ঈদে মেহেদী পড়ার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
ঈদে মেহেদী পড়ার অনুভূতি
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা অনুভূতি মূলক পোস্ট নিয়ে। আজ কয়েক দিন অনেক ব্যস্ত। আসলে ঈদে বেশির ভাগ সময় কাটে মেয়েদের রান্না ঘরে।আর বাড়িতে মেহমান থাকলে আসলে বের হওয়া মুশকিল। আর আমরা শতব্যস্ত থাকি না কেন মেহেদী না পড়লে ভালো লাগে না। যদিও এখন তেমন হাতে মেহেদী পড়া হয় না।আসলে সময় থাকলেও মেহেদী পড়ি না।সত্যি বলতে আগে অনেক মেহেদী পড়তাম। কিন্তু এখন তেমন পড়া হয় না। আসলে কাজ করলে হাতে মেহেদী থাকে না তারজন্য আর পড়া হয় না। তবে ঈদের সময় একটু না পড়লে ভালো লাগে না। তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
ঈদের আগের দিন থেকে আমাদের সবার মেহেদী পড়া শুরু হয়েছে। যদি ও ঈদে আগের দিন মেহেদী পড়তে পারিনি।তবে বাচ্চারা মেহেদী পড়েছে।এভাবে ঈদের আগের রাত তিনটা পর্যন্ত মেহেদী পড়া চলছে।আসলে কোন কাজ থাকলে তারাতাড়ি ঘুম চলে আসে কিন্তু সবাই মিলে এক সাথে এভাবে মেহেদী পড়লে কখন যে রাত অনেক হয়ে যায় বুঝা মুশকিল। যাইহোক আমরা সবাই মিলে রাতে বসে বসে গল্প পাশাপাশি রান্নার কিছু গুছিয়ে রাখা ইত্যাদি করতে লাগলাম। তবে এবার আর মেহেদী দেওয়া নিয়ে তেমন ঝামেলা হয়নি। আসলে এবার দুই জন লোক ছিল মেহেদী দেওয়ার জন্য।
প্রথমে বাচ্চাদের দেওয়া শেষ হলে তারপর আমরা শুরু করলাম। আসলে ঈদের আগের রাত মনে হয় সবারই আমাদের মতো কাটে। তবে এবার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছিল বাইরে লাইটিং করা ছিল আর আমরা সবাই উঠানে বসে মেহেদী পড়ছিলাম। আবার মেহেদী গুলো অনেক সুন্দর ছিল। আবার কয়েকটি মেহেদী ভালো ছিল না। আসলে হাতের ডিজাইনটা এবার অনেক ভালো হয়েছে। সবাই অনেক সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের মেহেদী পড়েছি।
আমরা পরিবারের সবাই মিলে এভাবে দুই হাত ভরে মেহেদী পড়েছি।মেহেদী পড়ার পড়ে সত্যি চোখ ফিরানো মুশকিল। সিম্পল হলেও ডিজাইন গুলো অনেক ভালো লেগেছিল।এবার মেহেদী পড়ে সবাই অনেক খুশি।
আমরা সবাই একেক জন একেক রকমের মেহেদী ডিজাইন করেছি।মেহেদী পড়ার পরে বাচ্চারা অনেক খুশি। শুধু বাচ্চারা নয় আমাদের কাছে ও অনেক ভালো লেগেছিল। এভাবে মাঝে মাঝে মেহেদী পড়তে অনেক ভালো লাগে। নিশ্চয় সবাই আমাদের মতো মেহেদী পড়েছে।আর এমন করে সবাই মিলে ঈদে মেহেদী পড়ার আনন্দ অন রকম। আর এই অনুভূতি বলে শেষ করা যায় না।
প্রয়োজনীয় | উপকরণ |
---|---|
ফটোগ্রাফার | @parul19 |
ডিভাইস | redmi note 12 |
লোকেসন | ফরিদপুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1907084730995999177?t=fpFApUFLqp0qQtFggcB8KA&s=19
মাঝে মাঝে মেহেদি পড়তে আসলেই ভালো লাগে। চাঁদ রাতে আপনারা বেশ মজা করে মেহেদি পড়েছেন দেখছি । সবাই মিলে একসাথে বসে মেহেদী পড়ার মজাই আলাদা। আর ঈদের আনন্দের সাথে সে আনন্দ যেন দেখুন। চমৎকারভাবে অনুভূতিটি শেয়ার করলেন আপু। অনুভূতি পড়ে ভালো লাগলো।
ঈদের আগের দিন মেহেদি পড়ার ধুম পড়ে যায় চারদিকে। সবাই তাদের ইচ্ছামত মেহেদী দিয়ে হাতের উপর আর্ট করে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। সবাই খুব সুন্দরভাবে হাতে মেহেদি দিয়েছে। প্রতিটি ডিজাইন ভিন্ন ভিন্ন আর অনেক সুন্দর। ঈদে মেহেদী পড়ার খুব সুন্দর অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপু।