নাটক রিভিউ।। ধনী গরিবের লড়াই।। পর্ব -৩
হ্যাল্লো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই?আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন।আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি।আমি @shahid540 বাংলাদেশ থেকে।বন্ধুরা আজকে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে।চলুন আজকের ব্লগ টি শুরু করা যাক।
আমার আজকের ব্লগের বিষয় হচ্ছে নাটক রিভিউ।নাটকের নাম হচ্ছে ধনী গরিবের লড়াই।আশা করি আমার আজকের নাটক রিভিউ ব্লগ টি আপনাদের ভালো লাগবে। ।চুলুন শুরু করি তাহলে।
নাটকটির গুরুত্ববহ তথ্যসমূহ:
নাটকের নাম: | ধনী গরিবের লড়াই |
---|---|
পর্ব নং: | ৩ |
পরিচালক: | ঈগল টিম |
প্রযোজক: | কচি আহমেদ |
অভিনয়: | ইফতিখার ইফতি, জান্নাতুল মাওয়া, রাফি, মায়া মিম, সহেলী কাকন, জাহাঙ্গীর ,লিপু মামা, সুমন ,রেজা ,মনি ,বৃষ্টি ,জেরিন ,পারভেজ ,ওয়াহিদ রহমান ,সুমন পাটোয়ারী সহ আরো অনেকে |
নাটকটির দৈর্ঘ্য: | ২৩ মিনিট |
রচনা: | সোলায়মান |
সম্পাদনা: | অনিক ইসলাম |
ভাষা: | বাংলা |
দেশ: | বাংলাদেশ |
নাটকের নায়ক ইফতেখার ইফতি নাটকের মধ্যে
সোহাগ নামে পরিচিত আর নায়িকা জান্নাতুল মাওয়া রিমা নামে পরিচিত।
গত পর্বে দেখিয়েছিলাম যে রিমা খাওয়ার টেবিলে থেকে নাস্তা চুরি করে রুমে নিয়ে এসে সোহাগকে খাওয়াচ্ছিল। আর সে সময় রিমার বড় বোন তাদেরকে দেখে ফেলে হঠাৎ রুমে ঢুকেই। তখন রিমার বড় বোন সুলতানা সোহাগ কে টেনে হিঁচড়ে বের করে নিয়ে যায় তার চাচাতো ভাই সুরুজ এর কাছে। আর বলে এই পোলা আমাদের রিমাকে প্রেমে প্রস্তাব দিয়েছিল। সুরুজ বলে আজকে তো এরে মাইরালামু। তখন রিমা তার চাচাতো ভাই সুরুজকে আটকানোর চেষ্টা করে কিন্তু পারে না। তারপর সে তার জ্যাঠার কাছে নিয়ে যায় সুরুজ। আর রাস্তায় যাওয়ার সময় রিমার বড় ভাই সোহাগকে দেখতে পেয়ে আরো কঠিন ভাবে আঘাত করে।
এদিকে সোহাগ গত রাত থেকে বাসায় না ফেরাতে সোহাগের মা-বাবা উতলা হয়ে ওঠে। আর সোহাগ যে মোড়ল বাড়িতে গিয়েছিল এই বিষয়টি শুনে আরো তারা উতলা হয়ে ওঠে। তারপরে সোহাগের আব্বা সব দিকে খোঁজাখুঁজি করার পর সিদ্ধান্ত নেয় তিনি মোড়ল বাড়িতে যাবেন তার ছেলের খোঁজ করতে। আর বলেন যদি আমার ছেলের কিছু হয়ে যায় তাহলে মোড়লদের ছাড়বো না। তারপর তিনি মোড়ল বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। এদিকে সোহাগকে নিয়ে যখন সুরুজ মিয়া বড় মোড়ল সাহেবের কাছে উপস্থিত হলেন তারপর মোড়ল মিয়া নিজের হাতে সোহাগ কে মেরে ফেলতে চাইলেন। সবাই চাচ্ছিলেন নিজ হাতে সোহাগকে মেরে ফেলবেন। কিন্তু মাঝখান থেকে মোড়ল মশাই এর এক কর্মচারী সোহাগের মাথায় একটা বাড়ি দিলে সোহাগ অজ্ঞান হয়ে যায়। আর বাকিরা সবাই মনে করে সোহাগ মরে গেছে।
এদিকে সোহাগের আব্বা মোড়লের বাড়িতে চলে আসে আর মোড়লে জিজ্ঞাসা করে তারা তার ছেলের সাথে কি করেছে। তখন মোড়লরা বলে তোমার ছেলেকে আমরা মেরে ফেলেছি। সোহাগের আব্বা বলে আমার ছেলে মরতে পারে না কখনোই। আর আমার ছেলের যদি কিছু হয় তাহলে আপনাদের কাউকে ছাড়বো না। আর একটা কথা মনে রাখবেন আপনাদের মেয়েকে অবশ্যই আমি আমার ছেলের বউ করেই আমার বাসায় নিয়ে যাব। এদিকে আবার রিমার মনে সোহাগের জন্য প্রেম জমে গেছে। সুলতানা সোহাগকে ধরায় দেওয়ার জন্য রিমা বলে তুই আজকের পর থেকে আমার আর বোন না। আর এটাও বলে যে সোহাগ যদি তাদের বাসায় আসে তাহলে সে সোহাগের হাত ধরে চলে যাবে।
রাতের দিক মোড়লের কর্মচারীরা সোহাগের দুই বন্ধুকে পিটিয়ে ছেড়ে দেয় এবং সোহাগের লাশকে নদীতে ফেলে দেয়। মোড়লের কর্মচারীরা যাওয়ার পর সোহাগের বন্ধুরা সোহাগকে নদী থেকে তুলে তাদের বাসায় নিয়ে যায় এবং সেবা করে সোহাগকে সুস্থ করে তোলে আর সোহাগের মা-বাবাকে ডেকে নিয়ে আসে সোহাগের কাছে আর বলে সোহাগ এখনো জীবিত আছে। তখনই সোহাগ এবং সোহাগের বাবা প্রতিজ্ঞা করে মোড়লের মেয়েকে তাদের বাড়ির বউ বানাবে।
এদিকে তো রিমা সোহাগের চিন্তায় শোকে খাওয়া-দাওয়া সব ছেড়ে দিয়েছে। আর এই কথা মোড়ল মশাইয়ের কানে চলে যায়। তখন বলে রিমাকে ডেকে নিয়ে আসতে ,আর রিমাকে বলে খাওয়া দাওয়া ঠিকভাবে কর মোড়ল বাড়ির নিয়মের বিরুদ্ধে যদি কেউ যায় তাহলে তাকে কেটে কেটে টুকরো করে নদীতে ভাসিয়ে দেবো। তখন রিমা রাগ করে রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। আর ফাঁসিতে ঝুলার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এখানেই নাটকের এই পর্বটি শেষ হয়ে যায়।
নাটকের এই পর্বকে নিয়ে আমার মন্তব্য:-
কিছু কিছু ভালোবাসা এমনও রয়েছে যেগুলো মুখে প্রকাশ না করলেও অন্তর থেকে হয়ে যায়। আর এই ভালোবাসা গুলোই মূলত খাঁটি ভালোবাসা বলে মনে করি আমি। তবে এটাও মানতে হবে প্রেম করতে গেলে প্রেমিককে অবশ্যই সাহসী হতে হয় যেমন সোহাগ। তবে হ্যাঁ মানুষটা সঠিক হলে তবুই এটা করা যাবে নচেৎ নয়।
আশা করছি আমার আজকের এই লেখাটি বেশ ভালো লেগেছে আপনাদের। আমার লিখে যাওয়া এই প্লাটফর্ম এর এই লেখাগুলো থেকে যাবে চিরকাল, সেই সাথে আমার পোস্টের নিচে করা আপনাদের দুর্দান্ত মন্তব্য গুলিও থেকে যাবে অনন্তকাল।তাই গভীর আশা ব্যক্ত করছি আপনাদের দুর্দান্ত মন্তব্য গুলো দেখতে পাবো কমেন্ট বক্সে।
Device | Redmi 9A |
---|---|
Camera | 13 MP |
Country | Bangladesh |
Location | Rangpur, Bangladesh |
vote@bangla.witness as a witness
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনি আজকে ধনী-গরীবের লড়াই নাটকের তৃতীয় পর্ব আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন সুন্দর করে। সোহাগ আসলেই অনেক সাহসী একজন প্রেমিক। সবকিছুর মাঝে হলেও সেই মোড়লের মেয়েকেই চায়। এখন তো রিমা গলায় ফাঁসি দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছে। পরবর্তীতে কি হবে এটাই দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে।
সোহাগ আর রিমা যা করেছে তা কেবলমাত্র খাঁটি প্রেমিকদের পক্ষেই করা সম্ভব। যাই হোক দেখার বিষয় এটাই যে পরবর্তী পর্বগুলোতে সামনে কি আসছে।
ধনী গরিবের লড়াই নাটকের পর্বগুলো আপনি একে একে আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো আমার কাছে। রিমা ও সোহাগকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছে। সোহাগ তো আগে থেকেই ভালোবাসে। আর এখন রিমা সোহাগের জন্য আত্মহত্যা করার চেষ্টা করছে। দেখা যাক কি হয়।