খালামনির বাড়িতে ঘুরতে যাওয়ার কিছু মহূর্ত
আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। সুস্থ আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজ আমি প্রতিদিনকার মতো নতুন একটি পোস্ট আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আমার খালা বাড়িতে মাছ ধরার কিছু মূহুর্ত।
আমার গত কিছু দিনের পোস্ট যারা দেখেছেন তারা জানেন আমি কিছুদিন আগে গাইবান্ধা আমার বাবার বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে যাওয়ার পরের দিনে আমি আমার মেজো খালার বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। আমার দুজন খালামনি। তার মধ্যে যে বড় তার বাসায় গিয়েছিলাম। বিভিন্ন কারণে আমার এই খালার বাসায় অনেকদিন যাওয়া হয় না। এবার আগে থেকে প্ল্যান করে গিয়েছিলাম যে খালামনির বাসায় যাব। খালামনির বাসায় বেড়াতে যাওয়ার আরো একটি কারণ ছিল হচ্ছে মাছ ধরা দেখার সখ আমার মেয়ের অনেক দিনের
সে পানি মাছ ধরা দেখতে খুব পছন্দ করে।খালা মনির বাসায় ছোট একটি পুকুর আছে। সেই পুকুরে বেশ মাছ জমেছে এখন সে পুকুরের পানি কমে গেছে এজন্য মাছ ধরার প্রস্তুতি চলছে। তো আমি বলেছিলাম আমি যাওয়ার পরে যেন ধরে এতে করে আমার মেয়েও দেখতে পারবে আর আমারও ভালো লাগবে ঘুরে আসতে।
আমি আমার মেয়ে আমার ছোট ভাই বাইকে করে সকালের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বেরিয়ে খালামণির বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। আমার ছেলে আর আমার মা পরে আসবে। সবার তো একসাথে বাইকে জায়গা হবেনা।খালামনির বাসায় গিয়ে দেখি পানি মেশিন ও পাইপ দিয়ে পানি অন্য জমিতে ফেলে দিচ্ছে। পানি কমেএসেছে তখন মাছগুলো লাফাচ্ছিল আর মেয়ে আরো জোরে লাফ দিচ্ছল। ওর খুশি দেখে কে। খালামনির আমাদের জন্য অনেক কিছু রান্না করে রেখেছে। যেগুলো দেখে খুব ভালো লাচ্ছিল। খালামণির পায়ের রান্না করেছে গাছের টাকা বড়ই পেরে রেখেছে জিলাপি মিষ্টি আরো অনেক কিছু খাওয়ার সময় এগুলোর ছবি তুলতে ভুলে গেছি।
কাদার মধ্যে থেকে মাছ ধরার পালা এবার।অনেক ধরনের মাছ একসাথে উঠছিল। শিং মাছ টেংরা মাছ পুটি মাছ টাকি মাছ শোল মাছ।মনে হচ্ছিল কতদিন পরে যেন এসব দেশি মাছ দেখছি। বাজারে চাষের মাছ দেখতে দেখতে এসব মাছ আর দেখে কি যে ভালো লাগছিল বলে বোঝাতে পারবো না। একদিকে মাছ নিয়ে আবার কিছু মাছ কেটে নিয়েছিল।যাতে মাছগুলো নষ্ট না হয়ে যায় দুপুর পর্যন্ত মাছ ধরা হয়।এরপর আমরা খাওয়া দাওয়া শেষ করি। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ রেস্ট নিয়ে খালামনির বাড়িতে চারপাশটা ঘুরে
তারাতাড়ি চলে এসেছি। কারণ আমার ছেলে ছোট সন্ধ্যার আগে বাসায় ফিরতে হবে। তা না হলে ঠান্ডা লেগে যাবে।
সারাদিনটা খুব ভালো কেটেছে।আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি।ধন্যবাদ সবাইকে।
আসলে আপু ব্যস্ততার কারণে সব সময় যাবার ইচ্ছে থাকলে হয়তো যাওয়া হয়ে ওঠেনা। আর বাচ্চারা এখন মাছ ধরা তেমন দেখেই না। আপনি অনেক ভালো করেছেন মেয়েকে মাছ ধরা দেখাতে নিয়ে গেছেন। সত্যি বাচ্চাদের সব বিষয়ে সম্পর্কে পরিচিত হওয়া দরকার। ধন্যবাদ আপু সুন্দর কাটানো মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমি চেষ্টা করি তাদেরকে সব রকম আনন্দ দেওয়ার। যাতে ওরা কোন আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়। অনেক ধন্যবাদ আপু।
খালার বাড়ীতে যাওয়া নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট দিয়েছে আপু। বেশ আনন্দ করেছেন খালার বাড়িতে। বিশেষ করে পুকুর সেচে কাদায় মাছ ধরার দৃশ্য অনেক সুন্দর। ছোট বেলায় দেখেছি অনেক। এখন আর দেখা হয়না!! পোস্টের ছবি গুলো সুন্দর হয়েছে। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আমিও এই দৃশ্যগুলো ছোটবেলায় দেখেছি বড় হয়ে দেখতে পারিনা জন্যই এবার প্ল্যান করে গিয়েছিলাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি আপনার খালামনির বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন জেনে অনেক ভালো লাগলো। আর আপনার সন্তানদের দেখেও অনেক ভালো লাগলো। পিচ্চিটা তো অনেক বড় হয়ে গেছে। অনেক অনেক শুভকামনা রইল সবার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপু ওদের জন্য দোয়া করবেন যাতে ওরা সুস্থ থাকে ভালো থাকে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
আপনার ছবিগুলোই বলে দেয় গ্রামীণ পরিবেশ কতটা সুন্দর। যেখানে স্মৃতি মাখা প্রতিটা মানুষের জীবনের অনেক অতীত পড়ে আছে । এভাবে পুকুর সেচে মাছ ধরার মুহূর্তটা খুবই মিস করি। ছোট্ট বেলার এই মাছ ধরার অনুভূতিগুলো যেটা সেরা। বিভিন্ন ধরনের দেশি মাছগুলো মাছ যেগুলো ধরতে অনেক পছন্দ করতাম ভালো লাগলো দেখে।
বোঝাই যাচ্ছে অনেকদিন পরে খালামনির বাসায় গিয়ে দারুন একটা মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। মাঝে মাঝে আমি মনে করি আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে ঘোরাঘুরি করা উচিত এতে করে আত্মীয়তার বন্ধন আরো বেশি সুন্দর হয় আর যেহেতু আপনার খালামণি সেহেতু আর কোন কথাই নেই। যাইহোক খালামনির বাসায় গিয়ে মাছ ধরা দেখেছেন এবং সেই সময়টা সুন্দরভাবে অতিবাহিত করার চেষ্টা করেছেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে চমৎকারভাবে আপনার অনুভূতি তুলে ধরার জন্য।