অহংকার।
পৃথিবীতে সব থেকে খারাপ অভ্যাস গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে অহংকার করা। শুরু থেকেই আমরা জেনে আসছি যে অহংকার হচ্ছে পতনের মূল। কিন্তু অনেকেই আছে জানার পরও একে অপরের সাথে অহংকার করি। যেটা কিনা সত্যিই মনুষ্যত্ব হীনতার পরিচয়। কেননা একজন যার কিনা মনুষ্যত্ব আছে সে কোনোদিনও একে অন্যের সাথে অহংকার করবে না। সে সব সময় অপরের সাথে বিনয়ী হয়ে চলা ফেরা করবে। কোনোদিন ও কাউকে ছোট করে দেখবে না। তার চোখে সকলে থাকবে সমান। আর তাদের কাছে সব থেকে বড় পরিচয় হবে আমরা সবাই মানুষ। এবং সেটাকে মনে রেখেই সে সকলকে সমান চোখে দেখবে। আর তারাই হচ্ছে সমাজের সব থেকে আদর্শ ব্যক্তি।
আমাদের মৌলিক চাহিদার মধ্যে যে শিক্ষা রয়েছে। সেটার মূল উদ্দেশ্য গুলো নিয়ে এখন কিছু আলোচনা করা যাক। বর্তমান সময়ে আমরা শিক্ষা গ্রহণ করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বড় হয়ে যাতে একটা ভালো চাকরি নিতে সুবিধা হয়। হয়তোবা সবার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একই রকম হবে না তবে বেশির ভাগ মানুষের উদ্দেশ্য একটাই। যদিও এটাকে আমি মোটেও খারাপ বলছি না , তবে আমাদের মৌলিক চাহিদা গুলোর মধ্যে শিক্ষাকে রাখার মূল উদ্দেশ্য বড় হয়ে ভালো চাকরি করা না বরং আমাদের ভেতর থেকে মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করা। ভালো খারাপ সম্পর্কে আমাদের সঠিক জ্ঞান অর্জন করা। এবং জীবনে সিদ্ধান্ত কিভাবে নিতে হয় সেটা শিখানো ।
তাই আমি মনে করি , শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যাবাসক। কেননা এটার মাধ্যমে আমরা সত্যি কারের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবো। এবং আমি মনে করি সমাজে সুন্দর ভাবে সকলের সাথে মিলে মিশে থাকার জন্য আমাদের ভেতর থেকে একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার কোনোই বিকল্প নেই। এবং আমাদের সকলের উচিত একজন সুশিক্ষত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা। এতে করে আমরা সমাজে সুন্দর ভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারবো এবং আমাদের জীবনের সকল ভালো মন্দ সব কিছুই আমাদের মনুষ্যত্ব দ্বারা যাচাই করতে পারবো।
সব শেষে মূলত একটাই কথা , সেটা হচ্ছে শিক্ষা আমাদের জন্য অতীব জরুরি। এতে করে আমরা আমাদের মনুষ্যত্ব জাগ্রত করতে পারি। এবং এতে করে আমাদের মনের মধ্যে যে হিংসা অথবা যে অহংকার থাকবে , সে গুলো আস্তে আস্তে বিলীন হতে শুরু করবে। যাই হোক , আজকে এই পর্যন্তই। আশা করছি আপনাদের কাছে আজকের পোস্টটি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ , ধৈর্য সহকারে এতক্ষন অব্দি পোস্টটি পড়ার জন্য।
VOTE @bangla.witness as witness
OR

বর্তমান শিক্ষাটা শুধুমাত্র সার্টিফিকেটের জন্য আর একটা ভালো চাকরির জন্য। মানুষের মনুষত্ববোধ জাগ্রত করার জন্য নয়। আর এটা যদি হতো তাহলে হয়তোবা মানুষ এতটা অমানবিক হতো না। সবাই শিক্ষিত জাতি হত। বর্তমান সময় শিক্ষার হার অনেক বেশি কিন্তু মানবিকতার হার একদম কমে গিয়েছে। আমাদের সকলেরই উচিত আমাদের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষার গুরুত্ব হিসেবে মানবিকভাবে গড়ে তোলা। শুধুমাত্র চাকরির আশায় নয়। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপু।
