বিভিন্ন প্রকার বনসাই গাছের কিছু ফটোগ্রাফি
নমস্কার সবাইকে,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই অনেক অনেক ভাল আছেন। সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে আমিও ঠিকঠাক আছি। |
---|
আজ আপনাদের সাথে নতুন একটি ব্লগ শেয়ার করতে যাচ্ছি । এটি একটি ফটোগ্রাফি মূলক পোস্ট। আজ আপনাদের সাথে বিভিন্ন প্রকার বনসাই গাছের কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। আমি বনসাই গাছের ফটোগ্রাফি গুলো ইকো পার্কে গিয়ে তুলেছিলাম। কিছুদিন আগের একটি ব্লগে আমি ইকোপার্ক থেকে তুলে নিয়ে আসা লাল কাঠ গোলাপ ফুলের কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছিলাম আর আজ এই বনসাই গাছের ফটোগ্রাফি শেয়ার করছি।
আমি কেমন করে সেই দিন ইকো পার্ক পৌঁছেছিলাম সেই সম্পর্কে পূর্বের সেই ব্লগটিতেও বলেছি । আজ সেই কথাগুলোই আবার একটু রিপিট করে দিচ্ছি যারা পূর্বের ব্লগ পড়েননি তাদের সুবিধার্থে।বেশ কিছুদিন আগে কোন এক বৃষ্টির দুপুরে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম ইকো পার্কে যাব বলে। আমরা চারজন বন্ধু মিলে এই ইকো পার্কে যাওয়ার প্লান করি। এই দিন অনেকটা বৃষ্টি হয়েছিল এবং বৃষ্টি থামার পরই আমরা বেরিয়ে ছিলাম। আমাদের নিকটবর্তী বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে করেই আমরা সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে প্রথমে আমি চারজনের জন্য ইকো পার্কের টিকিট কেটে নিয়েছিলাম। টিকিট কাটার পরে ইকো পার্কের মধ্যে ঢুকে আমি তো পুরো অবাক হয়ে গেলাম । চারদিকে শুধু সৌন্দর্যের সমরোহ ছিল। সবুজে সবুজমায় হয়ে উঠেছিল ইকো পার্কের কোনা কোনা। ইকোপার্কের সব জায়গায় বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ লাগানো রয়েছে। কলকাতা শহরের বুকে সবুজ প্রকৃতি দেখার সুন্দর একটি জায়গা হল এই ইকো পার্ক। আমি পার্কে গিয়েই এর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে ফটো তোলা শুরু করে দি বিভিন্ন জায়গার ।
বিভিন্ন ধরনের ফটো তোলার এক পর্যায়ে আমার চোখে এসে পড়ে এই বনসাই গাছগুলো। খর্ব আকৃতির এই গাছ গুলো দেখতে এত সুন্দর লাগছিল তা বলে বোঝাতে পারবো না। ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে তোমরাও কিছুটা ধারণা করতে পারবে কতটা সুন্দর লাগছিল এই গাছগুলো। সেইখানে বিভিন্ন ধরনের বনসাই গাছ ছিল যার সবগুলো আমি ঠিক করে চিনতেও পাচ্ছিলাম না কোনটি কি গাছ। বনসাই গুলোর মধ্যে আমি যে গাছগুলোকে চিনতে পেরেছিলাম সেগুলো হল বট, অশ্বত এবং তেঁতুল। এই তিনটি গাছের বনসাই আমি চিনতে পেরেছিলাম খুব ভালোভাবে। অন্যান্য যে বনসাইগুলো রয়েছে তোমরা যদি কেউ তার কোনটির নাম জেনে থাকো তাহলে সেটা কমেন্ট করে আমাকে জানাতে পারো।
