"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"(বনসাইয়ের কিছু ফটোগ্রাফি পর্ব: 7)
নমস্কার
"কৃষ্ণসায়র ফুলমেলা"
বনসাইয়ের কিছু ফটোগ্রাফি পর্ব: 7
এখন চলছে বসন্তকাল।তবে এই ছবিগুলো আমি শীতকালেই সংগ্রহ করেছি।তো শীতকাল মানেই বাহারি ফুল-ফল ও সবজি।আর এই শীতকালেই দেখা যায় প্রচুর পরিমাণে নানান গাছের সমাহার।দেখলে যেন চোখ জুড়িয়ে যায়।তো আমাদের বর্ধমান ইউনিভার্সিটি ও কৃষ্ণসায়র উৎসব কমিটির যৌথ উদ্যোগে একটি ফুলের মেলার আয়োজন করা হয়।যেখানে কৃষি-শিল্প-চিত্র ও পুষ্প সব মিলিয়ে জমজমাট এক মিলনমেলা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।এই ফুলের মেলায় মানুষ তার ফুলের গাছসহ বিভিন্ন গাছ নিয়ে এসেছিল শুধুমাত্র মানুষের দর্শনের জন্য।তো আমিও সেই মেলা থেকেই সংগ্রহ করেছি এই বনসাই গাছের ফটোগ্রাফিগুলি,আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের কাছে।তো চলুন শুরু করা যাক---
বনসাই গাছ:
যদিও আগে বনসাই সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না।কারন ছোটবেলা থেকেই বড় বড় বটবৃক্ষ দেখে বড় হয়েছি।তবে এই কমিউনিটির অনেকের ফটোগ্রাফি পোষ্ট দেখে বনসাই সম্পর্কে ধারণা পাই।আর তারপর মেলায় গিয়ে বাস্তবে দেখে ফটোগ্রাফি করেও ফেললাম, যাইহোক সাধারণত বড় গাছের ক্ষুদ্র রুপকে বনসাই বলে।তাই বনসাই কে জীবন্ত শিল্পও বলা হয়।
যেকোনো স্থানের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করতে বনসাই এর ভূমিকা অপরিসীম।তাছাড়া এই গাছ টবে কিংবা যেকোনো মাটির পাত্রে লাগানো যায়।গাছগুলো কেটেছেটে এমন একটা আকৃতি দেওয়া হয় যেন মনে হয় বটবৃক্ষের ছানা।☺️☺️শক্ত কাণ্ড বিশিষ্ট গাছকে নান্দনিকভাবে গড়ে তোলে মানুষেরাই।
বনসাই গাছের গুঁড়ি বা শিকড় দেখতে আমার কাছে বেশি ভালো লাগে আর সেটাই সবথেকে বেশি আকর্ষণীয়।গাছের উপরে দুই একটি ডাল থাকলেও নীচে থেকে বিভিন্ন আঁকাবাঁকা শিকড় বের হয়ে থাকে।যেগুলো পেঁচানো অবস্থায় থাকে।
বনসাইয়ের শিকড়গুলি এমনভাবে পেঁচানো অবস্থায় থাকে যেটা খুবই জটিল।তাছাড়া এই গাছগুলোকে
একটি ছোট্ট পাত্রে ভালোভাবে প্রতিস্থাপন করা যায়।যেখানে শিকড়গুলি মাটির উপরে বের হয়ে থাকে।তাছাড়া বনসাই গাছের ঠেসমূলও দেখা যায়।যেটা খুবই ভালো লাগে দেখতে।
বনসাইকে সবসময় পরিচর্যা করতে হয় ডাল ছেঁটে,শিকড় কাটার মাধ্যমে।গাছের গঠন নির্ণয় থেকে শুরু করে তাতে জল দেওয়া হয়।মানুষের দ্বারা কত কিছুই না করা সম্ভব, একটি বড় গাছকে ছোট আকার দিয়ে যেকোনো স্থানে রাখার ব্যবস্থা করে তুলছে।
আমার মনে হয় বনসাই গাছগুলো যেহেতু মানুষের মন মতো বা শিল্প দিয়ে তৈরি করা হয়, সেহেতু সেটা বট ও অশ্বত্থ গাছ দিয়েই করা হয়ে থাকে।কারন একটি বটবৃক্ষ বিশাল আকৃতির হয়ে থাকে।আর এই গাছের প্রচুর পরিমাণে শিকড়ও হয়ে থাকে।
পোষ্ট বিবরণ:
শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
---|---|
ডিভাইস | poco m2 |
অভিবাদন্তে | @green015 |
লোকেশন | বর্ধমানের গোলাপবাগ |
আমার পরিচয় |
---|
আমি সবসময় ভিন্নধর্মী কিছু করার চেষ্টা করি নিজের মতো করে।কবিতা লেখা ও ফুলের বাগান করা আমার শখ।এছাড়া ব্লগিং, রান্না করতে, ছবি আঁকতে,গল্পের বই পড়তে এবং প্রকৃতির নানা ফটোগ্রাফি করতে আমি খুবই ভালোবাসি।।
টাস্ক প্রুফ:
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এক সময় বনসাই গাছ বানানোর জন্য অনেক ধরনের পড়াশোনা করেছিলাম। কিন্তু কেন জানিনা আমার বাবা বলেন বনসাই গাছ হল বড় কোন বৃক্ষ কে বামন করে রেখে দেওয়া। কথাটা বেশ মনে লেগেছিল। তারপর থেকে বনসাই করার চেষ্টাও করিনি। তবে বনসাই গাছ গুলো দেখতে মন্দ লাগে না। দীর্ঘদিন সময় লাগে গাছগুলো তৈরি করতে এবং অল্প একটু বড় করতে। আর এই ধরনের গাছগুলো মেলাতেই বেশি দেখা যায়। খুব সুন্দর উদ্যোগ নিয়ে মেলাটি করেছে।
তোমার বাবা ঠিকই বলেছেন দিদি।আমার তো মনে হয় বট কিংবা অশ্বত্থ গাছ দিয়েই করা হয়ে থাকে বনসাই গাছগুলো,ধন্যবাদ।
হ্যাঁ, বেশিরভাগই বট অশ্বত্থ৷ এক জায়গায় দেখেছিলাম বোগেনভিলিয়া হয়েছিল।
আচ্ছা দিদি।আবার আডেনিয়াম ফুল গাছগুলো অনেকটা বনসাইয়ের মতোই দেখতে।শেয়ার করবো দেখো আর ভালোবাসা নিও।
কত সুন্দর বনসাইয়ের বেশ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। একটি গাছই পরিবেশকে সুন্দর করতে যথেষ্ট। ঘর সাজাতেও এই গাছ গুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। ধন্যবাদ।
একেবারেই ঠিক বলেছেন, ঘর সাজানোর জন্য ও পরিবেশ সুন্দর রাখার জন্য বনসাই খুবই কার্যকরী।ধন্যবাদ আপনাকে।
বনসাই গাছগুলো বেশ দারুণ। এদের ডিমান্ড অনেক। অনেকেই তাদের বাড়িতে এটা রেখে থাকে। বেশ দারুণ লাগল আপনার ধারণ করা বনসাইয়ের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। খুবই সুন্দর করেছেন আপু। সবমিলিয়ে চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
বনসাই গাছগুলো তৈরি করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয় মনে হয় ভাইয়া।এজন্য দেখতেও সুন্দর লাগে,ধন্যবাদ আপনাকে।