ঈদ শপিং
24-03-2025
১০ চৈত্র , ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
🌼আসসালামুআলাইকুম সবাইকে🌼
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো ও সুস্থ্য আছেন। তো সুস্থ্য থাকাটাই হলো প্রধান বিষয়। দেখতে দেখতে পবিত্র মাহে রমাদান শেষের দিকে। আর শেষের দিকে যখন তখন মানুষজন ব্যস্ত কেনাকাটা নিয়ে। যেহেতু একটা মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আসে তখন সে ঈদটা সবাই ভালোভাবে কাটানোর চেষ্টা করে। কারণ পবিত্র মাহে রমজান মাসের পরে যে ঈদ সেটা আমরা মুসলিম জাতি একটুভালোভাবেই পালন করার চেষ্টা করি। তারপর আবার ঈদুল আযহা। তখন এতোটা কেনাকাটা করা হয়না। ছোটবেলা থেকেই ঈদুল ফিতরের ঈদ উদযাপনটা অন্যরকমের এক অনুভূতি কাজ করতো। তো ঈদের শেষ দশদিন আসলে কেনাকাটা বেশি হয়।
ইতোমধ্যে কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে। ছোটবেলায় ঈদ যতো ঘনিয়ে আসতো ততই জন্য মার্কেটের জন্য পাগল হয়ে যেতাম। নতুন শার্ট, নতুন প্যান্ট, নতুন জুতা কেনার জন্য কত বায়না ধরতাম বাবার কাছে। এখন মনে হচ্ছে বড় হয়ে গেছি। কিছু কেনার আগে দশবার ভাবী। আমি না কিনে বাবা মায়ের জন্য কেনা যায় কি না! পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে পারলেই মনে হয় জীবন এখন স্বার্থক। তবে এখনও জব করছি না। বলতে গেলে ছাত্রই আছি এখনও। আর ছাত্র থাকা অবস্থায় যা আয় করি তা দিয়েই চলার চেষ্টা করি। তবে এখনই ইচ্ছে করে আমার যখন অনেক টাকা হবে তখন বাবা মাকে অনেক মার্কেট করে দিবো!
এবারের ঈদে তেমন একটা প্লেন নেই। তবুও মেসের ছোট ভাইরা জোর করে ধরে নিয়ে যায় মার্কেটে। ডুয়েটিয়ান হওয়ার কারণে বলে ভাই কিছু কিনেন! আমার পকেটে টাকা না থাকলেও ওরা দিয়ে দেয়। পরে অবশ্য টাকা আমাকেই দিতে হয়। এবার ঈদে টুকটাক কেনাকাটা বলতে গেলে প্রায় হয়েই গেছে। যেহেতু রমাদান মাস পাঞ্জাবী না কিনলে হয় না। আর শার্ট প্যান্ট পরে ঈদ করার বয়সটাও মনে হয় শেষ হয়ে গিয়েছে। যেহেতু ঈদের বাজার সবকিছুর দাম এখন একটু বেশি। তবে এবারের ঈদের মার্কেটে ভোক্তারা অনেকটাই স্বস্তিতে আছে। কারণ বাজারে সিন্ডিকেট ঐভাবে মাথাছাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি। তবে মার্কেটে এখনও কাপড়চোপড় এর দাম বেশি!
কিছুদিন আগে দেখলাম ৫০০ টাকার পাঞ্জাবী বাজারে সেটা বাহিরের প্রডাক্ট বলে চালিয়ে দিয়ে ১০,০০০ টাকা করে বিক্রি করছে। মানে চিন্তা করেন কি একটা অবস্থা! কোথা থেকে কই দাম গেল! পবিত্র মাহে রমাদান উপলক্ষে ছেলেদের প্রধান আকর্ষণ হলো পাঞ্জাবী। তো শৈশবে আসলে পাঞ্জাবীর প্রতি এতো ইন্টারেস্ট থাকতো না! এখন এসবেই ইন্টারেস্ট বেশি। আর ছোটবেলায় বাবার সাথে শপিং করতে যেতাম। সারা মার্কেট ঘুরাতাম যতক্ষণ পর্যন্ত না মনের মতো শার্ট প্যান্ট পায়। আর বাবা না পেরে আমাকে নিয়ে সারা মার্কেট ঘুরতো। এসব মনে করলে তো এখন হাসি পায় আসলে।
এখন নিজের মার্কেট নিজেই করতে হয়। এটা অবশ্য ভালো নিজের মনের মতো মার্কেট করা যায়। আমার মার্কেট করার পদ্ধতি হলো যে জিনিস আমার পছন্দ হবে সেটা যত টাকাই লাগুক না কেন আমি কিনবো! এখন আসলে নিজের ভালো লাগাটাকেই প্রায়োরিটি দেয়। আর মনে হয় এটাই করা উচিত। নিজের মনের মতো জিনিস কিনতে পারলে আলাদা একটা তৃপ্তি পাওয়া যায়।
10% beneficary for @shyfox ❤️
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। বর্তমানে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর বিএসসি করছি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয় (ডুয়েট) থেকে অধ্যয়নরত আছি। পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত চার বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,কবিতা লেখা,গল্প লেখা ,রিভিউ,ডাই এবং আর্ট করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.