সবাই কেমন আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সামনে যে পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি তা হচ্ছে মাটির চুলা তৈরি পদ্ধতি। আমরা সবাই জানি যারা গ্রামে বসবাস করে তারা মাটির ঝুলায় রান্নাবান্না করে। আর মাটির চুলা কয়েকদিন পরপর ঠিক করতে হয়। আর আমরা যারা গ্রামে থাকি তারা মাটির চুলায় রান্নাবান্না করতে অভ্যস্ত। কিছুদিন আগে আমাদের মাটির চুলাটি ভেঙে গিয়েছিল। তখন আমার আম্মু চুলাটি আবার তৈরি করল তবে এই কাজগুলো আমি পারিনা। কিন্তু আম্মু যখন বানালো তখন পাশে দাঁড়িয়ে দেখলাম কিভাবে মাটির চুলা তৈরি করে। অল্প কিছু সাহায্য করেছি আম্মুক পানি দিয়, মাটি দিয়ে। তাই এখন মাটির চুলা তৈরি পদ্ধতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক
🌺 প্রথম ধাপ🌺
চুলা তৈরি করতে প্রথমে স্থান নির্বাচন করতে হবে যেখানে চুলাটি তৈরি করব। তারপর উপযুক্ত মাটি সংগ্রহ করতে হবে এবং মাটিগুলোকে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে।
🌺 দ্বিতীয় ধাপ🌺
আমরা যেখানে চুলাটি বানাবো সেখানে আগে একটি চুলা ছিল তাই গর্ত তৈরি করতে হয়নি। এবার চুলাটির তিন পাশে মোটা করে মাটি দিয়ে দিতে হবে।
🌺 তৃতীয় ধাপ🌺
এবার চুলার সামনে একটি ইট বসিয়ে তার উপর দুই দিকে চারটি লাঠি দিয়ে দিতে হবে।
🌺 চতুর্থ ধাপ🌺
এবার মাটির সাথে পানি মিশিয়ে একদম কাদা কাদা তৈরি করে এগুলো লাঠির উপর মোটা করে বসিয়ে দিতে হবে।
🌺 পঞ্চম ধাপ🌺
এবার নরম মাটি দিয়ে উপরে সুন্দর করে লেপ দিতে হবে।
🌺 ষষ্ঠ ধাপ🌺
তারপর চারপাশ ঠিক করে মাঝখান থেকে লাঠিগুলো বের করে নিতে হবে।
🌺 শেষ ধাপ🌺
সম্পূর্ণ চুলাটি যখন তৈরি হয়ে গেল তখন আমি এর ছবি তুলে নিলাম।
🌺 আশা করি আমার আজকের পোস্টটি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। ভুল ত্রুটি হলে খুব সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। 🌺
🌺 ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি দেখার জন্য ও পড়ার জন্য🌺
আমি কখনো মাটির চুলা বানানো দেখি নাই, তবে চুলার রান্না বেশ মজা।আমার কাছে ভালোই লাগে রান্না করতে।বানানো পদ্ধতি বেশ সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
আপু আমার কাছেও মনে হয়েছে বেশিরভাগ মানুষ মাটির চুলে বানানো কখনো দেখেনি। তাই আমি এবং আমার আম্মু যখন এই চুলা বানিয়েছি তখন ছবি তুলে নিয়েছি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
একদম ইউনিক একটা পোস্ট দেখতে পারলাম ।মাটির চুলা তৈরি প্রক্রিয়া এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ধাপগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে শেয়ার করেছেন যা বুঝতে সুবিধা হয়েছে।। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
না ভাইয়া মাটির চুলা তৈরি বিরক্ত হয়ে যায়নি আপনি যদি গ্রামের দিকে খেয়াল করেন দেখবেন গ্রামের সব মানুষই মাটির চুলায় রান্না করতে অভ্যস্ত। আর তাই তারা বিভিন্ন ধরনের মাটির চুলা তৈরি করতে পারে।
ভিন্নধর্মী এবং ইউনিক পোস্ট করতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে গ্রামে গঞ্জে মাটির চুলা তৈরি করা হয় তাই তো আমি নিজেও আপনাদের মাঝে এই চুলা তৈরি করার পদ্ধতি শেয়ার করতে পারলাম।
আপনার মাটির তৈরি চুলাটি দেখতে সত্যি খুবই সুন্দর হয়েছে। গ্রামে এখন মানুষ বেশিরভাগ মাটির চুলাতেই রান্না করে আর আমার মনে হয় মাটির চুলায় রান্না করে খাবারটিও অনেক টেস্ট হয় বেশি। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আপনি খুবই সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করেছেন আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গ্রামে গঞ্জে মাটির চুলায় রান্নায় একমাত্র সম্বল। মানুষের তাই তো বিভিন্ন ধরনের মাটির চুলা তৈরি করে থাকে প্রতিনিয়ত। আর তাই আমাদের মাটির চুলা তৈরি করার পদ্ধতি আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করে নিলাম।
এমন মাটির চুলা অনেক দেখেছি। আমর আম্মুরাও বানিয়েছে কিন্তু কিভাবে বানায় তা কখনো দেখিনি। চুলা বানানোর প্রক্রিয়াটি ভালোই লেগেছে আপু। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আপনার মাঝে উপস্থাপন করেছে। ভিন্নধর্মী একটি পোষ্ট ছিল। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য ভালোবাসা রইলো।
