বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে বের হওয়া
নমস্কার,
তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি, সবাই অনেক অনেক ভাল আছো। আমিও বেশ ভালো আছি। |
---|
বন্ধুরা, আজকের নতুন একটি ব্লগে তোমাদের সবাইকে স্বাগতম।আজকের এই ব্লগে আর সন্ধ্যায় আড্ডা দিতে যাওয়া নিয়ে কিছু কথা তোমাদের সাথে শেয়ার করবো। মাঝে মাঝে বসে পুরনো দিনের কথা ভাবলে অনেক কিছুই মনে পড়ে যায়। আগে বন্ধুবান্ধবদের সাথে নিয়ে সন্ধ্যার দিকে হাটতে বের হতাম। আমাদের এলাকা থেকে কিছুটা দূরে গেলে বিলের মত কিছুটা জায়গা পাওয়া যায়। রাস্তার পাশ থেকে দূরের প্রকৃতি খুব সুন্দর লাগে সেই সব জায়গায় গিয়ে। আমরা বন্ধুরা মিলে এসব জায়গায়ই ঘুরতে চলে যেতাম। বিকালে গিয়ে রাস্তার পাশ থেকে চা খেতে খেতে এসব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতাম। খুবই ভালো লাগতো রাতের বেলায় তাছাড়া নিস্তব্ধতার একটা ব্যাপারও সেই সব জায়গায় গিয়ে পাওয়া যেত। যদিও রাস্তা দিয়ে গাড়ির আওয়াজ থাকতো।তবে অধিকাংশ সময় সাইলেন্ট একটা পরিবেশ পাওয়া যেত। বহুকাল হয়ে গেছে এরকম কোন জায়গায় সন্ধ্যার সময় কাটাতে হয় না। তবে আজ বিকালের দিকে বন্ধুদের সাথে প্ল্যান করে চলে গেছিলাম এরকম একটি রাস্তার দিকে। আজ আসলে আমরা কোন বাইক বা অন্য কোন কিছুতে যাইনি হাঁটতে হাঁটতেই চলে গেছিলাম আমরা চারজন বন্ধু মিলে। এরা সবাই আমার পুরনো বন্ধু ছিল।
আসলে আড্ডাগুলো পুরনো বন্ধুদের সাথে দিতেই ভালো লাগে। যাইহোক, হাঁটতে হাঁটতে আমরা অনেক দূর পৌঁছে গিয়ে একটি বসার মত জায়গা খুঁজে পাই। সেখানে আসলে বাঁশ দিয়ে তৈরি একটা বসার জায়গা করা ছিল। যেখানে এলাকার বিভিন্ন লোকজন এসে বসে থাকতো কেউ সে গেম খেলত, কেউ তাস খেলে, কেউবা বসে আড্ডা দেয় এরকম একটা জায়গা ছিল। তবে আমরা গিয়ে কিছু ছেলেদের গল্প করতে দেখেছিলাম আর কিছু ছেলেদের গেম খেলতে। আর যেহেতু বসার জায়গাটা একটু বড় ছিল তাই আমরা চারজন উঠে পড়ি সেই বসার জায়গায়। তারপর আর কি প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে করতে আমরা গল্প করতে থাকি। সেইখানে বসে যতদূর চোখ যায় শুধু অন্ধকারই দেখা যাচ্ছিল। যদিও অনেক দূরে কিছুটা আলো দেখা যাচ্ছিল।
আসলে এলাকা গুলো ধানের জমি চাষের এলাকা ছিল। এইজন্য অনেক দূর পর্যন্ত এরকম বিলের মত ছিল। আর এইখানে গিয়ে আজকে বেশ ঠান্ডাই লাগছিল ওইখানে বসে বসে আমাদের অনেকটাই ঠান্ডা লেগে গেছিল আজ। সেইখানে বসে গল্প করতে করতে আমরা চা খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই একটু ঠান্ডা লাগার কারণে। সেখান থেকে হেঁটে কিছুদূর গিয়েই চায়ের দোকান পেয়ে যাই। তারপর চার বন্ধু চা নিয়ে সেখানে বসে বসে গল্প করতে থাকি। আসলে এরকম জায়গায় গিয়ে পুরনো স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়। আগে আমরা কি করতাম সেই সব গল্প বারবার উঠে আসতে থাকে। এভাবে আমরা প্রায় ৩০ মিনিটের মতো সময় সেখানে অতিবাহিত করি। যদি সেখানে একটু মশার কামড়ানোর অত্যাচার ছিল। তাই আর বেশি সময় কাটানোর সুযোগ পায়নি।