অনেকদিন পর নানির বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে আড্ডা দেওয়ার অনুভূতি।
প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন বন্ধুরা,
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো সত্য আমি ইফতারের সময় যেতে পারিনি। কিন্তু আমি আমার ডিউটি শেষ করে বাড়ি না গিয়ে নানির বাড়িতে গিয়েছিলাম। এবং এই অল্প সময়ে বেশ মজা করেছিলাম। আর আজকে সেই অনুভূতিটাই মূলত আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। তো চলুন এবারে মূল বিষয়ে আসা যাক।
গতকাল রাতে আমার মামাতো ভাই ফোন দেয় যে আমাকে নিতে আসবে কিনা। তো আমি তাকে বলি অবশ্যই সময় মত চলে আসবি। আসলে আমার নানি বাড়ি আমার দোকান থেকে খুবই কাছে কিন্তু রাতে গাড়ি পাওয়া যায় না যার কারণে ঝামেলা হয়। তো কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখলাম সাজিদ চলে আসলো আমাকে নিতে। তারপর দুজনে মিলে চলে গেলাম নানির বাড়ির উদ্দেশ্যে। তো নানীর বাড়িতে গিয়ে প্রথমে একটু দেখা সাক্ষাৎ করে দেখলাম নামাজের সময় হয়ে গিয়েছে। তাই আমি আমার খালাতো ভাই এবং মামাতো ভাই তিনজন মিলে চলে গেলাম নামাজ পড়তে। তো নামাজ শেষ করে এসে বসে পরলাম সবার সাথে। তো প্রথমে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে নিলাম এরপর শুরু করলাম সবাই মিলে ইচ্ছামত আড্ডা দেওয়া।
সত্যি বলতে অনেক দিন পর এভাবে সবার সাথে বসে গল্প করতে বেশ ভালই লাগছিল। যদিও বা সবাই ছিল না তারপরও যত জন ছিলাম বেশ ভালো সময় পার করেছিলাম। গতকাল রাতে আড্ডা দিতে দিতে আমাদের প্রায় ১:৩০ বেজে গিয়েছিল। আসলে কি আড্ডা দিয়েছিলাম সেটা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না তবে সবাই যে যার মত এটা সেটা বলছিলাম পুরনো স্মৃতি মনে করছিলাম এছাড়া অনেক কিছুই ছিল আমাদের আড্ডার মাঝে। তো এত রাত হয়ে যাওয়ার পরেও যেন আড্ডা শেষ হচ্ছিল না তবে যেহেতু সাহরি খেতে উঠতে হবে তাই একপর্যায়ে সবাই ঘুমাতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।
তারপর যা হয়েছিল আমরা মোটামুটি অনেকেই সাহরীর যখন ২০ মিনিট বাকি আছে তখন ঘুম থেকে উঠেছিলাম। খেতে তো খুব একটা টাইম লাগে না কিন্তু যেহেতু আমরা প্রায় ১০-১৫ জন ছিলাম তাই একটু ঝামেলা হয়েছিল। তারপরে আমরা যে যার মত একবার ভাত নিচ্ছিলাম তো একবার তরকারি নিচ্ছিলাম। তো এভাবেই আমরা সময় শেষ হওয়ার দুই এক মিনিট আগে সবাই সাহরী খাওয়া কমপ্লিট করে নিয়েছিলাম। এরপর ফজরের নামাজ আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আর আবার সকাল নয়টার সময় ঘুম থেকে উঠে কোনরকম রেডি হয়ে চলে আসলাম কাজে।
তো প্রিয় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির ভাই বোন বন্ধুরা, এই ছিল আমার আজকের পোস্ট। আসলে গতকালকের অনুভূতিগুলো ভাষায় প্রকাশ করার মতো না তাই জানিনা কতটুকু আপনাদের মাঝে প্রকাশ করতে পেরেছি। তবে সত্যি বলতে অনেক দিন পরে সবাই মিলে আড্ডা এবং খাওয়া দাওয়া সব মিলিয়ে বেশ দারুন কিছু সময় কাটিয়েছিলাম। আল্লাহ ভালো জানে আবার কবে এরকম সময় উপভোগ করতে পারবো। তো আজকের মত এটুকুই । আবারো খুব শীঘ্রই নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে ইনশা-আল্লাহ। ততক্ষণ সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের খেয়াল রাখবেন।
আসলে নানার বাড়িতে গেলে সবার ক্ষেত্রেই এরকম মজার সময় পার করা হয়। মামাতো ভাই-বোনেরা সবাই একসাথে বসে গল্প করতে করতে কখন যেন রাত শেষ হয়ে যায় কিছু বোঝা যায় না। আপনার নানা বাড়িতে গিয়ে কাটানো কিছু সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
ধন্যবাদ ভাই আপনাকে সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।
যেতে যদিও মন চায়
নানা নাই নানি নাই।
তারপরেও যাওয়া হয়
বিশেষ কোনো চিন্তায়।
আমিও গিয়েছিলাম ভাই
চিরচেনা নানার ভিটায়।
তেমনি সুন্দর এক অনুভূতির
আজ আপনি শেয়ার করেছেন ভাই।
ধন্যবাদ সুমন ভাই আপনাকে ছন্দে ছন্দে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
ভাই, আপনার নানি বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পোস্ট পড়তে পড়তে, আমি আমার নানি বাড়িতে কাটানো সময় বড্ড মিস করছিলাম। যখন আমরা ছোট ছিলাম, তখন আমার মা ঈদ আসলেই, ঈদ উপলক্ষে আমার নানি বাড়িতে বেড়াতে যেত। আর সেই সময়ে আমরা নানি বাড়িতে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছিলাম। যা এখন সুন্দর স্মৃতি হয়ে রয়েছে। তবে এখন আর নানা নানী না থাকার কারণে তেমন একটা যাওয়া হয় না। হঠাৎ আপনার পোস্ট পড়তে গিয়ে পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই, নানি বাড়িতে গিয়ে সুন্দর সময় কাটানোর অনুভূতিটুকু শেয়ার করার জন্য।
আসলে ভাই এই অনুভূতিটা বলে বোঝাবার মত নয়।
আসলে নানির বাড়ি মানে মধুর হাড়ি। আর নানি বাড়িতে গিয়ে সকল আপন মানুষদের সাথে আড্ডা দেওয়ার মজাই আলাদা। খুবই ভালো লাগলো তোমার পোস্টটি পড়ে। আমি আশা করি নানিবাড়ির সকল আপন মানুষের সাথে তোমার সম্পর্ক যেন এরকমই সবসময়ের জন্য মধুর থাকে।
ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।