বাহ আপনিও তাহলে গ্রামের মাটির চুলা সম্পর্কে ধারণা আছে জেনে খুব ভালো লাগলো। আসলে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে মাটির চুলায় তৈরি করা খাবার। তাই মাটির চুলা তৈরি করাটাও আপনাদের সাথে শেয়ার করে দিলাম।
অনেকদিন পরে একটা ভিন্ন ধরনের পোস্ট দেখলাম। সত্যি আপনার মাটির চুলা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। গ্রামে এখনো এরকম চুলা অনেক আছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আসলে ভিন্ন ধরনের পোস্ট করতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই মাটির চুলা যখন তৈরি করা হয়েছে তখন আমি ছবি তুলে নিয়েছি আর আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমার মনে হয়েছে আপনাদের সবার অনেক ভালো লাগবে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
মাটির চুলা তৈরির প্রণালী দেখে খুবই ভালো লাগলো ।আসলে এই ধরনের দৃশ্য অনেকদিন হলো দেখা হয় না। খুবই সুন্দর হয়েছে মাটির এইরকম ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প দেখতে অনেক ভালো লাগলো।
আসলে এই ধরনের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আগে আরো বেশি দেখা যেত। এখন খুব বেশি দেখা যায় না যেহেতু আমি গ্রামে থাকি সেই সুবাদে মাটির চুলা তৈরি করা দেখতে পেলাম। তাই আপনাদের কাছেও শেয়ার করলাম।
সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপনি। মাটির চুলা তৈরি করা আমি এর আগে কখনো দেখিনি। তবে মাটির চুলায় রান্না করে খাওয়ার মজাই আলাদা। আপনি খুব সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন মাটির চুলায় তৈরি করা খাবার কিন্তু একটু ভিন্ন ধরনের স্বাদ বহন করে। আমরা গ্রামে থাকি বলে মাটির চুলা আমাদের চারপাশে দেখতে পাই। যারা শহরে থাকে তাদের কাছে এগুলো খুবই ভিন্ন রকম লাগবে আমি জানি।
আপু আপনি ভিন্ন রকমের একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। মাটির চুলা তৈরির পদ্ধতি অনেক ভালো লাগলো। এরকম চুলা আমি খুব একটা দেখিনি। আমাদের বাসায় মাটির চুলা আছে। তবে একটু ভিন্ন ধরনের। আপনার কাছে নতুন একটি চুলা তৈরি দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
আসলে আপু একই রকম জিনিস বিভিন্নভাবে তৈরি করা যায়। মাটির চুলায় রান্না করা হয় বলে গ্রামে বিভিন্ন ধরনের মাটির চুলা তৈরি করা হয়। আমাদের এদিকে এরকম চুলাই তৈরি করে তাই আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
একটা সময় আমাদের ও মাটির চুলা ছিল। তখন আমি খুবই ছোট ছিলাম, তবে এটি একসাথে তিনটি চুলা মত দেখাচ্ছে। এত বড় চুলা আমি দেখিনি। খুবই ভালো লাগলো গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী জিনিস আপনি তুলে ধরেছেন শুভকামনা রইল।
মাটির চুলায় রান্না করতে যদিও একটু কষ্ট হয় কিন্তু মাটির চুলার খাবার অনেক মজা হয়। গ্রাম অঞ্চলে মাটির চুলা যেন একটি ঐতিহ্যবাহী জিনিস। তাইতো এই মাঠের চুলা তৈরি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
আমি কখনো মাটির চুলা বানানো দেখি নাই, তবে চুলার রান্না বেশ মজা।আমার কাছে ভালোই লাগে রান্না করতে।বানানো পদ্ধতি বেশ সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
আপু আমার কাছেও মনে হয়েছে বেশিরভাগ মানুষ মাটির চুলে বানানো কখনো দেখেনি। তাই আমি এবং আমার আম্মু যখন এই চুলা বানিয়েছি তখন ছবি তুলে নিয়েছি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
একদম ইউনিক একটা পোস্ট দেখতে পারলাম ।মাটির চুলা তৈরি প্রক্রিয়া এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ধাপগুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে শেয়ার করেছেন যা বুঝতে সুবিধা হয়েছে।। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
না ভাইয়া মাটির চুলা তৈরি বিরক্ত হয়ে যায়নি আপনি যদি গ্রামের দিকে খেয়াল করেন দেখবেন গ্রামের সব মানুষই মাটির চুলায় রান্না করতে অভ্যস্ত। আর তাই তারা বিভিন্ন ধরনের মাটির চুলা তৈরি করতে পারে।
সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এবং ইউনিক একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন খুবই ভালো লাগলো মাটির চুলার প্রস্তুত প্রণালী দেখে গ্রামগঞ্জে এখনো এরকম চুলা অনেক দেখা মেলে
