দিল্লী ও আগ্রার জগৎখ্যাত কিছু স্থাপত্যের ছবি৷ ফটোগ্রাফি পোস্ট

in আমার বাংলা ব্লগ28 days ago

প্রিয় আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা,


সমস্ত ভারতবাসী এবং বাংলাদেশের বাঙালি সহযাত্রীদের আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।


Brown Simple Fashion Photo Collage (Portrait)_20250309_222859_0000.png


1000229281.png




আশা করি আপনারা ঈশ্বরের কৃপায় সুস্থ আছেন, সব দিক থেকে ভালোও আছেন। আপনাদের সবার ভালো থাকা কামনা করে শুরু করছি আজকের ব্লগ।



ভেবেছিলাম মেয়ের পরীক্ষা হলে অনেকটা সময় হাতে পাবো। ওমা! কোথায় কি? এ তো ব্যস্ততা ফুরোয়ই না৷ গতকাল থেকে আজ এখনও পর্যন্ত আমার যেন নাকে নিঃশ্বাসে অবস্থা৷ বেশ কিছুদিন বাচ্চাদের পরীক্ষার কারণে আমরা বড়রা বা বাচ্চারাও কেউ কোথাও বেরইনি বা আমাদের কোন আড্ডাও বসেনি। এদিকে বাচ্চারাও ধরেছিল পরীক্ষা শেষে তাদের যেন পার্টি হয়৷

কী যুগ এলো! কথায় কথায় পার্টি! যাইহোক ছেলেমেয়েগুলো মোটামুটি ভালোই পরীক্ষা দিয়েছে৷ আমরা ও আমাদের ওই পাশের বাঙালি পরিবার সমেত মানে দুই পরিবারের বাচ্চা বড় সবাই মিলে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করব ঠিক করলাম। আমি ভেবেছিলাম মোমো বানাবো সবার জন্য। কিন্তু ওই বাড়ির দাদা বলল না বড়রা খাবে রুটি আর আচারি মুর্গ আর বাচ্চাদের মোমো। ভালো কথা আমি আমাদের বাড়িতেই ডেকে নিলাম৷ ওরা বাজার থেকে ফ্রুটি মানে আমের জুস, আইস্ক্রিম পুদিনাপাতা এইসব নিয়ে এলো। আস্তে ধীরে করে মোমো বানিয়ে দিলাম। বাচ্চাদের জন্য নানান শেপের মোমো বানিয়েছিলাম। ওদের সব থেকে পছন্দ হয়েছিল গোলাপ মোমো। কিন্তু বড়দের জন্য যে মাংস রান্না করা হয়েছিল তা আর শেষ হয়নি৷ ফলে থেকে গেছে৷ এদিকে বাচ্চারা দাপাদাপি করে ঘরের অবস্থা শোচনীয় করে দিয়েছে। সকালে উঠেই সমস্ত পরিষ্কার করতে আমার প্রায় দুই ঘন্টা সময় লাগল। তারপর ঠিক করলাম কালকের মাংস আছে যখন দাদাদের ডেকে নিই খাওয়া হয়ে যাবে৷ দাদা বলল চলে যেতে ওদের বাড়ি৷ তাই চলে গেলাম৷ ওখানে খাওয়া দাওয়া করলাম সবাই মিলে৷ এদিকে আবার বিকেলে বাড়িতে অন্যান্য অবাঙালি বন্ধুবান্ধব এসে হাজির। তাদের জন্য আবার চটপট করে ডিমের ডেভিল বানালাম সাথে কফি। ওরা আড্ডা দিয়ে বেরনোর পরেই আমরা বেরোলাম গ্রসারি বাজারে। মাসকাবারি বাজার শেষ৷ না গেলেই নয়৷ কোন মতে আজ আড্ডায় জয়েন করেছি। আড্ডা শুনতে শুনতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে এখন ব্লগ লিখতে বসলাম। বুঝতেই পারছেন আমার অবস্থা৷