যাই হোক ইকো পার্ক সম্পর্কে আরো কিছু কথা না বললেই নয়। আমাদের কলকাতার বুকে এত সাজানো-গোছানো আর কোন পার্ক নেই। এত সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা পার্ক গেলেই মন ভরে যায় । সারা বছর ধরেই পার্কের সমস্ত গাছপালা, ফুলের বাগান থেকে শুরু করে সব কিছুরই খুব যত্ন নেওয়া হয়। আমি এখানে বেশ কয়েকবার ঘুরতে গেছি কিন্তু কখনো গিয়ে হতাশ হয় নি । সব সময় এর মধ্যে সুন্দর একটা পরিবেশ পেয়েছি যা সত্যিই অসাধারণ। এই পার্ক টি অনেকটাই বড়। একদিন হাতে যতই সময় নিয়ে যাওয়া হোক না কেন সম্পূর্ণভাবে ঘুরে দেখে বাড়ি আসা যায় না। যাইহোক সেদিন যতটা পারি, ততটা ঘুরে ছিলাম এবং অনেক অনেক ফটোগ্রাফি করেছিলাম। আজকের লেখাগুলো এখানেই শেষ করছি । ইকো পার্ক থেকে তোলা আরো অনেক ফটোগ্রাফি রয়েছে সেগুলো অন্য কোন ব্লগে সবার সাথে শেয়ার করব।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান : ইকো পার্ক, কলকাতা।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান : ইকো পার্ক, কলকাতা।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান : ইকো পার্ক, কলকাতা।
ক্যামেরা পরিচিতি : SAMSUNG
ক্যামেরা মডেল : SM-M317F
ফটোগ্রাফার:@ronggin
স্থান : ইকো পার্ক, কলকাতা।
আজকের শেয়ার করা বিভিন্ন প্রকার বনসাই গাছের কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের কেমন লাগলো অবশ্যই জানাবেন । সবাই ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন , সুন্দর থাকেন ,হাসিখুশি থাকেন , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকেন , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।
সত্যি বলতে ভাইয়া আপনাদের ইকো পার্কটা কিন্তু অনেক সুন্দর এবং সেই সুন্দর পার্কে সত্যিই খুব সুন্দর সুন্দর বনসাই গাছ রয়েছে। আপনার বনসাই গাছগুলোর ফটোগ্রাফি সত্যিই খুব অসম্ভব সুন্দর দেখাচ্ছে। আমি তো দেখে খুবই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। বনসাই গাছ গুলো দেখতে সত্যিই অসাধারণ। আর বৃষ্টি ভেজা বনসাই গাছগুলোর ফটোগ্রাফি দেখতে সত্যি খুব ভালো লাগছে। ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
এটা ১০০% সত্যি আমাদের ইকো পার্কটা অনেক অনেক সুন্দর। এইখানে একবার ঘুরতে গেলে বার বার ঘুরতে যেতে মন চায়। বৃষ্টির কারণে বনসাইগুলোও আরো বেশি সুন্দর এবং সজীব দেখাচ্ছিল।
আপনি সুন্দর কিছু বনসাই গাছের ফটোগ্রাফি দিয়েছেন। অনেক বড় বড় গাছ ছোট করে বনসাই করে। বনসাই করা গাছগুলো এক একটার বয়স অনেক বছর। দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আপনি ইকো পার্কের ভ্রমণটা বেশ দারুন উপভোগ করেছেন। সেটাও দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
বনসাই গাছ গুলো যারা করে বংশপরম্পরা করে আসছে এরকম দেখা যায়। এই গাছ গুলোর বয়স সত্যিই অনেক অনেক বেশি হয়ে থাকে।
ভাই আমার কাছে এই গাছ গুলো আশ্চর্য লাগে।কিভাবে দিনের পর দিন বড় না হয়ে এভাবেই ছোটই থাকে।আপনার আলোকচিত্র গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে ভাই। ধন্যবাদ এই আশ্চর্য আর সুন্দর গাছ গুলোর আলোকচিত্র শেয়ার করার জন্য।
এই গাছ গুলোকে এরকম ছোট রাখার জন্য নিয়মিত যত্ন করতে হয়। এই কাজ গুলো সাধারণত সবাই করতে পারে না। খুব এক্সপার্ট হতে হয় এইসব কাজ করতে হলে। ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