ভিন্নধর্মী এবং ইউনিক পোস্ট করতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে গ্রামে গঞ্জে মাটির চুলা তৈরি করা হয় তাই তো আমি নিজেও আপনাদের মাঝে এই চুলা তৈরি করার পদ্ধতি শেয়ার করতে পারলাম।
আপনার মাটির তৈরি চুলাটি দেখতে সত্যি খুবই সুন্দর হয়েছে। গ্রামে এখন মানুষ বেশিরভাগ মাটির চুলাতেই রান্না করে আর আমার মনে হয় মাটির চুলায় রান্না করে খাবারটিও অনেক টেস্ট হয় বেশি। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আপনি খুবই সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করেছেন আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গ্রামে গঞ্জে মাটির চুলায় রান্নায় একমাত্র সম্বল। মানুষের তাই তো বিভিন্ন ধরনের মাটির চুলা তৈরি করে থাকে প্রতিনিয়ত। আর তাই আমাদের মাটির চুলা তৈরি করার পদ্ধতি আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করে নিলাম।
এমন মাটির চুলা অনেক দেখেছি। আমর আম্মুরাও বানিয়েছে কিন্তু কিভাবে বানায় তা কখনো দেখিনি। চুলা বানানোর প্রক্রিয়াটি ভালোই লেগেছে আপু। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আপনার মাঝে উপস্থাপন করেছে। ভিন্নধর্মী একটি পোষ্ট ছিল। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য ভালোবাসা রইলো।
বাহ আপনিও তাহলে গ্রামের মাটির চুলা সম্পর্কে ধারণা আছে জেনে খুব ভালো লাগলো। আসলে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে মাটির চুলায় তৈরি করা খাবার। তাই মাটির চুলা তৈরি করাটাও আপনাদের সাথে শেয়ার করে দিলাম।
অনেকদিন পরে একটা ভিন্ন ধরনের পোস্ট দেখলাম। সত্যি আপনার মাটির চুলা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। গ্রামে এখনো এরকম চুলা অনেক আছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আসলে ভিন্ন ধরনের পোস্ট করতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই মাটির চুলা যখন তৈরি করা হয়েছে তখন আমি ছবি তুলে নিয়েছি আর আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমার মনে হয়েছে আপনাদের সবার অনেক ভালো লাগবে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
মাটির চুলা তৈরির প্রণালী দেখে খুবই ভালো লাগলো ।আসলে এই ধরনের দৃশ্য অনেকদিন হলো দেখা হয় না। খুবই সুন্দর হয়েছে মাটির এইরকম ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প দেখতে অনেক ভালো লাগলো।
আসলে এই ধরনের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আগে আরো বেশি দেখা যেত। এখন খুব বেশি দেখা যায় না যেহেতু আমি গ্রামে থাকি সেই সুবাদে মাটির চুলা তৈরি করা দেখতে পেলাম। তাই আপনাদের কাছেও শেয়ার করলাম।
সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপনি। মাটির চুলা তৈরি করা আমি এর আগে কখনো দেখিনি। তবে মাটির চুলায় রান্না করে খাওয়ার মজাই আলাদা। আপনি খুব সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন মাটির চুলায় তৈরি করা খাবার কিন্তু একটু ভিন্ন ধরনের স্বাদ বহন করে। আমরা গ্রামে থাকি বলে মাটির চুলা আমাদের চারপাশে দেখতে পাই। যারা শহরে থাকে তাদের কাছে এগুলো খুবই ভিন্ন রকম লাগবে আমি জানি।
আপু আপনি ভিন্ন রকমের একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। মাটির চুলা তৈরির পদ্ধতি অনেক ভালো লাগলো। এরকম চুলা আমি খুব একটা দেখিনি। আমাদের বাসায় মাটির চুলা আছে। তবে একটু ভিন্ন ধরনের। আপনার কাছে নতুন একটি চুলা তৈরি দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
আসলে আপু একই রকম জিনিস বিভিন্নভাবে তৈরি করা যায়। মাটির চুলায় রান্না করা হয় বলে গ্রামে বিভিন্ন ধরনের মাটির চুলা তৈরি করা হয়। আমাদের এদিকে এরকম চুলাই তৈরি করে তাই আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
একটা সময় আমাদের ও মাটির চুলা ছিল। তখন আমি খুবই ছোট ছিলাম, তবে এটি একসাথে তিনটি চুলা মত দেখাচ্ছে। এত বড় চুলা আমি দেখিনি। খুবই ভালো লাগলো গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী জিনিস আপনি তুলে ধরেছেন শুভকামনা রইল।
মাটির চুলায় রান্না করতে যদিও একটু কষ্ট হয় কিন্তু মাটির চুলার খাবার অনেক মজা হয়। গ্রাম অঞ্চলে মাটির চুলা যেন একটি ঐতিহ্যবাহী জিনিস। তাইতো এই মাঠের চুলা তৈরি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।