আজ কি নিয়ে ব্লগ করব ভেবে ভেবে ঠিক করলাম পুরনো কিছু ছবি শেয়ার করি৷ কোভিডের সময় দীর্ঘদিন গৃহবন্দী থাকার প্র আমরা রীতিমতো পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম। তখন আমার এক বান্ধবী দিল্লীতে থাকত। তার বাড়ি চলে গিয়েছিলাম ধুরতে। আর সাথে আরও এক বান্ধবীকে ডেকে নিয়েছিলাম। বহু বছর পর আমাদের রি-ইউনিয়নও হয়ে গিয়েছিল। এদিকে আমরা তিনজনেই এক সাথে হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল হোস্টেলের রুমমেট। আর তিনজনেই তিনজনের হরিহর আত্মা। তো দিল্লী যাওয়া মানে যে ওর বাড়ি বসে কাটাব তা তো না, আগ্রা চলে গিয়েছিলাম বেড়াতে। আসলে মেয়েটা যখন ছোট ছিল প্রতি মাসেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়তাম। এখন ওর স্কুল পড়াশুনো ইত্যাদির কারণে বেড়ানো খুবই কমে গেছে। যাই হোক, আজ ভাবলাম সেই আগ্রার কিছু দারুণ দারুণ ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করি।

ছবি-১

c8baca1d-b9b1-444a-bdb8-d44614dac35e_20250309_223149_0000.jpg

1b8881a3-6ac6-42c0-9cfe-3d2031c38138_20250309_222959_0000.jpg

লোকেশন

এই ছবি যদি বলে দিতে হয় কিসের তাহলে লজ্জা হবে৷ হা হা হা। আপনারা তো জানেনই। তাও সুবিধার্থে বলি বিশ্ব বিখ্যাত, বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম সেই ছবির মতো সুন্দর স্থাপত্য তাজমহল। গেট দিয়ে যখন ঢুকেছিলাম মনে হয়েছিল সামনে বিরাট ছবি দাঁড়িয়ে আছে। বোঝার উপায় নেই দূর থেকে যে এটি একটি স্থাপত্য। এতো সুন্দর এতো সুন্দর কিভাবে যে বর্ণনা করব তা নিজেও জানি না।

ছবি-২

48d62266-3c11-4b77-8940-c822ee076e22_20250309_222525_0000.jpg

469c4356-a831-4dd9-a3e9-1b74393925ab_20250309_222635_0000.jpg

লোকেশন

আপনারা সবাই জানেন তাজমহল তৈরি করেছিলেন মুঘল সম্রাট শাহজাহান। না না শাজাহান নিজের হাতে তৈরি করেননি তার ইচ্ছে অনুযায়ী এই তাজমহল আসলে তার স্ত্রী মমতাজ বেগমের সমাধিক্ষেত্র। কথিত আছে এটি ভালোবাসার নিদর্শন। প্রথমের ছবিটি তাজমহল সে তো বুঝতেই পারছেন আর দ্বিতীয় ছবিটি তাজমহলে দাঁড়িয়ে তোলা তাজমহলের ঢোকার গেট।

ছবি-৩

IMG-20250307-WA0022.jpg

লোকেশন

এই ছবিটি আগ্রা ফোর্টের। তবে মুখ্য দরজার বা সিংহ দরজার সে এক বিশাল জায়গা জুড়ে রয়েছে সেই ছবিটা কোথায় এখন খুঁজে পাচ্ছি না পরে কখনো পেলেন আপনাদের সাথে শেয়ার করব। মুখ্য দরজা দিয়ে ঢুকে বেশ কিছুটা এগিয়ে এলে এই রাজমহলের ভেতরে ঢোকা যায়। মোটামুটি যতগুলো ফোর্ট বা রাজবাড়ী রয়েছে তার মধ্যে আগ্রার অবস্থা এখনো ভালো। ভেতরে বেশ কিছু অংশ ভেঙে চুরে গিয়েছে তবে এখনো যেটা রয়েছে তা দারুন। এই ফোর্টের ভেতরের অংশে দেওয়ালে এবং সিলিং এর নানান ধরনের কারুকার্য এখনো দেখতে পাওয়া যায় এবং প্রচুর রত্ন মনি মুক্ত দিয়ে যে সাজানো ছিল এবং ব্রিটিশরা তা খুলে নিয়ে চলে গেছে সেই শূন্যস্থান ও দেখা যায়।

