শুরু হয়ে গেল গার্ডেন পরিচর্যার কাজ
বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভাল আছি।
প্রায় টানা ৫/৬ মাস পর গার্ডেনে আজ ঘাস কাটা হলো।শীতের সময় নরমালি গার্ডেনে যাওয়া হয় না তাই সবার গার্ডেনই এসময় মরার মত পড়ে থাকে।এছাড়া শীতের সময় দিন খুবই ছোট থাকে যে গার্ডেনে যাওয়ার সময়ও থাকে না।আর প্রচন্ড ঠান্ডায় কেও গার্ডেনে যায়না তাই গার্ডেন এর পরিচর্যার কাজও কেউ করে না এ সময়ে।যেহেতু তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে রয়েছে তাই সকলে এ সময় যার যার গার্ডেনের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত।এছাড়া খুব সুন্দর ঝলমলে রোদ ছিল আজকের দিনটিতে।ঘাসগুলো অনেক বড় হয়ে গিয়েছিল। আমাদের গার্ডেনটি অনেক বড় তাই সকাল বেলা নাস্তা করেই দুজন মিলে দুটি মেশিন নিয়ে ঘাস কেটে ফেলেছি।এ দেশের সকলেই তাদের গার্ডেনের ঘাস কেটে সুন্দর পরিপাটি করে রাখে, কারও গার্ডেনই এলোমেলো থাকে না।
প্রতিবছরই আমরা নানান ধরনের ফলমূল ও শাকসবজির বীজ বপন করে চারা উৎপন্ন করে থাকি, কিন্তু এবছর তা আর করা হয়নি কারণ হাজব্যান্ড অসুস্থ ছিল। এখন বেশ ভালো আছে। আজকে তার লাস্ট ড্রেসিং চেঞ্জ হয়েছে।এখন থেকে আর ড্রেসিং চেঞ্জ করতে হবে না। টানা দেড় মাসের উপরে প্রতিদিন তার ড্রেসিং চেঞ্জ করতে হয়েছে হসপিটালে গিয়ে।যাইহোক যেহেতু এ বছর কোন চারা তৈরি হয়নি তাই শুধু ফুল দিয়েই গার্ডেন সাজাবো ।এ ছাড়া আপেল, পিয়ার, আঙ্গুর, চেরি ও ফিগ গাছ তো রয়েছেই গার্ডেনে।এ সকল গাছগুলো সারা বছরই বেঁচে থাকে কিন্তু শীতের সময় মরার মত করে পড়ে থাকে। আর যখন সামার আসে তখন ধীরে ধীরে গাছগুলো জেগে ওঠার চেষ্টা করে। এখন প্রতিটি গাছেই ছোট ছোট কুঁড়ি এসে গিয়েছে।একটু বড় হলেই সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব।আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন আমার বাগানে নানান ধরনের ফুলের গাছ ছিল।শুধুমাত্র গোলাপ, হাইড্রেনজিয়া সহ আরও দু' একটি ফুলের গাছ ছাড়া প্রায় সব গাছই এখন মৃত।কারণ তারা ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না।
দেখতে পাচ্ছেন কত বড় বড় ঘাস হয়েছে।
যাইহোক টানা দুই ঘন্টা আমি আর আমার হাজব্যান্ড গার্ডেন পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত ছিলাম।গার্ডেন খুবই এলোমেলো ছিল, প্রায় ৫-৬ মাস গার্ডেনে যাওয়া হয়নি। তাই ঘাস কাটার পাশাপাশি সেগুলো গোছগাছ করার কাজেও অনেকটা সময় দিতে হয়েছে।আরও দুই তিন দিন সময় দিলে একেবারে পরিপাটি হয়ে যাবে।এখন দিন বড় হচ্ছে তাই যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে গার্ডেনে সময় কাটানোর।তাই গার্ডেন যদি সাজানো গোছানো না থাকে তাহলে সেখানে যেতে ভালো লাগবেনা।যাইহোক আজ তাহলে এতোটুকুই।
Photographer | @tangera |
---|---|
Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ঠান্ডার সময়টাতে এমনিতেই কোন কাজ করতে ইচ্ছে করেনা।আর বাইরে গিয়ে বাগানের পরিচর্যা করা আরো বেশী কঠিন কাজ।এখন ওয়েদার ভালো তাই কাজ করার আগ্রহ হতেই পারে।আর যেহেতু ভাইয়া এখন সুস্থ তাই দুজন মিলে কাজ করতে আনন্দ নিয়েই করা যাবে।দুজন মিলে দুই ঘন্টা সময় ব্যয় করে বাগান পরিচর্যার কাজ করলেন।আশাকরা যায় সামনের দিনগুলোতে অনেক অনেক ফুলের সমাহার আপনার গার্ডেনে দেখতে পাবো।ধন্যবাদ আপু অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
বিদেশের এই বাগান বা ইয়ার্ড ব্যাপারটা আমার খুবই ভালো লাগে।। প্রতিটা ঘরের পেছনে এরকম একটা বাগান থাকে আমি যখন আমেরিকাতে ছিলাম আমার বাড়ির পেছনেও ছিল। আর সেখানে গরম কাল রাতে বিশেষ করে টুকটাক সবজি বা ফুল ইত্যাদি লাগানো যায়। আপনার বাগানটা তো বেশ বড় দেখছি বাচ্চাদের খেলার সরঞ্জামও রয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই আপনি সাজিয়ে নেবেন এবং সাজানোর পর সেই দৃশ্যাও দেখতে পাবো।
আসলেই গার্ডেন যদি সাজানো গোছানো থাকে,তাহলে কিন্তু নিজের কাছেই খুব ভালো লাগে। যাইহোক আপনি এবং ভাইয়া গার্ডেন পরিচর্যার কাজে বেশ ভালোই ব্যস্ত ছিলেন দেখছি। বেশ ভালো লাগলো পোস্টটি দেখে। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।