বেশ কিছুদিন ধরে ভাবছিলাম ইকোপার্ক নিয়ে এই বনসাইগুলোর ফটোগ্রাফি আমি শেয়ার করব। কিন্তু এত পোস্ট জমে ছিল যে, সেগুলো শেয়ার করতে করতে এই পোস্ট গুলোর কথা ভুলে গেছিলাম। তবে তুমি যেহেতু শেয়ার করে দিয়েছো আমি না হয় কিছুদিন পর এই পোস্টগুলো শেয়ার করব। তবে ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই অসাধারণ ছিল। আমি নিজেও হয়তো এত সুন্দর করে তুলতে পারিনি।
আপনি শুধু ভেবেই যান আর আমি শুধু পোস্ট করেই যাই। এত ভাবনা-চিন্তা না করে যে পোস্টগুলো জমানো রয়েছে তাড়াতাড়ি করে সবার সাথে শেয়ার করে ফেলেন।
ইকো পার্কে আপনারা সবাই মিলে খুব ইনজয় করেছেন। এবং আপনারা সবাই মিলে খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন। ইকোপার্কের ভিতরে সবুজ শ্যামল প্রকৃতি দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে ভাইয়া। এবং আপনি খুব সুন্দর সুন্দর কিছু বনাসই গাছের ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার ইকো পার্কের অন্যান্য আরো ফটোগ্রাফি গুলো দেখার অপেক্ষায় রইলাম ভাইয়া।
প্রথমেই ধন্যবাদ আপু ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা করার জন্য। হ্যাঁ আপু অনেক অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি করা রয়েছে সেখানে গিয়ে তোলা। আস্তে আস্তে সেগুলো শেয়ার করবো সবার সাথে।
ভাইয়া আমি এই ধরনের বনসাই গাছগুলো ফেসবুকে দেখেছি কিন্তু আজ আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আরো ভালো লাগলো। আপনারা চার বন্ধু মিলে ইকো পার্কে গিয়ে এত সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করেছেন। আসলে এই কাজগুলো কিভাবে যে এত বড় টব আকার করে রোপন করা হয় তা ভেবে পাইনা। আসলে প্রকৃতির এমন সৌন্দর্যগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে
ফটোগ্রাফিতে দেখার থেকে সামনে গিয়ে দেখতে আরো অনেক বেশি সুন্দর লাগে এগুলো। আমরা সেদিন চার বন্ধু মিলে সত্যিই অনেক মজা করেছিলাম। এই বনসাই যারা তৈরি করে তারাই এই বিষয়ে ভালো জানে কিভাবে তারা করে থাকে।
আপনার তোলা গাছের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি গুলো করার পাশাপাশি বর্ণনা গুলো অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল
ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ফটোগ্রাফি এবং উপস্থাপনার প্রশংসা করার জন্য । আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
এই জাতীয় গাছগুলো তৈরি করে রাখতে হলে সর্বদা এর পিছে মালিক আজ করে থাকে। তবে সচরাচর এমন সুন্দর পরিবেশ খুব কমই দেখা যায় পার্কের মধ্যে। খুবই ভালো লাগলো আপনার এত সুন্দর আজকের পোস্ট পড়তে পেরে।
হ্যা ভাই আমি অনেক পার্কে ঘুরতে গেছি কিন্তু এত সুন্দর পরিবেশ অন্য কোনো পার্কে পাই নি।
কিছুদিন আগে তো আমিও ইকোপার্ক দিয়ে ঘুরে আসলাম। ইকো পার্কের মাঝখান বরাবর পোড়ামাটির যে বিল্ডিংটা রয়েছে বা ঘরটা রয়েছে তার পাশেই এই বনসাই গুলো যত্ন সহকারে সাজানো রয়েছে। আমি তো ভেবেছিলাম কিছু দিনের ভিতরেই আমি এগুলো পোস্ট করব। কিন্তু তুমি তার আগে দিয়ে দিলে। যাই হোক কোন ব্যাপার না, আমি আর কিছুদিন গ্যাপ দিয়ে এই পোস্ট করব। ফটোগ্রাফি গুলো বেশ সুন্দর হয়েছে।
আপনি শুধু ভেবেই যাচ্ছেন আর আমি শুধু পোস্ট করেই যাচ্ছি... এবার ভাবাভাবি বন্ধ করে পোস্ট করা শুরু করে দেন, না হলে আস্তে আস্তে সব পোস্ট আমি আগেই করে ফেলব।