography device:Infinix hot 11s
Location
এরপর আমি বাজারের দিকে এসে বিকাশের ঘর থেকে টাকা উঠালাম। এরপর আমি আমার প্রয়োজন মত বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করলাম। বেশ ভালো লাগছিল গাঙ্গুলী বাজারে প্রচুর মানুষের উপস্থিতি। একদিকে রাস্তার কাজ চলছে। চার লেনের রাস্তার কাজ চলছে, বুঝতে পারছেন ছোট্ট এই শহরে নতুন রাস্তা হওয়ার কারণে মানুষের বেচাকেনা আসা-যাওয়া অনেক বেড়ে গেছে এদিকে আবার পূজার জন্য অনেক মেলা বসেছে। আজকে আবার ছিল গাংনী বাজারের বা হার্টের দিন। এই জন্য অনেক জনাকীর্ণ অবস্থা দেখলাম। আমার কেনাকাটা শেষ করে বাড়ি আসার মুহূর্তে লক্ষ্য করে দেখলাম প্রচুর মানুষের উপস্থিতি। আর এভাবে একটা মুহূর্তে কেনাকাটা শেষ করে প্রাণের প্রিয় ছোট্ট শহরটা ছেড়ে বাড়ির দিকে চলে আসলাম।
Photography device:Infinix hot 11s
Location
এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
পোস্ট বিবরণ
ব্লগার | sumon09 |
---|---|
ফটোগ্রাফি ডিভাইস | Infinix Hot 11s |
What3words Location | Gangni-Meherpur |
ক্যামেরা | 50mp |
দেশ | বাংলাদেশ |
পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |
---|
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
গাংনি বাজারে হাটের দিনে একটু ভিড় থাকে ভাইয়া ।আপনার মোবাইলের কভারটা অনেক সুন্দর হয়েছে ভাইয়া। দেখতে অনেক চমৎকার লাগছে। ধন্যবাদ ভাইয়া মোবাইলের কভার কেনার অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
এক কভার টা অনেক সুন্দর
বেশ অনেক অনেক ভালো লাগলো আপনার আজকের এই মোবাইলের কাভার কেনার অনুভূতি দেখে। খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন বিস্তারিত। যেখানে খালাম্মারা ঢাকা থেকে গাংনীতে এসেছে। আবার তাদের দুই ছেলে ঢাকাতে চলে যাবে তাই টিকিট কাটবে এতে আপনি সহায়তা করেছেন। পাশাপাশি মোবাইলের কাভার কেনার সহায়তা করেছেন দেখে ভালো লাগলো।
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
আপনার কভার কেনার অনুভূতি পড়ে অনেক ভালো লাগলো। আসলে ভাইয়া কভার সহজে পাওয়া যায় না। আপনি ঠিক বলেছেন ১ বছরের ওপরে হলে পাওয়া মুশকিল। যাইহোক আপনি অবশেষে পেয়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে অনুভূতি পড়ে অনেক ভালো লাগলো।
হ্যাঁ এক বছর পার হলে ঝামেলা
হেলাল ভাইয়ের সাথে আপনি মোবাইলের কাভার কিনতে গিয়েছিলেন দেখে ভালো লাগলো। কাভারটি সত্যি অনেক সুন্দর হয়েছে। আর মোবাইল কাভারটি কেনার অনুভূতি সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো।
হ্যাঁ হেলাল কিন্তু ভেরিফাইড হয়ে গেছে। এখন থেকে তাদের দেখতে পারবেন নিয়মিত
আপনার খালাতো ভাইয়ের সাথে খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটালেন এবং কেনাকাটা করলেন। বিশেষ করে মোবাইলের কভারটি আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এই মোবাইলের কভারটি ব্যবহার করে অনেক আরাম পাবে দেখে বুঝা যাচ্ছে।
কভারটা পছন্দ হওয়ার জন্য ধন্যবাদ
মডেল অনুসারে মোবাইলের কভার পাওয়া বেশ মুশকিল।আর যদিও পাওয়া যায় তবে তা পছন্দসই হয় না।তারপরও আপনার মোবাইলের কভারটি সুন্দর হয়েছে।তাছাড়া আপনি আপনার খালাতো ভাইদের সঙ্গে দেখা করেছেন জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ ভাইয়া।
এটা কিন্তু আপনি ঠিক বলেছেন
প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কিনতে খুবই ভালো লাগে। কিন্তু যদি চাহিদা অনুযায়ী জিনিস যখন পাওয়া যায় না তখন বেশ কষ্ট লাগে। অবশেষে হেলাল ভাই ছোট ভাইয়ের জন্য পছন্দমত কভার কিনেছেন জেনে ভালো লাগলো।আর খুব সুন্দর ভাবে কভার কেনার অনুভূতি গুলো শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
একটু হয়রানির শিকার হতে হয়
ভাইয়া আপনার মোবাইলের কাভার কেনার অনুভূতি পড়ে খুবই ভালো লেগেছে। আসলে কাভার মোবাইলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিষ। এটা থাকলে অনেক সময় মোবাইল নষ্ট থেকে রক্ষা পায়। ধন্যবাদ।
একদম ঠিক বলেছেন আপনি।