পরিবারের সাথে ঈদ আনন্দ
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। আপনাদের সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমিও ভালো আছি। প্রথমেই সবাইকে জানাতে চাই ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।
গতকাল বিকেলে বের হয়েছিলাম পরিবারের সকলকে নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য। নীলফামারী শহরের আসলে খুব বেশি একটা পার্ক নেই যদিও আছে সেটা শহর থেকে একটু দূরে দূরে অবস্থিত। তাই আমরা বেশি দূরে না গিয়ে নীলফামারীর কাছাকাছি একটি পার্কে গিয়েছিলাম। যার নাম হচ্ছে বাগানবাড়ী। পরবর্তীতে সেখান থেকে আমরা বড় মাঠ গিয়েছিলাম। সেই সময় গুলো ছিল আমাদের জন্য ঈদ আনন্দের এক নতুন অনুভূতি। যেখানে আমাদের পরিবারের সাথে যুক্ত হয়েছি। নতুনের সদস্য সবাই মিলে অনেক ইনজয় করেছিলাম।
গতকাল নীলফামারীতে প্রচুর গরম ছিল। যেই গরমের কথা না বললেই নয়। প্রায় ৪১ ডিগ্রী সেলসিয়াস উঠে গিয়েছিল। আমাদের এই নীলফামারী শহরে এবং ফিল এর কথা বলতে গেলে সেটা ৪১ ডিগ্রি উপরেই হবে। সব মিলিয়ে গতকাল অনেকটাই গরম ছিল আমাদের এই এলাকার। তারপরও ঈদ আনন্দ করতে থেমে থাকে না, তাই না! বিকেলে সূর্য একটু সাইডে যাওয়ার পরেই আমরা বাসা থেকে বের হয়েছিলাম বাগান বাড়ির উদ্দেশ্যে। পরিবারের সকলেই মিলেই আমরা বাগান বাড়িতে গিয়েছিলাম এবং সেখানে অনেক সময় ইনজয় করেছিলাম। সেখানে ছোটখাটো বসার মত অনেকগুলো জায়গা রয়েছে, ওয়াটারফল রয়েছে এবং গ্রামের যেসব পার্ক হয় ঠিক এভাবেই এটা সাজানো হয়েছিল। দেখতে অনেক চমৎকার লাগছিল। যদিও জায়গাটা খুব বেশি একটা বড় নয়।
পরিবারের সকলকে এত আন্দিত দেখে আমারও অনেক ভালো লাগছিল। সবমিলিয়ে আমরা সেই জায়গাটাকে ভালোভাবে এক্সপ্লোর করেছি এবং বিভিন্ন জায়গায় ফটোশুটও করেছিলাম। সেখানে আমরা ছিলাম, আমাদের পরিবারের সকল সদস্য সেখানে ছিল। আন্টি এবং আন্টির মেয়ে, বড় মামা বড় মামানি এবং তাদের বাচ্চাকাচ্চা গুলোও ছিল। সব মিলিয়ে পরিবারের সকলে মিলে অনেকটা সময় সেখানেই আমরা ছিলাম।
নীলফামারী প্রাণকেন্দ্র বলা হয় নীলফামারী বড় মাঠ কে। সেখানে ঈদের সময় আলাদা একটি আমেজর সৃষ্টি হয় এবং সেখানে প্রচুর পরিমাণে খাবারের দোকানপাট এবং মেলা বসে। সেখান থেকে বের হয়ে আমরা নীলফামারী বড় মাঠে চলে আসি। সেখানে আমরা সকলে মিলে ফুচকা এবং চটপটি খেয়েছি এবং বড় মাঠের কিছু সময় আড্ডা দিয়েছিলাম। সবমিলিয়ে সময় গুলো এত ভালোভাবে অতিক্রম হয়েছে যেটা আসলে আমরা পরিকল্পনাই করতে পারেনি। তারপরও মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানতে চাই ঈদ অনেক ভালোভাবেই কেটেছে এজন্য।
পরবর্তীতে পরিবারের সকলের কাছে বিদায় নিয়ে আমার বন্ধু বান্ধবের সাথেও একটু সময় আমি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। বন্ধুদের সাথে সময় না দিলেও বিষয়টা একটু কেমন দেখায়। তাই পরিবারকে বাসায় রেখে পরবর্তীতে আবারও বের হয়েছিলাম। গ্রামের ঈদগুলো সাধারণত এরকমই হয়। পরিবারের সকলের সাথে একটু আড্ডা মাস্তি দেওয়া হয়, ফটোশুট করা হয় এবং কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়। ঠিক তেমনটাই আমরা করেছিলাম। সব মিলিয়ে এবারের ঈদের দিনটা অনেকটা ভালো উদযাপন করেছি। আপনারা কে কেমন ঈদ উদযাপন করলেন তা অবশ্যই মন্তব্য জানাতে পারেন। আজকের মত এখানেই শেষ করছি সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, ঈদ মোবারক।
VOTE @bangla.witness as witness
OR

250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

আমি আল সারজিল ইসলাম সিয়াম। আমি বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। আমি বর্তমানে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিএসসি-র ছাত্র। আমি স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমি বই পড়তে এবং কবিতা লিখতে পছন্দ করি। আমি নিজের মতামত প্রকাশ করার এবং অন্যের মতামত মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি। আমি অনেক ভ্রমণ পছন্দ করি। আমি আমার অতিরিক্ত সময় ভ্রমণ করি এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি। নতুন মানুষের সংস্কৃতি এবং তাদের জীবন চলার যে ধরন সেটি পর্যবেক্ষণ করতে ভালোবাসি। আমি সব সময় নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে যখনই কোনো কিছু নতুন কিছু দেখতে পাই সেটার উপরে আকর্ষণটি আমার বেশি থাকে।
বিষয়: পরিবারের সাথে ঈদ আনন্দ
কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ
আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই এই কমিউনিটির সকল সদস্য কে, ধন্যবাদ......
আপনি সুন্দরভাবে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন! পরিবারের সঙ্গে কাটানো সময়ের উষ্ণতা আর স্মৃতিগুলো সত্যিই দারুণ । নীলফামারীর গরমের মধ্যেও আপনাদের ঈদ উদযাপন দেখে ভালো লাগলো। আশা করি আপনার প্রতিটি ঈদ এভাবেই আনন্দময় কাটবে! ঈদ মোবারক!
আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
ঈদ মোবারক ভাই। পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঈদের সময় একটু ঘুরাঘুরি করতে খুব ভালো লাগে। এতে করে মনটা আনন্দে ভরে যায়। বেশ ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। আপনারা সবমিলিয়ে এককথায় দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ঈদ মোবারক ভাই, ধন্যবাদ আপনাকে।।
পরিবারের সবাইকে নিয়ে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার মজাই অন্যরকম। তোমার ব্লগ গুলো পরি আর ভাবি আমি আমার পরিবার থেকে কত দূরে। সত্যিই যদি এরকম বেশি দিনগুলোতে বাড়ির সবার সাথে আনন্দ করতে পারতাম হয়তো আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে যেত। অনেক ছবি দেখলাম খুব ভালো লাগলো এছাড়াও কিছু ছবি তোমার মায়ের প্রোফাইলে মানে সোশাল মিডিয়াতে দেখেছি। খুব সুন্দর লাগছে তোমাদের সবাইকে আর প্রত্যেকটা ছবি আনন্দে ঝলমল করে উঠছে যেন।