মনুষ্যত্ব এখন মানুষের মাঝে নেই বললেই চলে। বর্তমান সময়ে আদর্শ ব্যক্তি এখন খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সবাই চেষ্টা করে লেখাপড়া করে শুধু সার্টিফিকেট অর্জন করতে। কিন্তু আদর্শ সমাজ গড়ার কোন মন মানসিকতা থাকে না। সঠিক শিক্ষার অভাবে মনুষ্যত্ব হীনতার পরিচয় পেয়ে থাকে। আমাদের উচিত আদর্শ শিক্ষা ও সুশিক্ষত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা। জ্ঞানমূলক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
আমাদের দেশে শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই এটা একদম ঠিক, কিন্তু সুশিক্ষিত মানুষের বড়ই অভাব। তাইতো প্রতিটি সমাজে মনুষ্যত্বহীন মানুষের ছড়াছড়ি। সুশিক্ষিত মানুষদের মধ্যে অবশ্যই মনুষ্যত্ববোধ থাকে। কারণ তারা প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে থাকে। যা প্রতিটি সমাজের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। যাইহোক সবাই সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক,সেই কামনা করছি। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
অহংকার পতনের মূল। আসলে এই বিষয়টি অনেকে জানার পরেও অনেকের মধ্যে অহংকারের ভাব কখনই কমেনা। সেজন্য তাদের মধ্যে অমানসিক অমানবিক আচরণ দেখতে পাওয়া যায়। লেখাপড়া জীবনের মূল উদ্দেশ্য সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া । আর বর্তমান সমাজের মূল লক্ষ্য টাকা ইনকাম করা বা চাকরি করা । শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য হল মনুষত্ববোধকে কাজে লাগানো । অনেক সুন্দর আলোচনা পড়ে ভালো লাগলো।
হ্যাঁ আপু এই বিষয়টার সাথে আমিও আপনার সাথে সহমত প্রকাশ করলাম বর্তমানে ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শেখার একটাই উদ্দেশ্য থাকে যে লেখাপড়া শেষ করে ভালো একটা চাকরি করবে। শিক্ষার মৌলিক বিষয়গুলোর মধ্যে যে টপিকটি আছে সেটাই ভুলে যায় নিজেকে মানুষের মতো মানুষ গড়ে তোলার বিষয়টা সম্পর্কে অবগত হয় না।
আপু শিক্ষিত হলেই হবে না আমাদের সুশিক্ষিত হতে হবে। এটা একদম সত্যি আপু অহংকার পতনের মূল। বেশি অহংকার করলে তার পতন হবেই।অনেক সুন্দর লিখেছেন। ধন্যবাদ আপু।
অহংকার মানুষকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়। আপনি কি সত্যি বলেছেন আপু শিক্ষা মানুষের হৃদয়ে স্থাপিত হলে হিংসা ও অহংকার আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যায়। আর হৃদয়ে মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হয়। অনেক সুন্দর একটি শিক্ষনীয় জেনারেল রাইটিং পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে বেশ দারুন একটি টফিক্স নিয়ে আলোচনা করেছেন। আপনার লেখা পোস্ট পড়ে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আসলে অহংকার প্রত্যেকটা মানুষের পতনের মূল এটা জানার পরেও মানুষ অহংকার কখনো ছাড়তে চায় না। ঠিক বলেছেন আপু আমাদের দেশে অনেক শিক্ষিত মানুষ আছে কিন্তু সুশিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ খুবই কম। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি শিক্ষামূলক পোস্ট লিখে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বর্তমান যুগের মনুষ্যত্ব মানুষ বলতে খুঁজে পাওয়া যাবে না।এই যুগের মানুষ খুবই অহংকারকারী।তবে একজন মানুষের মধ্যে সুশিক্ষা থাকলে সে সবার সামনে মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারবে এবং মিশতে পারবে।তাই আমাদের সবার উচিত প্রকৃতি শিক্ষা ও সুশিক্ষিত হওয়া জরুরী। আপনার পোস্ট টি পড়ে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।