ছবি-৪

IMG-20250307-WA0023.jpg

লোকেশন

আগ্রা ফোর্ট থেকে দেখা তাজমহল। শোনা যায় মানে গাইড এর কাছেই শুনেছিলাম তাজমহলটি এমন একটি জায়গায় তৈরি করা হয়েছিল যা আগ্রা ফোটের সমস্ত অংশ থেকেই দেখা যাবে। অর্থাৎ তাজমহল দেখতে বা মমতাজের সমাধিক্ষেত্র দেখতে শাহজাহানকে ছুটে যেতে হবে না। শাহজাহান সব জায়গা থেকেই তার স্ত্রীর জন্য তৈরি করা ভালোবাসার প্রতীক দেখতে পাবেন। যমুনা নদীর ধারে এই তাজমহল অনেক অনেক গল্প তৈরি করেছে।

ছবি-৫

IMG-20250307-WA0021.jpg

লোকেশন

যারা দিল্লি থেকে আগ্রা বেড়াতে যান তারা প্রথমেই যেই স্থানে দাঁড়াবেন দেখার জন্য তাহলে এই ফতেহপুর সিক্রি। ফতেহপুর সিক্রি আগ্রা থেকে সম্ভবত ৩০-৩৫ কিলোমিটার দূরে, এখানে সমস্তটাই আকবরের তৈরি করা। বিরাট ফোর্টও আছে। যেখানে আকবরের স্ত্রীরা থাকতেন। এবং সেখানেই যোধা আকবর সিনেমার শুটিংও হয়েছিল। সেই দূর্গ মূলত বেলেপাথরের তৈরি। তবে এই ছবিটি হল আগ্রার জুমা মসজিদের ছবি৷ এটিও আকবরের তৈরি করা। এখানেই রয়েছে বিখ্যাত বুলন্দ দরওয়াজা, কী অপূর্ব কারুকার্য। সামনে থেকে না দেখলে বিশ্বাস হবে না৷ তবে এই জামা মসজিদ কিন্তু কোন সাধারণ মসজিদ না৷ এটি আকবরের আধ্যাত্মিক উপদেষ্টা সুফি শেখ সেলিম চিস্তির। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ আসেন৷ এখানে মেয়েরাও ভেতরের সমাধিক্ষেত্রে প্রবেশ করেন এবং দরগায় চাদর চড়ান। শুনেছি মানুষের মনস্কামন পূরণ করেন আজও এবং মানুষকে সঠিক রাস্তা দেখান সেলিম চিস্তির পূন্য আত্মা৷ তাঁর আশির্বাদ থেকে কোন শুদ্ধ মনের মানুষ বঞ্চিত হন না৷