তবে যতটুক সময় কাটিয়েছিলাম বেশ ভালো লেগেছিল। তারপর আড্ডা দেওয়া শেষ করে পুনরায় আবার হাঁটতে হাঁটতে আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে আসি। আসলে বন্ধুদের সাথে মাঝে মাঝে এরকম ভাবে সময় কাটাতে অনেক ভালো লাগে। একটা কোয়ালিটি ফুল সময়ে স্পেইন করা যায় বন্ধুদের সাথে এরকম জায়গায় গিয়ে।
পোস্ট বিবরণ
শ্রেণী | লাইফ স্টাইল |
---|---|
ডিভাইস | Samsung Galaxy M31s |
ফটোগ্রাফার | @ronggin |
লোকেশন | বারাসাত, নর্থ চব্বিশ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল। |
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বন্ধুদের সঙ্গে এমন আড্ডা দিতে ভীষণ ভালো লাগে ভাই। তার মধ্যে এমন নিরিবিলি সুন্দর পরিবেশ যদি পাওয়া যায় তবে তো কথাই নেই। পোস্টটা পড়তে পড়তে যেন এক মুগ্ধতা ভর করলো। খুব সুন্দর ভাবে লিখলেন বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরির স্মৃতি।
ধন্যবাদ দাদা, আপনার এই প্রশংসা মূলক মন্তব্যটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আসলে দাদা পুরনো বন্ধুরাই মনের মত নয় কেন বলুন তো? একটা বয়সের পর আমাদের আর বন্ধু হয় না। ছোটবেলায় আমাদের মনের কোমলতা অন্য কোন বন্ধুর প্রতি যে টান তৈরি করে দেয় বয়স বাড়ার সাথে সাথে সেই সমস্ত আবেগ আর থাকে না। তাই পুরনো বন্ধুদের সাথেই সব থেকে বেশি ভালো মুহূর্ত কাটে। এই বাঁশের বসার জায়গাটা দেখে মনে হল মাচা। মাচায় বসতে কিন্তু সন্ধ্যাবেলায় বেশ ভালই লাগে।
এটা ঠিক যে পুরনো বন্ধুদের সাথেই সব থেকে ভালো মুহূর্ত কাটানো যায়।
হ্যাঁ দিদি ।
সুন্দর একটা অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন ভাইয়া। রাতের বেলায় এমন ফাঁকা পরিবেশে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া। ঠান্ডা অনুভূতির মধ্যে দিয়ে পরবর্তীতে চা খেতে যাওয়া। যাইহোক অনেক ভালো লাগলো আপনাদের ঘোরাঘুরি মুহূর্তটা জানতে পেরে। করার সময় যেন মনে হচ্ছিল আমিও লাইনে লাইনে আপনাদের সাথে চলে গেছি।
আমাদের এই ঘোরাঘুরির মুহূর্ত সম্পর্কে জানতে পেরে আপনারও যে ভালো লেগেছে, সেটা জেনে আমি অনেক খুশি হলাম আপু।
মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সাথে এমন আড্ডা দিতে যেতে ভালো লাগে। কারণ এখানে হাসি আনন্দ অনেক কথা বাত্রা এমনকি দোকানে গিয়ে চা পান করা এছাড়াও আমরা আরেকটা জিনিস বেশি পছন্দ করতাম সেটা হচ্ছে মুড়ি পার্টি। তাই বলতে পারি এভাবে মাঝে মাঝে সময় দেওয়ার মধ্যে ভালোলাগা রয়েছে অনেক।
আপনার এই মন্তব্যটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।