ছবি-৬

IMG-20250307-WA0024.jpg

IMG-20250307-WA0020.jpg

লোকেশন

দিল্লির প্রথম সালতানাত কুতুবউদ্দিন আইবকে নির্দেশই তৈরি হয়েছিল এই মিনার তবে এই মিনার কিন্তু তিনি সম্পূর্ণ করে যেতে পারেননি, মিনারটি সম্পূর্ণ করেছিলেন ফিরোজ শাহ তুঘলক। এই মিনারটি ধিল্লিকার দূর্গের কিলা রাই পিথোরার ধ্বংসাবশেষের উপর নির্মিত হয়েছিল, বিখ্যাত সুফী সাধক খাজা কুতুবউদ্দীন বক্তিয়ার কাকির স্মরণে। কেউ কেউ বলেন কুতুবউদ্দিন আইবকের নাম অনুসারে নামাঙ্কন হয়েছে আবার অনেকেই বলেন কুতুবউদ্দিন বক্তিয়ার কাকির নামাঙ্কনে৷ এখানে একটি ফলক আজও দেখাযায় যেখানে ব্রাহ্মলিপিতে লেখা রয়েছে। দিল্লীর এই কুতুবমিনারও একটি বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান বটে।

আসলে কি জানেন বন্ধুরা, ভারতবর্ষে যখন যে বিদেশি শক্তির শাসন করতে এসেছে তারা প্রত্যেকেই দিল্লিকে কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিল এবং এই দিল্লি ও তার চারপাশে তাদের নানান নিদর্শন ছেড়ে গেছে। সেই নিদর্শন হিসেবে কারোর তৈরি করা মিনার বা ফোর্ট বা মসজিদ বা অন্য কোন না কোন স্থাপত্য আজও দেখতে পাওয়া যায়। ভারতবর্ষের বর্তমান রাজধানী দিল্লি যে আসলেই কত বদল এবং রাজত্বের ইতিহাস হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে তা কেবলমাত্র দিল্লিই জানে।

জানেন তো মহাভারতের সেই বিখ্যাত জায়গা হস্তিনাপুর তা কিন্তু বর্তমান দিল্লিতে এই অবস্থিত ছিল এবং যুধিষ্ঠিরের যে রাজধানী ইন্দ্রপ্রস্থ তা ছিল আগ্রাতে বলা হয় তাজমহলের পাশেই। এখনো সেই সমস্ত জায়গা রয়েছে ওখানে গাইডরা সাহায্য করেন এবং অনেক ধরনের ইতিহাস বেশ রশিয়ে রশিয়ে বলেন।

তাহলে বলুন তো বন্ধুরা আজকে আমার এই ফটোগ্রাফি পোস্ট আপনাদের কেমন লাগলো? কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না আজ তবে আসি?

টাটা।

1000205476.png


1000216462.png

পোস্টের ধরণফটোগ্রাফি পোস্ট
ছবিওয়ালানীলম সামন্ত
মাধ্যমআইফোন ১৩
ব্যবহৃত অ্যাপক্যানভা, ইনশট, অনুলিপি


1000216466.jpg


১০% বেনেফিশিয়ারি লাজুকখ্যাঁককে


1000192865.png


~লেখক পরিচিতি~

1000162998.jpg

আমি নীলম সামন্ত। বেশ কিছু বছর কবিতা যাপনের পর মুক্তগদ্য, মুক্তপদ্য, পত্রসাহিত্য ইত্যাদিতে মনোনিবেশ করেছি৷ বর্তমানে 'কবিতার আলো' নামক ট্যাবলয়েডের ব্লগজিন ও প্রিন্টেড উভয় জায়গাতেই সহসম্পাদনার কাজে নিজের শাখা-প্রশাখা মেলে ধরেছি। কিছু গবেষণাধর্মী প্রবন্ধেরও কাজ করছি। পশ্চিমবঙ্গের নানান লিটিল ম্যাগাজিনে লিখে কবিতা জীবন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি৷ ভারতবর্ষের পুনে-তে থাকি৷ যেখানে বাংলার কোন ছোঁয়াই নেই৷ তাও মনে প্রাণে বাংলাকে ধরে আনন্দেই বাঁচি৷ আমার প্রকাশিত একক কাব্যগ্রন্থ হল মোমবাতির কার্ণিশইক্যুয়াল টু অ্যাপল আর প্রকাশিত গদ্য সিরিজ জোনাক সভ্যতা



কমিউনিটি : আমার বাংলা ব্লগ

আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সব্বাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন৷ ভালো থাকুন বন্ধুরা। সৃষ্টিতে থাকুন।

🌾🌾🌾🌾🌾🌾🌾🌾


1000205458.png

C3TZR1g81UNaPs7vzNXHueW5ZM76DSHWEY7onmfLxcK2iQGmyQQJSx2MHvcyqq4XNg2FZiGWRBYf81wDThEM4xYuSUhFAaApJDQJ4jasjkg5ytiwdfqpnm4.png

C3TZR1g81UNaPs7vzNXHueW5ZM76DSHWEY7onmfLxcK2iPd641dngTZWiHQnQEPdqjssU4iUaDNENLp3ya2FLLZtRJxQVSjNRtygbo7NF4dXTAMoiWedMnN.png

![1000205505.png](

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 28 days ago 
1000411830.jpg1000411829.jpg1000411828.jpg
 28 days ago 
 27 days ago 

দিল্লী ও আগ্রার জগৎখ্যাত কিছু স্থাপত্যের ছবি শেয়ার করেছেন আপনি। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্ৰাফি দেখে আমি অনেক্ষণ ধরে তাকিয়ে ছিলাম চোখ সরাতে পারছিলাম না। আপনার ফটোগ্রাফির প্রেমে পড়ে গেলাম আপু। আপনি ফটোগ্রাফির পাশাপাশি দারুন বর্ণনাও দিয়েছেন সব মিলিয়ে দারুন হয়েছে ধন্যবাদ আপু আপনাকে।

 27 days ago 

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। কী সুন্দর করে কমেন্ট করেছেন৷ আমার ফটোগ্রাফি যে আপনার এতো ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত হলাম।

 27 days ago 

কি সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন দিদি!চোখ সরানো যাচ্ছে।সাথে কি সুন্দর তথ্যবহুল বর্ণনা। বেশ ভালো লাগলো দেখে আপনার ফটোগ্রাফিগুলো।

 27 days ago 

ধন্যবাদ আপু। আসলে স্থাপত্যগুলোই এমন সুন্দর৷

 27 days ago 

দিল্লি এবং আগ্রার ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্থাপত্যের ছবি শেয়ার করেছিস থেকে বেশ ভালো লাগলো। এই সকল স্থাপত্য আমাদের দেশের গর্ব হিসেবে চিহ্নিত। আর মুঘল ইতিহাসকে ছেড়ে কখনোই ভারতীয় সভ্যতার পথ চলাকে সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব নয়। তাই এই প্রত্যেকটি সৌধই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং সুন্দর। আমার কাছে এই জায়গাগুলি ভীষণ প্রিয়। আগ্রা ফোর্টে গেলে আমি তো সেই অঞ্চলে বেশ কিছুক্ষণ শুধু বসে থাকি।

 27 days ago 

ঠিকই বলেছ। প্রতিটি সৌধই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তুমি তো ইতিহাসটা অনেক গভীরে জানো। ভালো লাগল তোমার মন্তব্য পড়ে।

 27 days ago 

আপনি তো দেখছি ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দিদি। এত ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের সাথে চমৎকার একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। কোভিডের সময় বান্ধবীর বাড়িতে গিয়ে তিনজনে মিলে বেশ জমিয়ে ঘুরেছেন দেখছি। ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্থাপত্যের ফটোগ্রাফি দেখে নিলাম আপনার সুন্দর একটি পোষ্টের মাধ্যমে। অনেক কিছু জানতেও পারলাম। চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ দিদি।

 27 days ago 

ব্লগ লেখাটা তো আমাদের একটা রোজের কাজে এসে দাঁড়িয়েছে। তাই যত রাতই হোক করি। আপনার যে ভালো লেগেছে তা জেনে আপ্লুত হলাম। আসলে আপনি নিজেই ভীষণ ভালো ফটোগ্রাফার৷ ধন্যবাদ বোন।